ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ৩৪৫০২ কোটি টাকা স্বাধীনতার গৌরবময় ইতিহাস সংরক্ষণ করা জরুরি : সংস্কৃতি মন্ত্রী ঢাকার ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ সরকারের সৎ মায়ের নির্যাতন, মা’র কবরের পাশে শিশুর কান্না ভাইরাল নতুন সিদ্ধান্ত, ১০ শনিবার খোলা থাকবে প্রাথমিক বিদ্যালয় সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন ৫ দিনের রিমান্ডে ঈদের পর প্রথম কর্মদিবসে প্রায় ১১ ঘণ্টা অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী ৭ দিনের অভিযান আসাদগেট-শ্যামলীতে সব ক্লিনিক পরিদর্শন, অনিয়মে ছাড় নয় : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দুনিয়ার বিপর্যয় থেকে উত্তরণের পথ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭
  • ৫৭২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষ। মানুষের জীবনাচার, সামাজিক নানাবিধ কার্যক্রম, পারস্পরিক লেনদেন, মেলামেশা, শরিয়তের বিধি-নিষেধ মান্যকরণ এবং নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতার মধ্যদিয়ে বুঝে আসে- মানুষ অন্য সব প্রাণি ও জীব থেকে ভিন্ন ও স্বতন্ত্র। সামাজিক জীব হিসেবে আল্লাহতায়ালার নির্দেশাবলী পালনের পাশাপাশি পারিবার ও সামাজের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার ঝুলি কাঁধে তুলে নিতে হয় মানুষকে।

সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হয়। অন্যের বিপদ-আপদে সহায়তার হাত বাড়াতে হয়। পরের সুখে খুশি এবং পরের দুঃখে কষ্ট অনুভব করতে হয়। একে অন্যের সঙ্গে মায়া-মমতা ও স্নেহ-ভালোবাসার চাদরে জড়াতে হয়। আর তখনই পরিবার, সমাজ ও দেশ পরিণত হয় শান্তির নীড়ে। সৃষ্টি হয় পারস্পরিক মাহাত্ম্যবোধ ও ভালোবাসা। অন্যদিকে মানুষ যখন এ সব বিষয় থেকে উদাসীন হয়। প্রবৃত্তির লাগামহীন বাসনা পূরণে সম্পদ ও ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে অঢেল সম্পদের নেশায় ঘুষ, দুর্নীতির আশ্রয় নেয়।

নিজের অবস্থান অটুট রাখতে অন্যায়-অবিচার, দাঙ্গা-হাঙ্গামা থেকে শুরু করে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। অপরকে ঠকাতে এবং অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করতে কুণ্ঠিত হয় না। নানাবিধ অন্যায়ে লিপ্ত হওয়াসহ  অন্যায়- অনাচার এবং বিদআত ও কুসংস্কারে লিপ্ত হয়। ধর্মীয় আদর্শ ত্যাগ করে- ঠিক তখনই তাদের ওপর নেমে আসে মহা বিপর্যয়। অতীত ইতিহাস যার জ্বলন্ত সাক্ষী। এ বিপর্যয় হতে পারে প্রাকৃতিক ধ্বংসযজ্ঞ, মানবনিধন। আবার হতে পারে নৈতিক চারিত্র অবক্ষয়ের এক ভয়ালগ্রাসী থাবা। যা মানুষকে আল্লাহতায়ালার অসন্তুষ্টি, অবাধ্যতা ও নাফরমানির দিকে প্রবলভাবে ধাবিত করে।

ফলে মানুষের প্রতি ক্রমাগত বিপদ-আপদ, নানাবিধ বিপর্যয় ও মসিবত আসতে থাকে একের পর এক। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের ওপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।’ -সূরা আশ শোয়ারা: ৩০

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘পূর্ণাঙ্গ বিজয় না আসা পর্যন্ত’ লড়াইয়ের ঘোষণা ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর

দুনিয়ার বিপর্যয় থেকে উত্তরণের পথ

আপডেট টাইম : ০৭:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ নভেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আল্লাহতায়ালার শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি মানুষ। মানুষের জীবনাচার, সামাজিক নানাবিধ কার্যক্রম, পারস্পরিক লেনদেন, মেলামেশা, শরিয়তের বিধি-নিষেধ মান্যকরণ এবং নিজের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনের বাধ্যবাধকতার মধ্যদিয়ে বুঝে আসে- মানুষ অন্য সব প্রাণি ও জীব থেকে ভিন্ন ও স্বতন্ত্র। সামাজিক জীব হিসেবে আল্লাহতায়ালার নির্দেশাবলী পালনের পাশাপাশি পারিবার ও সামাজের দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতার ঝুলি কাঁধে তুলে নিতে হয় মানুষকে।

সুখে-দুঃখে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হয়। অন্যের বিপদ-আপদে সহায়তার হাত বাড়াতে হয়। পরের সুখে খুশি এবং পরের দুঃখে কষ্ট অনুভব করতে হয়। একে অন্যের সঙ্গে মায়া-মমতা ও স্নেহ-ভালোবাসার চাদরে জড়াতে হয়। আর তখনই পরিবার, সমাজ ও দেশ পরিণত হয় শান্তির নীড়ে। সৃষ্টি হয় পারস্পরিক মাহাত্ম্যবোধ ও ভালোবাসা। অন্যদিকে মানুষ যখন এ সব বিষয় থেকে উদাসীন হয়। প্রবৃত্তির লাগামহীন বাসনা পূরণে সম্পদ ও ক্ষমতার লড়াইয়ে জড়িয়ে অঢেল সম্পদের নেশায় ঘুষ, দুর্নীতির আশ্রয় নেয়।

নিজের অবস্থান অটুট রাখতে অন্যায়-অবিচার, দাঙ্গা-হাঙ্গামা থেকে শুরু করে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। অপরকে ঠকাতে এবং অন্যের সম্পদ আত্মসাৎ করতে কুণ্ঠিত হয় না। নানাবিধ অন্যায়ে লিপ্ত হওয়াসহ  অন্যায়- অনাচার এবং বিদআত ও কুসংস্কারে লিপ্ত হয়। ধর্মীয় আদর্শ ত্যাগ করে- ঠিক তখনই তাদের ওপর নেমে আসে মহা বিপর্যয়। অতীত ইতিহাস যার জ্বলন্ত সাক্ষী। এ বিপর্যয় হতে পারে প্রাকৃতিক ধ্বংসযজ্ঞ, মানবনিধন। আবার হতে পারে নৈতিক চারিত্র অবক্ষয়ের এক ভয়ালগ্রাসী থাবা। যা মানুষকে আল্লাহতায়ালার অসন্তুষ্টি, অবাধ্যতা ও নাফরমানির দিকে প্রবলভাবে ধাবিত করে।

ফলে মানুষের প্রতি ক্রমাগত বিপদ-আপদ, নানাবিধ বিপর্যয় ও মসিবত আসতে থাকে একের পর এক। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, ‘তোমাদের ওপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।’ -সূরা আশ শোয়ারা: ৩০