এক মাসে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম দুই দফা বাড়িয়েছে এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। কিন্তু সে দামেও সিলিন্ডার পাচ্ছেন না ভোক্তারা। তাদের গুনতে হচ্ছে আরও বেশি টাকা। এতে অনেকের চুলা জ্বালাতে কাটছাঁট করতে হচ্ছে বাজার সদাইয়ে। এর বিরূপ প্রভাব পড়েছে হোটেল রেস্তোরাঁয়ও। এলপিজি সিলিন্ডারের বাজারে চলমান এই অস্থিতিশীলতার পেছনে সরকার ও উৎপাদকদের উদাসীনতা এবং অদৃশ্য সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
আমদানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় গত ১৯ এপ্রিল ২১২ টাকা বাড়িয়ে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। এর ১৮ দিন আগে এক দফা দাম বাড়ানো হয়েছিল। সব মিলিয়ে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে মোট পাঁচ বার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।
গেল বছরের ডিসেম্বরে একটি ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ২৫৩ টাকা। চলতি বছরের জানুয়ারিতে সেটি বেড়ে হয় ১ হাজার ৩০৬ টাকা। অর্থাৎ দাম বেড়েছে ৫৩ টাকা। দ্বিতীয় দফায় ফেব্রুয়ারিতে ওই এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয় ১ হাজার ৩৫৬ টাকা। অর্থাৎ আবারও বাড়ল ৫০ টাকা। তবে মার্চে দাম বাড়েনি বরং ১৫ টাকা কমে হয় ১ হাজার ৩৪১ টাকা।
কিন্তু এপ্রিলের পর থেকে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে এলপিজি সিলিন্ডারের দাম। এপ্রিল মাসের শুরুর দিকে ১ হাজার ৩৪১ টাকা সিলিন্ডারের দাম বেড়ে হয় ১ হাজার ৭২৮ টাকা। এক লাফে দাম বাড়ে ৩৮৭ টাকা। এপ্রিলের মাঝামাঝিতে আবারও বাড়ানো হয় দাম। এবার ২১২ টাকা বেড়ে ১২ কেজি একটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম হয় ১ হাজার ৯৪০ টাকা। অর্থাৎ গেল চার মাসে একটি সিলিন্ডারের দাম বেড়েছে ৬৮৭ টাকা।
তবে গত বুধ, বৃহস্পতি ও শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এবং খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার ২ হাজার ১০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দোকানভেদে দামের তারতম্য থাকলেও কোথাও সরকার নির্ধারিত দামে বিক্রি হচ্ছে না। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির পর এলপিজির এই দাম বৃদ্ধি ও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি টাকায় বিক্রিকে ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ হিসেবে দেখছেন সাধারণ ভোক্তা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।
কয়েক মাস আগে মোহাম্মদপুরের আজম রোডে আলো-বাতাসে ভরপুর একটি বাসা ভাড়া নেন বেসরকারি চাকরিজীবী রাকিবুল হাসান। তার দুই শিশু সন্তানের জন্য খোলামেলা পরিবেশ সহায়ক হলেও সম্প্রতি ফ্ল্যাটটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এলপিজি গ্যাসসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধিই এমন বাস্তবতার মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে তাকে।
রাকিবুল হাসান বলেন, বাচ্চাদের জন্য আমার স্ত্রীর বারবার খাবার তৈরি করতে হয়। অনেক বারই চুলা ব্যবহার করা হয়। এর বাইরে দুবার রান্না করতে হয় আমাদের জন্য। সিলিন্ডার গ্যাসের যে দাম, আমরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি। সে জন্য এ বাসা ছেড়ে দিয়েছি। এখন লাইনের গ্যাস আছে এমন এক বাসায় উঠছি।
