ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ মুহূর্তের সাড়ায় পূর্ণ হজের কোটা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ০ বার

শুরুতে ছিল অনিশ্চয়তা। নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের হজ কোটা পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ও ছিল। তবে নিবন্ধনের শেষ পর্যায়ে এসে পাল্টে গেছে চিত্র। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পূরণ হয়েছে সৌদি আরবের দেওয়া বাংলাদেশের হজ কোটা। এরপরও ভাউচার তৈরি করে টাকা জমা দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন আরও অন্তত ১৬ হাজার ৭০০ হজযাত্রী। তাদের সুযোগ দিতে নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠানোর অনুমোদন চাইবে বাংলাদেশ। বিমান ভাড়া কমানো, প্যাকেজ ব্যয় কিছুটা কমানো এবং প্যাকেজে খাবার যুক্ত করাসহ চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টিও এবার শেষ মুহূর্তে নিবন্ধনে সাড়া বাড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৫০০— সব মিলিয়ে আগামী বছরের জন্য বাংলাদেশের নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০। এর বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠাতে সৌদি সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবে বাংলাদেশ।

গতকাল সন্ধ্যায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ আমাদের সময়কে বলেন, নির্ধারিত কোটা পূরণ হয়েছে। এর বেশি হজযাত্রীর বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে লিখিতভাবে জানানো হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠানো সম্ভব হবে।

সচিব জানান, বাংলাদেশের কোটা ছিল এক লাখ ২৫ হাজার। তবে বিগত কয়েক বছর এই কোটা পূরণ না হওয়া এবং বিগত বছরের যাওয়া যাত্রীর সমসংখ্যককে পরের বছরের কোটা ধরে নেওয়া হয়। তবুও বাংলাদেশ এ বছর সৌদি আরর সরকারের কাছে ১৬ হাজার ৭০০ জনের হজে যেতে অনুমোদন চাইবে।

হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ উদ্দিন মজুমদার বলেন, ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও ১০ থেকে ১৫ হাজারের মতো হজযাত্রী অপেক্ষমাণ থাকতে পারেন। তাদের জন্য অতিরিক্ত কোটা পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বেসিক কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮। গত কয়েক বছর নির্ধারিত কোটা পূর্ণ না হওয়ায় সৌদি আরব ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে ভিত্তি ধরে কোটা নির্ধারণ করেছে।

কমেছে বিমান ভাড়া : হজযাত্রীদের আগ্রহ বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বিমান ভাড়া কমানোর বিষয়টিও সামনে এসেছে। ২০২৬ সালে একজন হজযাত্রীর বিমান ভাড়া ছিল এক লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা। এবার তা কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ জনপ্রতি বিমান ভাড়া কমেছে ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা।

আগামী বছরের হজে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি প্যাকেজ-১ এর খরচ ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এর খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ প্যাকেজ-১ এর খরচ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ-২ এর খরচ ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮০ টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজ-৩ এর খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।

নভেম্বরে হজ চুক্তি : আগামী বছরের হজের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় হজ চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ৮ নভেম্বর। সৌদি আরবের ২০২৭ সালের হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী এ সময়ের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা।

এর আগে সৌদি পর্বে হজযাত্রীদের বিভিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে মক্কা-মদিনার আবাসন, তাঁবু, খাবার ও পরিবহনসহ অন্যান্য কার্যক্রমের চুক্তি শুরু হয়েছে। মাশার নুসুক প্ল্যাটফর্মে এসব সেবার চুক্তি চলবে আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে হজযাত্রীদের তথ্যও এই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হবে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হওয়ার কথা। বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহনের ফ্লাইট শুরু হবে ৮ এপ্রিল। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তুতিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ : আগামী হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে এ পর্যন্ত আট দফায় মোট ৭১২টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। সর্বশেষ ২১ সেপ্টেম্বর অষ্টম পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে যোগ্য ১০টি হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে সাত দফায় ৭০২টি এজেন্সিকে অনুমতি দেওয়া হয়।

হজযাত্রী পরিবহনের জন্য তিনটি এয়ারলাইন্সকে কোটা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৫ শতাংশ হজযাত্রী পরিবহন করবে। সৌদি আরবের পোর্ট কোটা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ হজযাত্রী জেদ্দা এবং ২০ শতাংশ মদিনা বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করবেন।

নিবন্ধন শেষে হজযাত্রীদের চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এরপর সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, মেডিক্যাল চেকআপ, ফিটনেস সনদ, টিকা ও প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হবে। ফলে নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠানোর অনুমোদন পাওয়া যাবে কিনা, এখন সেটিই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় নতুন অপেক্ষা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ মুহূর্তের সাড়ায় পূর্ণ হজের কোটা

আপডেট টাইম : ১২:৩৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শুরুতে ছিল অনিশ্চয়তা। নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৫০০ জনের হজ কোটা পূরণ হবে কি না, তা নিয়ে সংশয়ও ছিল। তবে নিবন্ধনের শেষ পর্যায়ে এসে পাল্টে গেছে চিত্র। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পূরণ হয়েছে সৌদি আরবের দেওয়া বাংলাদেশের হজ কোটা। এরপরও ভাউচার তৈরি করে টাকা জমা দেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন আরও অন্তত ১৬ হাজার ৭০০ হজযাত্রী। তাদের সুযোগ দিতে নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠানোর অনুমোদন চাইবে বাংলাদেশ। বিমান ভাড়া কমানো, প্যাকেজ ব্যয় কিছুটা কমানো এবং প্যাকেজে খাবার যুক্ত করাসহ চলতি বছরের হজ ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টিও এবার শেষ মুহূর্তে নিবন্ধনে সাড়া বাড়িয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬ হাজার এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৭২ হাজার ৫০০— সব মিলিয়ে আগামী বছরের জন্য বাংলাদেশের নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০। এর বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠাতে সৌদি সরকারের অনুমোদন প্রয়োজন। এ বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করবে বাংলাদেশ।

