ঢাকা ০৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের: মাহদী আমিন কলেজছাত্রের বানানো রেসিং কার চালালেন প্রধানমন্ত্রী ইরানি হাজিদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত সউদী আরব ইনশাআল্লাহ বলায় এবার কোরআন উপহার পেলেন অভিনেত্রী ধেয়ে আসছে সুপার এল নিনো, বিশ্বজুড়ে তীব্র খরা, দাবদাহ ও ঝড়ের পূর্বাভাস ইসলামাবাদে শেহবাজ শরিফের সঙ্গে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো ‘আদুভাই’ ছড়ি ঘোরাক, এটা দেখতে চাই না টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী লিমন-বৃষ্টির বিয়ের স্বপ্ন কেড়ে নিলো মার্কিন ঘাতক জব্বারের বলীখেলায় আবারও চ্যাম্পিয়ন বাঘা শরীফ

বাংলাদেশে যেভাবে এসেছে মরিচ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮
  • ৩৯১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মরিচ হলো এক ধরণের ফল, যা রান্নায় ব্যবহার হয় মসলা হিসেবে। এটি দেয় ঝাল স্বাদ। ক্যাপসিকাম গণের সোলানেসি পরিবারের উদ্ভিদের ফল মরিচ। একে সাধারণভাবে মরিচ বলা হয়।

আমেরিকা মহাদেশ মরিচের আদি নিবাস। বর্তমানে পুরো পৃথিবীতে রান্না ও ঔষধি হিসেবে মরিচ ব্যবহার হয়। মরিচকে লংকা বা লঙ্কা বলার সম্ভবত কারণ-এটি শ্রীলঙ্কা থেকে আমদানি করা হয়। আনুমানিক সাত হাজার পাঁশ বছর আগে থেকেই মরিচ ব্যবহার করে আসছেন আমেরিকার আদিবাসীরা। ইকুয়েডরের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে পুরাতাত্ত্বিকেরা ছয় হাজার বছর আগে মরিচ চাষের প্রমাণ পায়। প্রাচীন সময় থেকেই মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় মরিচের চাষ হতো।

আমেরিকা আবিষ্কার করা কলম্বাস ইউরোপীয়দের মধ্যে ক্রিস্টোফার প্রথম ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে মরিচ দেখতে পান। ভারতবর্ষে উৎপন্ন গোল মরিচের মতো ঝাল বলে তিনি এগুলোকে পিপার নামকরণ করেন। যদিও গোল মরিচের গাছের সঙ্গে মরিচ গাছের কোনও সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায় না।

মরিচ পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের পর। আলভারেজ চানকা। তিনি একজন চিকিৎসক। তিনি কলম্বাসের ২য় অভিযানকালে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে স্পেনে মরিচ নিয়ে যান। এরপর তিনি মরিচের ঔষধী গুনাগুণ নিয়ে প্রবন্ধ লিখেন। সালটি ছিল ১৪৯৪।

স্পেনের ব্যবসায়ীরা মরিচ মেক্সিকো থেকে পুরো এশিয়ায় ছড়িয়ে দেন। প্রথমে ফিলিপাইন্স, পরে চীন, ভারতবর্ষ, জাপান, কোরিয়া। এরপর ঝাল স্বাদের জন্য দ্রুতই মরিচ হয়ে ওঠে এশিয়ার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় খাবারের অপরিহার্য উপকরণ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীকে মিড-ডে মিল পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের: মাহদী আমিন

বাংলাদেশে যেভাবে এসেছে মরিচ

আপডেট টাইম : ১০:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মরিচ হলো এক ধরণের ফল, যা রান্নায় ব্যবহার হয় মসলা হিসেবে। এটি দেয় ঝাল স্বাদ। ক্যাপসিকাম গণের সোলানেসি পরিবারের উদ্ভিদের ফল মরিচ। একে সাধারণভাবে মরিচ বলা হয়।

আমেরিকা মহাদেশ মরিচের আদি নিবাস। বর্তমানে পুরো পৃথিবীতে রান্না ও ঔষধি হিসেবে মরিচ ব্যবহার হয়। মরিচকে লংকা বা লঙ্কা বলার সম্ভবত কারণ-এটি শ্রীলঙ্কা থেকে আমদানি করা হয়। আনুমানিক সাত হাজার পাঁশ বছর আগে থেকেই মরিচ ব্যবহার করে আসছেন আমেরিকার আদিবাসীরা। ইকুয়েডরের দক্ষিণ-পশ্চিমাংশে পুরাতাত্ত্বিকেরা ছয় হাজার বছর আগে মরিচ চাষের প্রমাণ পায়। প্রাচীন সময় থেকেই মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকায় মরিচের চাষ হতো।

আমেরিকা আবিষ্কার করা কলম্বাস ইউরোপীয়দের মধ্যে ক্রিস্টোফার প্রথম ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জে মরিচ দেখতে পান। ভারতবর্ষে উৎপন্ন গোল মরিচের মতো ঝাল বলে তিনি এগুলোকে পিপার নামকরণ করেন। যদিও গোল মরিচের গাছের সঙ্গে মরিচ গাছের কোনও সাদৃশ্য লক্ষ্য করা যায় না।

মরিচ পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের পর। আলভারেজ চানকা। তিনি একজন চিকিৎসক। তিনি কলম্বাসের ২য় অভিযানকালে পশ্চিম ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জ থেকে স্পেনে মরিচ নিয়ে যান। এরপর তিনি মরিচের ঔষধী গুনাগুণ নিয়ে প্রবন্ধ লিখেন। সালটি ছিল ১৪৯৪।

স্পেনের ব্যবসায়ীরা মরিচ মেক্সিকো থেকে পুরো এশিয়ায় ছড়িয়ে দেন। প্রথমে ফিলিপাইন্স, পরে চীন, ভারতবর্ষ, জাপান, কোরিয়া। এরপর ঝাল স্বাদের জন্য দ্রুতই মরিচ হয়ে ওঠে এশিয়ার বিভিন্ন এলাকার স্থানীয় খাবারের অপরিহার্য উপকরণ।