রায়ের বাজারের বাসিন্দা শেখ শিমুল বলেন, ১৫ হাজার টাকা বেতনে যে চাকরি করি, একটা গ্যাসের মধ্যে যদি ২২০০ টাকা যায়, আমার দুটো ছেলে-মেয়ে আছে। তাদের লেখাপড়ার খরচ, তারপর নিজের খরচ। আমাদের মতো মানুষ এলপিজি গ্যাস দিয়ে আর রান্না করে খেতে পারবে বলে আমার মনে হয় না।
কলাবাগানের বাসিন্দা হিমেল মাহফুজ বলেন, এই কয়েক দিন আগে ২৩০০ টাকা দিয়ে একটি সিলিন্ডার গ্যাস কিনেছিলাম। তারপর আর কিনিনি। একটা সিলিন্ডার ৭ থেকে ৮ দিন যায়। এরপর আর যায় না দেখে হিটার কিনেছি।
দেশে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসক্ষেত্র মাত্র দুটি। যেখানে বছরে উৎপাদন হয় প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিকটন। তবে দেশের বার্ষিক চাহিদা ১২ থেকে ১৬ লাখ মেট্রিকটন। চাহিদার ৯৮ শতাংশই আমদানি হয় বেসরকারিভাবে। একাধিক সিলিন্ডার গ্যাস পরিবেশক সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে পরিবেশকদের ভিন্ন ভিন্ন এবং চড়া দামে এলপিজি সিলিন্ডার কিনতে হচ্ছে, যা বিইআরসি নির্ধারিত দামের চেয়ে অনেক বেশি।
তারা অভিযোগ করেন যে, প্রতিবেশী দেশে অল্প কয়েকটি কোম্পানি বাজার নিয়ন্ত্রণ করায় দাম অভিন্ন থাকলেও বাংলাদেশে একাধিক কোম্পানির ভিন্ন ভিন্ন দরের কারণে অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে।
তেজগাঁওয়ের কলোনি বাজারে পরিবেশক প্রতিষ্ঠান তাহের এন্টারপ্রাইজে দেখা যায়, বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে ভিন্ন ভিন্ন দামে ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডার কিনছেন তারা। তাহের এন্টারপ্রাইজের এক বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, ১ হাজার ৮৪৫ থেকে ১ হাজার ৮৯৫, আমাদের এই দামে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। বিইআরসি যে দাম ঘোষণা করে তার চেয়ে আরও বেশি দিয়ে আমাকে গ্যাস কিনতে হচ্ছে। ছোট্ট একটা বাংলাদেশ, ২৭টা কোম্পানি এখানে ব্যবসা করে। আর ভারতে মাত্র ৪টা কোম্পানি ব্যবসা করে। সারা ভারতে গ্যাসের দাম এক। বাংলাদেশে যতগুলো কোম্পানি আছে, সব কোম্পানির দাম এক হতে হবে। তারপরই নির্ধারিত দামে ভোক্তা পর্যায়ে গ্যাস দেওয়া সম্ভব।
কেবল ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারই নয়, সব ধরনের সিলিন্ডারই বাড়তি দামে বিক্রি করছে কারওয়ান বাজারের জনতা ট্রেডার্স। এর পেছনে কোম্পানিগুলোর দাম বাড়িয়ে দেওয়াকেই দুষছেন তারা। জনতা ট্রেডার্সের এক বিক্রয় প্রতিনিধি বলেন, ১৯৫০ থেকে ১৯৭০ টাকার ভেতরেই ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি করছি। ৩৫ কেজি সিলিন্ডারে বেড়েছে ৬১৭ টাকা। ৭৬৩ টাকা বেড়েছে ৪৫ কেজি সিলিন্ডারে।
ভোক্তা পর্যায়ে এলপিজি ডিলার ও ডিস্ট্রিবিউটাররা বলছেন, সরবরাহ কিছুটা কমলেও ঘাটতি নেই। তবে দামের কারণে চাহিদায় কাটছাঁট করছে গ্রাহক। চাঁদ উদ্যানের সোহেল এন্টারপ্রাইজের মালিক সোহেল রানা বলেন, আগে হয়তো ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে ক্ষণিকের জন্য। কয়েক দিন পর আবার স্বাভাবিক দামে পাওয়া গেছে। কিন্তু ইদানীং যেভাবে দাম বাড়ছে, এটি মেনে নেওয়া যায় না। পাবলিক কীভাবে মানবে, আল্লাহই ভালো জানে।
