ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

তামিম যেদিন ‘চূড়া’য় উঠেছিলেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭
  • ৫৩০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা নিজেদের করে নিতে হলে ২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট বুলাওয়েতে বাংলাদেশকে ম্যাচটা জিততেই হতো। কিন্তু হিসাবটা কঠিন করে দিলেন চার্লস কভেন্ট্রি। টপঅর্ডার এই ব্যাটসম্যানের ১৫৬ বলে ১৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে সওয়ার করে বাংলাদেশকে ৩১৩ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিল জিম্বাবুয়ে।

৩০০-এর বেশি রান তাড়া করে জেতার অভিজ্ঞতা তখনো বাংলাদেশের হয়নি। ‘অভিজ্ঞতা হয়নি, হবে’—এ ভাবনাতেই কি সেদিন ব্যাটিং শুরু করেছিলেন তামিম ইকবাল? শুরুটা যদিও তিনি করেছিলেন ধীরলয়েই। প্রথম বাউন্ডারি পেতে লাগে ১৫ বল। প্রথম ১৪ বলে তাঁর রান ছিল ৬। ৬০ বলে ফিফটির পর ১০৫ বলে সেঞ্চুরি। ৯৯ থেকে ১০০ রানে যেতে সাত বল খেলতে হলেও সেঞ্চুরি পাওয়ার পরের ওভারেই মাসাকাদজার মাথার ওপর দিয়ে দুই ছক্কা মেরে তামিম জানিয়ে দেন কিসের জন্য অপেক্ষা করেছেন তিনি।
সেঞ্চুরির পর ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫০ ছুঁতে তামিমের লাগে ৩০ বল। রেমন্ড প্রাইসকে ডাউন দ্য উইকেটে মারতে গিয়ে যখন আউট হলেন, নামের পাশে ১৫৪ রান (১৩৮ বলে), যেটি বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে আজও সর্বোচ্চ ইনিংস। ঝলমলে ইনিংসটা তিনি সাজান ৭ চার আর ৬ ছয়ে।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তামিমের সেটি ছিল দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। পরে করেছেন আরও সাতটি। কিন্তু আন্তর্জাতিক অভিষেকের দুই বছরে এমন এক রেকর্ড গড়েছেন, যেটি পরের আট বছরেও ভাঙতে পারেননি। ভাঙতে পারেননি বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটসম্যান। এখনো ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ চূড়া হয়ে আছে বাংলাদেশের রেকর্ডের পাতায়।
তামিমের ঝকঝকে সেই ইনিংসের সৌজন্যে ম্লান হয়ে যায় কভেন্ট্রির ১৯৪ রান! ১৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশ টপকে যায় জিম্বাবুয়ের গড়া রানের পাহাড়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ জিতে যায় সিরিজটাও। কভেন্ট্রির সান্ত্বনা এতটুকু, তামিমের সঙ্গেও তিনিও হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কারের অংশীদার।
আট বছর আগের স্মৃতি আজ মনে করিয়ে দেওয়া হলো তামিমকে। যদিও স্মৃতিচারণায় কোনো আগ্রহ দেখা গেল না বাঁহাতি ওপেনারকে। তামিমের দৃষ্টি বরং সামনে। সামনে দেশের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। বাংলাদেশ ওপেনারের ভাবনাজুড়ে যে টেস্ট থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

তামিম যেদিন ‘চূড়া’য় উঠেছিলেন

আপডেট টাইম : ০৮:০৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ অগাস্ট ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পাঁচ ম্যাচের সিরিজটা নিজেদের করে নিতে হলে ২০০৯ সালের ১৬ আগস্ট বুলাওয়েতে বাংলাদেশকে ম্যাচটা জিততেই হতো। কিন্তু হিসাবটা কঠিন করে দিলেন চার্লস কভেন্ট্রি। টপঅর্ডার এই ব্যাটসম্যানের ১৫৬ বলে ১৯৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে সওয়ার করে বাংলাদেশকে ৩১৩ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দিল জিম্বাবুয়ে।

৩০০-এর বেশি রান তাড়া করে জেতার অভিজ্ঞতা তখনো বাংলাদেশের হয়নি। ‘অভিজ্ঞতা হয়নি, হবে’—এ ভাবনাতেই কি সেদিন ব্যাটিং শুরু করেছিলেন তামিম ইকবাল? শুরুটা যদিও তিনি করেছিলেন ধীরলয়েই। প্রথম বাউন্ডারি পেতে লাগে ১৫ বল। প্রথম ১৪ বলে তাঁর রান ছিল ৬। ৬০ বলে ফিফটির পর ১০৫ বলে সেঞ্চুরি। ৯৯ থেকে ১০০ রানে যেতে সাত বল খেলতে হলেও সেঞ্চুরি পাওয়ার পরের ওভারেই মাসাকাদজার মাথার ওপর দিয়ে দুই ছক্কা মেরে তামিম জানিয়ে দেন কিসের জন্য অপেক্ষা করেছেন তিনি।
সেঞ্চুরির পর ওয়ানডেতে বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ১৫০ ছুঁতে তামিমের লাগে ৩০ বল। রেমন্ড প্রাইসকে ডাউন দ্য উইকেটে মারতে গিয়ে যখন আউট হলেন, নামের পাশে ১৫৪ রান (১৩৮ বলে), যেটি বাংলাদেশের পক্ষে ওয়ানডেতে আজও সর্বোচ্চ ইনিংস। ঝলমলে ইনিংসটা তিনি সাজান ৭ চার আর ৬ ছয়ে।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে তামিমের সেটি ছিল দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। পরে করেছেন আরও সাতটি। কিন্তু আন্তর্জাতিক অভিষেকের দুই বছরে এমন এক রেকর্ড গড়েছেন, যেটি পরের আট বছরেও ভাঙতে পারেননি। ভাঙতে পারেননি বাংলাদেশের আর কোনো ব্যাটসম্যান। এখনো ওয়ানডেতে সর্বোচ্চ চূড়া হয়ে আছে বাংলাদেশের রেকর্ডের পাতায়।
তামিমের ঝকঝকে সেই ইনিংসের সৌজন্যে ম্লান হয়ে যায় কভেন্ট্রির ১৯৪ রান! ১৩ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে বাংলাদেশ টপকে যায় জিম্বাবুয়ের গড়া রানের পাহাড়। এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ জিতে যায় সিরিজটাও। কভেন্ট্রির সান্ত্বনা এতটুকু, তামিমের সঙ্গেও তিনিও হন ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কারের অংশীদার।
আট বছর আগের স্মৃতি আজ মনে করিয়ে দেওয়া হলো তামিমকে। যদিও স্মৃতিচারণায় কোনো আগ্রহ দেখা গেল না বাঁহাতি ওপেনারকে। তামিমের দৃষ্টি বরং সামনে। সামনে দেশের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। বাংলাদেশ ওপেনারের ভাবনাজুড়ে যে টেস্ট থাকবে, সেটাই স্বাভাবিক।