ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

বিপদ-মুসিবতে পড়ুন নবীজির দুআ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৩০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩৫১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমরা একেজন মানুষ নিরঙ্কুশ শান্তির জীবন সাধারণত পাই না। আসলে এটাই দুনিয়াবী যিন্দেগীর নিয়ম। একটার পর একটা বিপদ আসতেই থাকে। এক শোক কাটিয়ে না উঠতেই আরেক শোক এসে হাযির হবে। একটা বাধা অতিক্রম না করতেই আরেক বাধা এসে ধর্না দিবে। যাদের সামর্থ্য আছে তারা সহজেই উতরে যায়, তাদের কাছে অনেক বড় বিপদকেও কিছু মনে হয় না। কিন্তু যাদের কোনও চালচুলো নেই, তাদের কাছে একেকটা বিপদ যে কতোটা কষ্ট নিয়ে হাযির হয়, বলে বোঝানো যাবে না। রাব্বে কারীম বলেছেন:

لَقَدْ خَلَقْنَا الإِنْسَانَ فِي كَبَدٍ

নিশ্চয় আমি মানুষকে কষ্ট-পরিশ্রমের মাঝে রেখেই সৃষ্টি করেছি। -সূরা বালাদ:৪

বান্দা দুনিয়াতে থাকতে হলে, নিরন্তর পরিশ্রম করেই যেতে হবে। এটা আল্লাহরই নির্ধারিত বিধান।

বিপদাপদ সামনে এলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। একবার এর কাছে যায়, আরেকবার ওর কাছে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে নবীজি সা. আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন: আল্লাহর অভিমুখী হতে। আল্লাহর দিকে সবকিছু ন্যস্ত করতে। সোপর্দ করতে। রুজু করতে। কারন তার হাতেই তো সব সমাধানের চাবিকাঠি:

قُلِ اللهُ يُنَجِّيكُمْ مِنْهَا وَمِنْ كُلِّ كَرْبٍ

আপনি বলে দিন, আল্লাহই তোমাদেরকে রক্ষা করেন এই মুসীবত থেকে এবং অন্যান্য দুঃখ-কষ্ট হতেও। -সূরা আনআম: ৬৪

বিপদাপদ এলে নবীজি দুআটা নিয়মিত পড়তেন:

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ العظيم الحَلِيمُ،

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ العَرْشِ العَظِيمِ،

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الأَرْضِ رَبُّ العَرْشِ الكَرِيمِ

উচ্চারণ: “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীমুল হালীম। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজিম। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদ্বি রাব্বুল আরশিল আজিম।”

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। তিনি মহান, সহনশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই। তিনি মহান আরশের রব। আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই। তিনি আসমানের রব, যমীনের রব, সম্মানিত আরশের রব। -বুখারী

উক্ত দুআর মাধ্যমে নবীজি সা. আমাদেরকে শিখিয়েছেন, আল্লাহ তাআলাই সবকিছুর নিয়ন্তা। রক্ষাকর্তা। তিনিই সবকিছুর অধিকর্তা। তার ইচ্ছা ছাড়া কিছুই ঘটতে পারে না। তাই আমাদের উচিত আল্লাহভিমুখী হওয়া। সবকিছুর জন্যে আল্লাহর দিকেই ফিরে যাওয়া!

বিপদাপদের পরীক্ষা তার পক্ষ থেকেই আসে, সমাধানও তার পক্ষ থেকেই আসবে। অন্য কোথাও থেকে আসবে না। এই বিশ্বাসটুকু মনে দৃঢ়ভাবে গেঁথে নিতে পারলে, অস্থিরতা অনেকাংশেই কেটে যাবে!

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

বিপদ-মুসিবতে পড়ুন নবীজির দুআ

আপডেট টাইম : ০৫:৩০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমরা একেজন মানুষ নিরঙ্কুশ শান্তির জীবন সাধারণত পাই না। আসলে এটাই দুনিয়াবী যিন্দেগীর নিয়ম। একটার পর একটা বিপদ আসতেই থাকে। এক শোক কাটিয়ে না উঠতেই আরেক শোক এসে হাযির হবে। একটা বাধা অতিক্রম না করতেই আরেক বাধা এসে ধর্না দিবে। যাদের সামর্থ্য আছে তারা সহজেই উতরে যায়, তাদের কাছে অনেক বড় বিপদকেও কিছু মনে হয় না। কিন্তু যাদের কোনও চালচুলো নেই, তাদের কাছে একেকটা বিপদ যে কতোটা কষ্ট নিয়ে হাযির হয়, বলে বোঝানো যাবে না। রাব্বে কারীম বলেছেন:

لَقَدْ خَلَقْنَا الإِنْسَانَ فِي كَبَدٍ

নিশ্চয় আমি মানুষকে কষ্ট-পরিশ্রমের মাঝে রেখেই সৃষ্টি করেছি। -সূরা বালাদ:৪

বান্দা দুনিয়াতে থাকতে হলে, নিরন্তর পরিশ্রম করেই যেতে হবে। এটা আল্লাহরই নির্ধারিত বিধান।

বিপদাপদ সামনে এলে মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়ে। একবার এর কাছে যায়, আরেকবার ওর কাছে যায়। এহেন পরিস্থিতিতে নবীজি সা. আমাদেরকে শিখিয়ে গেছেন: আল্লাহর অভিমুখী হতে। আল্লাহর দিকে সবকিছু ন্যস্ত করতে। সোপর্দ করতে। রুজু করতে। কারন তার হাতেই তো সব সমাধানের চাবিকাঠি:

قُلِ اللهُ يُنَجِّيكُمْ مِنْهَا وَمِنْ كُلِّ كَرْبٍ

আপনি বলে দিন, আল্লাহই তোমাদেরকে রক্ষা করেন এই মুসীবত থেকে এবং অন্যান্য দুঃখ-কষ্ট হতেও। -সূরা আনআম: ৬৪

বিপদাপদ এলে নবীজি দুআটা নিয়মিত পড়তেন:

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ العظيم الحَلِيمُ،

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ العَرْشِ العَظِيمِ،

لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ السَّمَوَاتِ وَرَبُّ الأَرْضِ رَبُّ العَرْشِ الكَرِيمِ

উচ্চারণ: “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহুল আযীমুল হালীম। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুল আরশিল আজিম। লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু রাব্বুস সামাওয়াতি ওয়া রাব্বুল আরদ্বি রাব্বুল আরশিল আজিম।”

অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনও উপাস্য নেই। তিনি মহান, সহনশীল। আল্লাহ ছাড়া কোনও ইলাহ নেই। তিনি মহান আরশের রব। আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নেই। তিনি আসমানের রব, যমীনের রব, সম্মানিত আরশের রব। -বুখারী

উক্ত দুআর মাধ্যমে নবীজি সা. আমাদেরকে শিখিয়েছেন, আল্লাহ তাআলাই সবকিছুর নিয়ন্তা। রক্ষাকর্তা। তিনিই সবকিছুর অধিকর্তা। তার ইচ্ছা ছাড়া কিছুই ঘটতে পারে না। তাই আমাদের উচিত আল্লাহভিমুখী হওয়া। সবকিছুর জন্যে আল্লাহর দিকেই ফিরে যাওয়া!

বিপদাপদের পরীক্ষা তার পক্ষ থেকেই আসে, সমাধানও তার পক্ষ থেকেই আসবে। অন্য কোথাও থেকে আসবে না। এই বিশ্বাসটুকু মনে দৃঢ়ভাবে গেঁথে নিতে পারলে, অস্থিরতা অনেকাংশেই কেটে যাবে!