ডিলার বা পরিবেশকদের কাছে এলপিজি সিলিন্ডারের দামের যখন এমন বেহাল দশা, তাদের কাছ থেকে যেসব সাব-ডিলার তা কিনে নেন, তারা গ্রাহকের কাছে আরও বেশি দামে বিক্রি করছেন। তবে এ বিষয়ে সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দামে ক্রয়ের যুক্তি তুলে ধরেন সাব-ডিলাররা।
মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটের মেসার্স মোল্লা এন্টারপ্রাইজের বিক্রয় প্রতিনিধি দিদার হোসেন বলেন, আমরা ১২ কেজি সিলিন্ডার ২১০০ থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি করছি। সরকারি দামের সঙ্গে পার্থক্যের বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার যে রেট দেয় ওটার থেকে আরও বেশি দাম দিয়ে কিনতে হয় আমাদের। তারপর সেটি আমরা গ্রাহক পর্যায়ে বিক্রি করি। আমাদের কেনাই পড়ে ১ হাজার ৯৪০ থেকে ১ হাজার ৯৭০ টাকা।
রায়ের বাজারের সেফগ্যাস হোম ডেলিভারির এক প্রতিনিধি জানান, একটি সিলিন্ডার বিক্রি করে ১৫০ থেকে ২০০ টাকা যদি লাভ না করতে পরি, তা হলে ব্যবসা চালাব কীভাবে? দোকান-গোডাউন ভাড়া, কর্মচারীদের বেতন কোথা থেকে আসবে? পরিবারের কথা না হয় বাদই দিলাম।
আমদানি নির্ভরতার কারণে সৌদি আরামকোর প্রোপেন ও বিউটেনের ভিত্তি মূল্য অনুযায়ী এলপিজির দাম সমন্বয় করে বিইআরসি। যুদ্ধাবস্থায় মার্চ ও এপ্রিল মাসে আরামকো সিপির দাম ৪৭ শতাংশ বেড়ে ৮০০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছেছে। তবে বর্তমান বাংলাদেশের বাজারে থাকা এলপিজি আমদানি হয়েছিল বছরের প্রথম দুই মাসে। সে কারণে কিছু দোকানে সরকারের নির্ধারিত দামের থেকে কম দামে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদপুর টাউন হল বাজারের ইয়াছিন স্টোরের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. কবীর বলেন, আমরা ১২ কেজি সিলিন্ডার ১৯০০ টাকায় বিক্রি করছি। আমাদের সিলিন্ডারগুলো আগের কেনা। গ্যাস বেচলে লাভ মাত্র ২০-৩০ টাকা।
পাশের প্রগতি হার্ডওয়ারের বিক্রয় প্রতিনিধি মো. রিয়াজ বলেন, আমরা ১৯০০ টাকা করে সিলিন্ডার বিক্রি করছি। তবে আগামীকাল রোববার থেকে নতুন দামে বিক্রি করা হবে।
অন্যদিকে সারা দেশে এলপি গ্যাসের বেশিরভাগ গৃহস্থলীতে ব্যবহার হলেও প্রায় শতভাগ হোটেল রেস্তোরাঁ ও ফুটপাথের দোকানে রান্না হয় এলপিজি সিলিন্ডারে। লাফিয়ে লাফিয়ে দাম বাড়ায় বিপাকে মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, বাধ্য হয়ে বাড়াতে হবে খাবারের দাম।
শঙ্কর ধানমন্ডির একটি রেস্তোরাঁর ক্যাশিয়ার বলেন, আমাদের দুটো সিলিন্ডার লাগে। সেই হিসেবে প্রতিদিন ১২০০ টাকা বাড়তি খরচ হচ্ছে সিলিন্ডারে। এই দাম মিলাই-ঝিলায়া আমরা যদি চইলা-ফিরা খাইতে পারি, তা হলে দাম বাড়াব না। যদি না-ই পারি, তা হলে আমার পরবর্তী সময়ে দাম বাড়াতে হবে।
শের শাহ সুরি রোডে নিম্নআয়ের গ্রাহকদের জন্য পরিচালিত একটি রেস্তোরাঁর মালিক বলেন, এখন সিলিন্ডারের দাম একটু বেড়ে গেছে। তার প্রভাব তো পড়বেই। এখনও দাম বাড়াইনি। তবে এভাবে চলতে থাকলে কাল-পরশু দাম বাড়ানো ছাড়া আমাদের আর কোনো উপায় থাকবে না।
টাউন হল কাঁচাবাজারের টং দোকানদার লাবু মিয়া বলেন, দুদিন আগে একটি সিলিন্ডার নিয়েছি পুরো দুই হাজার টাকা দিয়ে। আজকে আরেকটা নিতে চাইছিলাম। কিন্তু ডিলার বলছে গ্যাসের দাম বেড়েছে, ২২০০ টাকা দিতে হবে। কাজেই আমি ২২০০ টাকা দিয়ে নিইনি। এখন চিন্তাভাবনা করছি এত দাম দিয়ে গ্যাস কিনলে দোকান কীভাবে চলবে?
