ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুবদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক মর্তুজা কামাল মোস্তাক: আদালতের বারান্দা থেকে জাতীয় নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জের গর্ব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • ২৫ বার

কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক গর্বের উপলক্ষ তৈরি হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেলার কৃতী সন্তান, সুপরিচিত আইনজীবী ও ত্যাগী যুবনেতা অ্যাডভোকেট মর্তুজা কামাল মোস্তাক। তাঁর এ পদপ্রাপ্তিকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে নয়, বরং কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবেই দেখছেন জেলার রাজনৈতিক সচেতন মহল।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কিশোরগঞ্জজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের আবহ। জেলা শহর থেকে শুরু করে হাওরাঞ্চলের প্রত্যন্ত জনপদ পর্যন্ত বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করেন এই তরুণ আইনজীবী নেতাকে।

রাজনীতির পথচলায় মর্তুজা কামাল মোস্তাক বরাবরই পরিচিত ছিলেন আদর্শনিষ্ঠ, কর্মীবান্ধব ও সাহসী সংগঠক হিসেবে। ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে তিনি মাঠে ছিলেন সক্রিয়। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা ও কারাবরণের মতো প্রতিকূল অভিজ্ঞতাও তাঁকে লক্ষ্যচ্যুত করতে পারেনি। বরং প্রতিটি প্রতিকূলতাই তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও নেতৃত্বকে করেছে আরও পরিণত।

আইন পেশার একজন সফল সদস্য হিসেবে আদালতের বারান্দায় ন্যায়বিচারের পক্ষে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি রাজপথেও তিনি ছিলেন দলীয় কর্মীদের আস্থার প্রতীক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুবদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে একজন পেশাদার আইনজীবীর অন্তর্ভুক্তি সংগঠনের আইনি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে। একই সঙ্গে এটি আইন পেশায় নিয়োজিত তরুণ প্রজন্মের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলছেন, তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা মর্তুজা কামাল মোস্তাকের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক শ্রম, নিষ্ঠা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের দক্ষতা। তাঁর মধ্যে যেমন একজন আইনজ্ঞের প্রজ্ঞা রয়েছে, তেমনি রয়েছে একজন রাজনৈতিক কর্মীর সংগ্রামী মানসিকতা। ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর এই পদায়ন সময়োপযোগী ও যথার্থ সিদ্ধান্ত বলেই মনে করছেন তাঁরা।

নবনির্বাচিত আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মর্তুজা কামাল মোস্তাক তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দলের এই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

হাওর-বাঁওড়ের জনপদ কিশোরগঞ্জ থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হওয়া মর্তুজা কামাল মোস্তাক আজ শুধু একটি নাম নয়; তিনি সংগ্রাম, মেধা, পেশাদারিত্ব ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত কিশোরগঞ্জ, অনুপ্রাণিত নতুন প্রজন্মের অসংখ্য তরুণ রাজনৈতিক কর্মী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক মর্তুজা কামাল মোস্তাক: আদালতের বারান্দা থেকে জাতীয় নেতৃত্বে কিশোরগঞ্জের গর্ব

আপডেট টাইম : ০৬:১৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন এক গর্বের উপলক্ষ তৈরি হয়েছে। জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবগঠিত কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জেলার কৃতী সন্তান, সুপরিচিত আইনজীবী ও ত্যাগী যুবনেতা অ্যাডভোকেট মর্তুজা কামাল মোস্তাক। তাঁর এ পদপ্রাপ্তিকে শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য হিসেবে নয়, বরং কিশোরগঞ্জের রাজনৈতিক ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও নেতৃত্বের স্বীকৃতি হিসেবেই দেখছেন জেলার রাজনৈতিক সচেতন মহল।

বৃহস্পতিবার ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্ব পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই কিশোরগঞ্জজুড়ে সৃষ্টি হয় আনন্দ ও উচ্ছ্বাসের আবহ। জেলা শহর থেকে শুরু করে হাওরাঞ্চলের প্রত্যন্ত জনপদ পর্যন্ত বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করেন এই তরুণ আইনজীবী নেতাকে।

রাজনীতির পথচলায় মর্তুজা কামাল মোস্তাক বরাবরই পরিচিত ছিলেন আদর্শনিষ্ঠ, কর্মীবান্ধব ও সাহসী সংগঠক হিসেবে। ছাত্রজীবন থেকেই জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং নাগরিক অধিকারের প্রশ্নে তিনি মাঠে ছিলেন সক্রিয়। আন্দোলন-সংগ্রামের কঠিন সময়ে মামলা, হামলা ও কারাবরণের মতো প্রতিকূল অভিজ্ঞতাও তাঁকে লক্ষ্যচ্যুত করতে পারেনি। বরং প্রতিটি প্রতিকূলতাই তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ও নেতৃত্বকে করেছে আরও পরিণত।

আইন পেশার একজন সফল সদস্য হিসেবে আদালতের বারান্দায় ন্যায়বিচারের পক্ষে সোচ্চার থাকার পাশাপাশি রাজপথেও তিনি ছিলেন দলীয় কর্মীদের আস্থার প্রতীক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যুবদলের আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে একজন পেশাদার আইনজীবীর অন্তর্ভুক্তি সংগঠনের আইনি ও সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে নতুন মাত্রা যোগ করবে। একই সঙ্গে এটি আইন পেশায় নিয়োজিত তরুণ প্রজন্মের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলছেন, তৃণমূল রাজনীতি থেকে উঠে আসা মর্তুজা কামাল মোস্তাকের এই অর্জনের পেছনে রয়েছে দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক শ্রম, নিষ্ঠা, ত্যাগ ও নেতৃত্বের দক্ষতা। তাঁর মধ্যে যেমন একজন আইনজ্ঞের প্রজ্ঞা রয়েছে, তেমনি রয়েছে একজন রাজনৈতিক কর্মীর সংগ্রামী মানসিকতা। ফলে কেন্দ্রীয় পর্যায়ে তাঁর এই পদায়ন সময়োপযোগী ও যথার্থ সিদ্ধান্ত বলেই মনে করছেন তাঁরা।

নবনির্বাচিত আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মর্তুজা কামাল মোস্তাক তাঁর প্রতিক্রিয়ায় বলেন, দলের এই আস্থার মর্যাদা রক্ষায় তিনি সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি তিনি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

হাওর-বাঁওড়ের জনপদ কিশোরগঞ্জ থেকে উঠে এসে জাতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হওয়া মর্তুজা কামাল মোস্তাক আজ শুধু একটি নাম নয়; তিনি সংগ্রাম, মেধা, পেশাদারিত্ব ও রাজনৈতিক অঙ্গীকারের এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর এই অর্জনে গর্বিত কিশোরগঞ্জ, অনুপ্রাণিত নতুন প্রজন্মের অসংখ্য তরুণ রাজনৈতিক কর্মী।