,

1657517390_01-Daily-Inqilab

জরিমানা কমাতে যে পরিকল্পনা করেছেন অ্যাম্বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ হলিউডের আলোচিত জুটি জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড। কিছুদিন আগে মানহানি মামলায় জনির কাছে হেরে গেছেন ‘অ্যাকুয়াম্যান’ অভিনেত্রী। এরপর আদালত এই অভিনেত্রীকে জরিমানা বাবদ ১০ মিলিয়ন ৩৫০ হাজার মার্কিন ডলার দেওয়ার নির্দেশ দেন। মামলায় হারার পর থেকে আইন বিশেষজ্ঞ ও উপদেষ্টারা অ্যাম্বার হার্ডের আর্থিক হিসাব ঘেঁটে দেখেছেন৷ তারা অর্থ পরিশোধ না করার পরিণাম কী কী হতে পারে তাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।

তবে অ্যাকুয়াম্যান তারকা’র আইনি দলের ভিন্ন পরিকল্পনা আছে। তারা চাচ্ছেন হয় অর্থ পরিশোধ থেকে বেরিয়ে আসতে অথবা আপিলের মাধ্যমে পরিশোধের কাজটা আপাতত ঠেকিয়ে রাখতে।
 এদিকে পশ্চিমা একটি সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, গোপনে জনি ডেপের সঙ্গে নাকি দেখা করেছেন অ্যাম্বার। জরিমানার অঙ্ক কমাতে অনুরোধও করেছেন। যদিও জনি ডেপের পক্ষ থেকে প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছে, কিন্তু ভার্জিনিয়া রাজ্যের আইন অনুযায়ী হার্ডকে কেবল ১৫ মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ হিসেবে দিতে হচ্ছে। হার্ডের প্রথম দাবি ছিল, ২০১৬ সালে ওয়াশিংটন পোস্ট-এ তার লেখা মতামতের কারণে জনি ডেপে’র ‘খ্যাতিতে প্রকৃত কোনো ক্ষতি হয়নি’।

তবে শেষ পর্যন্ত তাতে রাজি হননি ‘পাইরেটস অব দ্য ক্যারাবিয়ান’ সিনেমাখ্যাত অভিনেতা। এরপর আইনি প্রক্রিয়া চালিয়ে যওয়ার জন্য তার আইনজীবীদের নির্দেশ দিয়েছেন অ্যাম্বার।

জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ডের পরিচয় ২০০৯ সালে। ‘দ্য রাম ডায়েরি’ সিনেমার শুটিং সেটে তাদের বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। অ্যাম্বার হার্ডের আগে দীর্ঘদিন ভেনেসা প্যারাডিসের সঙ্গে ছিলেন জনি ডেপ। ২০১২ সালে আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন ভেনেসা ও জনি। এরপর অ্যাম্বার হার্ডের সঙ্গে প্রেম শুরু করেন এই অভিনেতা। ২০১৪ সালের মেট গালাতে বাগদান সারেন জনি ডেপ ও অ্যাম্বার হার্ড। পরের বছর লস অ্যাঞ্জেলেসে ঘরোয়া পরিবেশে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন এই জুটি।

কিন্তু বিয়ের পনেরো মাসের মাথায় ২০১৬ সালে ডিভোর্সের আবেদন করেন অ্যাম্বার। তিনি অভিযোগ করেন, মাদক সেবন করে ও মদ্যপ অবস্থায় তাকে শারীরিক নির্যাতন করেন জনি ডেপ। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেন ‘অ্যালিস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড’ অভিনেতা। পরবর্তী সময়ে ২০১৬ সালের আগস্টে ৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বিনিময়ে ডিভোর্স নিষ্পত্তি করেন আদালত।

এরপর ২০১৯ সালে অ্যাম্বার হার্ডের পত্রিকায় একটি লেখার কারণে তার বিরুদ্ধে ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের মানহানি মামলা দায়ের করেন জনি। এই অভিনেতা দাবি করেন, এর কারণে তার অভিনয় কেরিয়ারে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে। অনেক চেষ্টা করেও এটি স্থগিত করতে পারেননি অ্যাম্বার। এরপর পাল্টা ১০০ মিলিয়ন ডলারের মামলা দায়ের করেন এই অভিনেত্রী।

গত ১ জুন মানহানির মামলার রায় জনি ডেপের পক্ষে দেন আদালত। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মানহানির ক্ষতিপূরণ বাবদ ডেপকে ১০ মিলিয়ন ৩৫০ হাজার মার্কিন ডলার দিতে হবে হার্ডকে। তবে কিছু ক্ষেত্রে এ মামলার রায় অ্যাম্বার হার্ডের পক্ষেও গিয়েছে। আদালত বলেছেন, ক্ষতিপূরণ হিসেবে হার্ড পাবেন ২০ লাখ ডলার।

Print Friendly, PDF & Email

     এ ক্যাটাগরীর আরো খবর