এলপিজি সিলিন্ডার নিয়ে এই অরাজকতার বিষয়ে জানতে চাইলে জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকার ও উৎপাদকদের উদাসীনতা এবং অদৃশ্য সিন্ডিকেট এ ক্ষেত্রে দায়ী।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. ইজাজ হোসেন বলেন, এলপিজি গ্যাস খাতে দীর্ঘদিন ধরেই অরাজকতা চলছে। কিন্তু এটি দূর করতে বার্কের কার্যকর উদ্যোগ তেমন দেখা যায়নি। মাঝেমধ্যে কয়েকজন পরিদর্শক সামান্য কিছু পদক্ষেপ নিলেও সমস্যাটি জোরালোভাবে মোকাবিলার কোনো ধারাবাহিক প্রচেষ্টাও চোখে পড়েনি।
তিনি বলেন, কয়েক মাস আগে একটি বড় ধরনের সংকট দেখা দিয়েছিল। সে সময় ১ হাজার ৩৫০ টাকার এলপিজি সিলিন্ডার দুই হাজার টাকাতেও পাওয়া যাচ্ছিল না; ব্ল্যাক মার্কেটে দাম উঠে যায় ২২০০ থেকে ২৫০০ টাকায়। যাদের জরুরি প্রয়োজন ছিল, তারা যেভাবেই হোক উচ্চ দামে কিনতে বাধ্য হয়েছেন। এটি ছিল অত্যন্ত খারাপ একটি পরিস্থিতি।
তার মতে, পুরো খাত বেসরকারি হাতে ছেড়ে না দিয়ে বিপিসিকে সম্পৃক্ত করা এবং টিসিবির মতো ব্যবস্থায় দাম নিয়ন্ত্রণ জরুরি। একই সঙ্গে তদারকি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।
ড. ইজাজ বলেন, ভবিষ্যতে সংকট এড়াতে অন্তত ৩০-৪৫ দিনের জ্বালানি মজুদ রাখা দরকার। এমনকি এলএনজি ক্ষেত্রেও সীমিত মজুদ রাখার উদ্যোগ নেওয়া উচিত, যাতে আমদানি বিলম্ব হলেও সরবরাহ ব্যাহত না হয়।
কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ২২০০ টাকার নিচে ১২ কেজির সিলিন্ডার কোথাও পাওয়া যায় না। দাম নির্ধারণ করা হলেও তা কার্যকর করার জন্য কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেই। বিইআরসি নিয়মিতভাবেই এভাবে দাম নির্ধারণ করে, কিন্তু বাস্তবায়নে তেমন ভূমিকা রাখে না। ফলে নির্ধারিত দামে পণ্য মিলছে না।
তিনি আরও বলেন, মাঠপর্যায়ে লোকবল সংকটের কথা বলা হলেও অন্য সংশ্লিষ্ট সংস্থা যেমন ভোক্তা অধিদফতর বা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে তাদের কোনো সমন্বয় নেই। এতে প্রশ্ন উঠছে, নির্ধারিত দাম কার্যকর করতে আদৌ তাদের আন্তরিকতা আছে কি না।
এলপিজি অপারেটরস অব বাংলাদেশের (লোয়াব) সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল জব্বার বলেন, সরকারি দামের চেয়েও বেশি দামে বিক্রির নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। পুরো প্রক্রিয়াটি নিয়ন্ত্রণ করছে ডিস্ট্রিবিউটর ও খুচরা বিক্রেতারা। আর তারাই অতিরিক্ত মুনাফা করছে।
এ বিষয়ে জানতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক ফারুক আহম্মেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
Reporter Name 
























