ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা টোল আদায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা আহ্বান লঞ্চের নির্ধারিত ভাড়া থেকেও ১০ শতাংশ কমিয়েছে সরকার : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী আমিরাতে অস্ট্রেলিয়ার ঘাঁটির কাছে হামলা আরও বিস্তৃত আকার নিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সংসদ বিষয়ক কার্যাবলির দায়িত্বে দুই মন্ত্রী ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের ঢল ঢাকাস্থ কিশোরগঞ্জ জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের ইফতার মাহফিল, প্রতিমন্ত্রী শরিফুল আলমকে ফুলেল সংবর্ধনা বাবার পথে হাঁটছেন তারেক রহমান কাদের পরামর্শে সেই রিভিউ নেয় বাংলাদেশ, জানালেন মিরাজ এবারের ঈদে হানিফ সংকেতের নাটক ‘ভালোবেসে অবশেষে

আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:১৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪৮১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আয়াতুল কুরসিকে বলা হয় আল কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত। অত্যাধিক ফজিলত ও নেয়ামতে পরিপূর্ণ আয়াতুল কুরসি। এ আয়াতের নেয়ামত ও ফজিলতের ব্যাপারে প্রিয়নবী (সা:) সুস্পষ্টভাবে কল্যাণকর নসিহত পেশ করেছেন-

হজরত আবু জর জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ (সা:) কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার প্রতি নাজিলকৃত সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আয়াত কোনটি? তিনি বললেন, আয়াতুল কুরসি। (নাসাঈ)

-হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, ওই ব্যক্তির জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না।’ (নাসাঈ)

-হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় থাকে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি শোয়ার আগে পড়বে আল্লাহ তার ঘর, তার প্রতিবেশীর ঘর এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন।’ (বায়হাকি)

আয়াতুল কুরসির অন্যতম একটি নেয়ামত হলো-
যাদের চোখের দৃষ্টি শক্তি কম বা কোনো কারণে চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে গেছে। তারা যদি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়া শুরু করার পর ‘ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা’ পড়ার সময় হাতের আঙুলগুলোকে একত্রিত করে চোখের ওপর রেখে এ বাক্যটি ১১বার পড়ে অতঃপর ‘ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আজিম বলে উভয় হাতের আঙুলে ফুঁ দিয়ে তা চোখের ওপর মুছে দেয়। আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে দেবেন। আর কারো চোখে কোনো অসুস্থতা থাকলে তা থেকে সুস্থতা দান করবেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা টোল আদায়

আয়াতুল কুরসি পাঠের ফজিলত

আপডেট টাইম : ১১:১৪:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আয়াতুল কুরসিকে বলা হয় আল কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত। অত্যাধিক ফজিলত ও নেয়ামতে পরিপূর্ণ আয়াতুল কুরসি। এ আয়াতের নেয়ামত ও ফজিলতের ব্যাপারে প্রিয়নবী (সা:) সুস্পষ্টভাবে কল্যাণকর নসিহত পেশ করেছেন-

হজরত আবু জর জুনদুব রাদিয়াল্লাহু আনহু রাসুলুল্লাহ (সা:) কে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, হে আল্লাহর রাসুল! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার প্রতি নাজিলকৃত সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন আয়াত কোনটি? তিনি বললেন, আয়াতুল কুরসি। (নাসাঈ)

-হজরত আবু উমামা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজ শেষে আয়াতুল কুরসি পড়ে, ওই ব্যক্তির জান্নাতে প্রবেশ করতে মৃত্যু ছাড়া আর কোনো বাধা থাকে না।’ (নাসাঈ)

-হজরত আলি রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা:) কে বলতে শুনেছি, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি নিয়মিত পড়ে, তার জান্নাতে প্রবেশে কেবল মৃত্যুই অন্তরায় থাকে। যে ব্যক্তি এ আয়াতটি শোয়ার আগে পড়বে আল্লাহ তার ঘর, তার প্রতিবেশীর ঘর এবং আশপাশের সব ঘরে শান্তি বজায় রাখবেন।’ (বায়হাকি)

আয়াতুল কুরসির অন্যতম একটি নেয়ামত হলো-
যাদের চোখের দৃষ্টি শক্তি কম বা কোনো কারণে চোখের দৃষ্টি শক্তি হারিয়ে গেছে। তারা যদি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়া শুরু করার পর ‘ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা’ পড়ার সময় হাতের আঙুলগুলোকে একত্রিত করে চোখের ওপর রেখে এ বাক্যটি ১১বার পড়ে অতঃপর ‘ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আজিম বলে উভয় হাতের আঙুলে ফুঁ দিয়ে তা চোখের ওপর মুছে দেয়। আল্লাহ তাআলা তার দৃষ্টি শক্তি ফিরিয়ে দেবেন। আর কারো চোখে কোনো অসুস্থতা থাকলে তা থেকে সুস্থতা দান করবেন।