গতকাল সন্ধ্যায় ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ আমাদের সময়কে বলেন, নির্ধারিত কোটা পূরণ হয়েছে। এর বেশি হজযাত্রীর বিষয়ে সৌদি আরবের কাছে লিখিতভাবে জানানো হবে। অনুমোদন পাওয়া গেলে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠানো সম্ভব হবে।

সচিব জানান, বাংলাদেশের কোটা ছিল এক লাখ ২৫ হাজার। তবে বিগত কয়েক বছর এই কোটা পূরণ না হওয়া এবং বিগত বছরের যাওয়া যাত্রীর সমসংখ্যককে পরের বছরের কোটা ধরে নেওয়া হয়। তবুও বাংলাদেশ এ বছর সৌদি আরর সরকারের কাছে ১৬ হাজার ৭০০ জনের হজে যেতে অনুমোদন চাইবে।

হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) মহাসচিব ফরিদ উদ্দিন মজুমদার বলেন, ৭৮ হাজার ৫০০ জনের কোটা পূর্ণ হওয়ার পরও ১০ থেকে ১৫ হাজারের মতো হজযাত্রী অপেক্ষমাণ থাকতে পারেন। তাদের জন্য অতিরিক্ত কোটা পাওয়ার চেষ্টা করা হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের বেসিক কোটা এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮। গত কয়েক বছর নির্ধারিত কোটা পূর্ণ না হওয়ায় সৌদি আরব ৭৮ হাজার ৫০০ জনকে ভিত্তি ধরে কোটা নির্ধারণ করেছে।

কমেছে বিমান ভাড়া : হজযাত্রীদের আগ্রহ বাড়ার অন্যতম কারণ হিসেবে বিমান ভাড়া কমানোর বিষয়টিও সামনে এসেছে। ২০২৬ সালে একজন হজযাত্রীর বিমান ভাড়া ছিল এক লাখ ৫৪ হাজার ৮৩০ টাকা। এবার তা কমিয়ে এক লাখ ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্থাৎ জনপ্রতি বিমান ভাড়া কমেছে ২৪ হাজার ৮৩০ টাকা।

আগামী বছরের হজে সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুটি এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় তিনটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি প্যাকেজ-১ এর খরচ ৬ লাখ ১৫ হাজার ২৬৩ টাকা এবং প্যাকেজ-২ এর খরচ ৫ লাখ ৫ হাজার ৬৪৮ টাকা। বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় বিশেষ প্যাকেজ-১ এর খরচ ৭ লাখ ৯১ হাজার ৬০ টাকা, সাধারণ প্যাকেজ-২ এর খরচ ৫ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮০ টাকা এবং সাশ্রয়ী প্যাকেজ-৩ এর খরচ ৫ লাখ ১৩ হাজার ৫৪৫ টাকা।

নভেম্বরে হজ চুক্তি : আগামী বছরের হজের চূড়ান্ত প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় হজ চুক্তি সই হওয়ার কথা রয়েছে আগামী ৮ নভেম্বর। সৌদি আরবের ২০২৭ সালের হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী এ সময়ের মধ্যেই দুই দেশের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার কথা।

এর আগে সৌদি পর্বে হজযাত্রীদের বিভিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে মক্কা-মদিনার আবাসন, তাঁবু, খাবার ও পরিবহনসহ অন্যান্য কার্যক্রমের চুক্তি শুরু হয়েছে। মাশার নুসুক প্ল্যাটফর্মে এসব সেবার চুক্তি চলবে আগামী বছরের ২৩ জানুয়ারি পর্যন্ত। পর্যায়ক্রমে হজযাত্রীদের তথ্যও এই প্ল্যাটফর্মে আপলোড করা হবে।

রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ২৮ জানুয়ারি থেকে হজ ভিসা ইস্যু শুরু হওয়ার কথা। বাংলাদেশ থেকে হজযাত্রী পরিবহনের ফ্লাইট শুরু হবে ৮ এপ্রিল। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ১৫ মে (৯ জিলহজ ১৪৪৮ হিজরি) পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রস্তুতিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ : আগামী হজ কার্যক্রমে অংশ নিতে এ পর্যন্ত আট দফায় মোট ৭১২টি এজেন্সিকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। সর্বশেষ ২১ সেপ্টেম্বর অষ্টম পর্যায়ে প্রাথমিকভাবে যোগ্য ১০টি হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এর আগে সাত দফায় ৭০২টি এজেন্সিকে অনুমতি দেওয়া হয়।

হজযাত্রী পরিবহনের জন্য তিনটি এয়ারলাইন্সকে কোটা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৫০ শতাংশ, সৌদি অ্যারাবিয়ান এয়ারলাইন্স ৩৫ শতাংশ এবং ফ্লাইনাস এয়ারলাইন্স ১৫ শতাংশ হজযাত্রী পরিবহন করবে। সৌদি আরবের পোর্ট কোটা অনুযায়ী ৮০ শতাংশ হজযাত্রী জেদ্দা এবং ২০ শতাংশ মদিনা বিমানবন্দর দিয়ে যাতায়াত করবেন।

নিবন্ধন শেষে হজযাত্রীদের চূড়ান্ত সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এরপর সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, মেডিক্যাল চেকআপ, ফিটনেস সনদ, টিকা ও প্রশিক্ষণসহ অন্যান্য প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হবে। ফলে নির্ধারিত কোটার বাইরে অতিরিক্ত হজযাত্রী পাঠানোর অনুমোদন পাওয়া যাবে কিনা, এখন সেটিই বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনায় নতুন অপেক্ষা।