,

sumi

আল্পস দেখতে দেখতে গানটি লিখেছি

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ওম্যাক্সে যোগ দিতে গত বুধবার ঢাকা ছেড়েছেন জনপ্রিয় ব্যান্ড চিরকুটের ভোকাল শারমিন সুলতানা সুমি। এখন তিনি সুইজারল্যান্ডে। সেখান থেকে সারপ্রাইজ দিলেন ভক্তদের। তার সঙ্গে কথা বলেছেন রণ

বাংলাদেশের প্রতিনিধি…

পর্তুগালের পোর্তো শহরে আগামী ২৭ অক্টোবর শুরু হচ্ছে ওয়ার্ল্ডওয়াইড মিউজিক এক্সপো (ওম্যাক্স)। বিশ্বের অন্যতম বড় এই সংগীত সম্মেলন বাংলাদেশ থেকে অংশ নিচ্ছি আমি। এজন্য গত বুধবার ভোরে দেশত্যাগ করেছি। পর্তুগালের বাঙালিরা আমাকে সংবর্ধনা জানাবেন। সব কাজ শেষ করে আগামী ৮ নভেম্বর দেশে ফেরার পরিকল্পনা। ২০১৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে সাউথ বাই সাউথ ওয়েস্ট ফেস্টিভ্যালে অংশ নিয়েছিল আমাদের ব্যান্ডদল ‘চিরকুট’। উৎসবের পরিচালক টড পাকহাবের আমাদের পরিবেশনা দেখেছিলেন। তিনি আবার ওম্যাক্সেরও জুরি সদস্য। সেই সূত্রেই আমাকে এবার ওম্যাক্সে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ব্যান্ড সদস্যদের খুব মিস করছি। তবে আশা রাখি, আগামী বছর এই সম্মেলনে গান করবে চিরকুট।মিউজিক এক্সপো…

ওম্যাক্সে এবারের সম্মেলনে যোগ দিচ্ছে ৯০টি দেশের ২৬০ জন সংগীতশিল্পীসহ সংগীতের সঙ্গে যুক্ত আড়াই হাজারের বেশি লোক। আন্ডারগ্রাউন্ড, ফোক, রক, জ্যাজ, লোকাল মিউজিকসহ সব ধরনের মিউজিকের অন্যতম বড় বাজার এই ওম্যাক্স। এই বাজারে বাংলাদেশের মিউজিক নিয়ে নানা রকম কাজ করার সুযোগ আছে। আমাদের দেশের কোনো ব্যান্ড বা শিল্পীর সঙ্গে বিদেশি কোনো ব্যান্ডের সংযোগ করিয়ে দেওয়া যায় কি না, সেই চেষ্টা করব। এখানে সবাই নিজেদের সম্ভাবনা ও পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলে, নেটওয়ার্কিং হয়। একে বলা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মিউজিক মিটিং। সৃজনশীল নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, নির্ধারণ হয় কৌশল। আমি যেহেতু নানা রকম ক্রিয়েটিভ কাজ করি, আমার জন্য এই সম্মেলন একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। আমি ক্লাইমেট চেঞ্জ, শিশু অধিকার নিয়ে কাজ করতে চাই, যে কাজগুলো মানুষের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। যখনই যে ফোরামে সুযোগ পেয়েছি, দেশের ব্যান্ডের কথা বলেছি, ভবিষ্যতেও বলব।

সুইজারল্যান্ডে চমক…

এর আগে চিরকুট ব্যান্ড নিয়ে আমরা অনেক দেশে ঘুরেছি। কিন্তু কাজের ব্যস্ততায় নতুন কোনো কিছু করার সুযোগ হয়ে ওঠেনি। তবে এখন থেকে যে দেশে যাব সেই দেশ নিয়ে একটি বাংলা গান করব। সেই পরিকল্পনার প্রথম গান হতে যাচ্ছে সুইজারল্যান্ড নিয়ে। এবার পর্তুগালে মিউজিক এক্সপোতে অংশ নিতে যাওয়ার আগে সুইজারল্যান্ডে এসেছি। প্লেনে বসে আল্পস পর্বতমালা দেখতে দেখতে ফোনে গানটি লিখে ফেলি। সেটি পাঠিয়ে দিই ঢাকায় থাকা চিরকুটের বাকি সদস্যদের কাছে। তারা এরইমধ্যে সুর ও সংগীতের কাজ করে ফেলেছে। গতকাল রাতেই সেটির ভোকাল দিয়েছি সুইজার‌্যলান্ড থেকে। আজ গানটি মিউজিক ভিডিও আকারে প্রকাশ হওয়ার সম্ভাবনা আছে। এরইমধ্যে চারটি শহরে ঘুরেছি। আজ এসেছি জেনেভা। এই সব শহরের প্রাকৃতিক দৃশ্য ক্যামেরাবন্দি করেছি। সেগুলো দিয়েই ভিডিওটি নির্মিত হয়েছে।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর