ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে: আইনমন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
  • ১৪ বার

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে। ইতিবাচক রাজনীতি, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানের মধ্য দিয়েই নেতৃত্বে আসতে হয়। ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। দলের জন্য কে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন, নেতৃত্ব নির্বাচনে সেটিই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

রবিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাবেক হুইপ ও বিএনপির প্রবীণ নেতা মরহুম মশিউর রহমানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সাবেক হুইপ মশিউর রহমানের মতো নিবেদিতপ্রাণ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভাব আজও অনুভূত হচ্ছে। তিনি ঝিনাইদহে এমন একটি রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করে গেছেন, যার প্রভাব জেলার গণ্ডি পেরিয়ে খুলনা বিভাগেও বিস্তৃত হয়েছিল। জাতীয় পর্যায়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন। ঝিনাইদহের রাজনীতিতে তাঁর অবদান ও নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর অনুপস্থিতিতে গত নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটি আসন পুনরুদ্ধার করতে না পারার বিষয়টি আমাদের জন্য বেদনাদায়ক। তিনি বেঁচে থাকলে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি হয়তো ভিন্ন হতো।

তিনি বলেন, উন্নয়ন, মৌলবাদ মোকাবিলা ও মাদকবিরোধী সংগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মশিউর রহমানের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ; রাজনীতি ছিল তাঁর রক্তে মেশা।

নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক পথচলায় বিভিন্ন বিষয়ে মশিউর রহমানের সঙ্গে তাঁর দ্বিমত ও মতপার্থক্য ছিল। আবার অনেক বিষয়ে একমত হয়েছেন এবং তাঁর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়েছেন। ভালো পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি ভিন্নমত থাকলে তা নিয়েও আলোচনা করেছেন। রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতা থাকা প্রয়োজন।

বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঝিনাইদহের তিনটি আসন পুনরুদ্ধার করতে না পারার দায় কোনো একক ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এটি সম্মিলিত সিদ্ধান্তহীনতা ও ভুল সিদ্ধান্তের ফল। এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলের নেতাকর্মীদের রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির আদর্শের ভিত্তি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও নেতৃত্ব। বিএনপির  আদর্শ ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মশিউর রহমান ছিলেন দলের অন্যতম ভ্যানগার্ড। তাঁকে প্রকৃত অর্থে শ্রদ্ধা জানাতে হলে তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলি, দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা এবং দলকে এগিয়ে নেয়ার চেতনাকে ধারণ করতে হবে।

আগামী দিনের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নেতৃত্ব কখনো স্থির বা কারও কাছে চিরস্থায়ীভাবে বন্দি থাকে না। যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানের মধ্য দিয়ে প্রত্যেকেরই নেতৃত্বে আসার সুযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির বর্তমান মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী  ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের চেয়ে দলকে এগিয়ে নেয়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের জন্য অনুসরণীয়।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় রক্তের সম্পর্কের চেয়েও রাজনৈতিক আদর্শের সম্পর্ক গভীর ও শক্তিশালী হয়। দলের আদর্শ, সহযোদ্ধাদের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে। যারা আগামী দিনে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের মশিউর রহমানের মতো নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি দলের ঐক্য, আদর্শ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

ঝিনাইদহের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ঝিনাইদহ সদর হয়ে মাগুরা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঝিনাইদহের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ আরও সহজ ও উন্নত হবে। সরকার এটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর ওয়াই-আকৃতির সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বিষয়ে সমীক্ষা কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহসম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক সহসম্পাদক মনির খানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে: আইনমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ১১:৪৬:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, রাজনীতিতে নেতৃত্বের জায়গা তৈরি করতে হয় কাজের মাধ্যমে। ইতিবাচক রাজনীতি, যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানের মধ্য দিয়েই নেতৃত্বে আসতে হয়। ব্যক্তিগত স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। দলের জন্য কে সবচেয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন, নেতৃত্ব নির্বাচনে সেটিই হওয়া উচিত প্রধান বিবেচ্য বিষয়।

রবিবার ঢাকায় জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে মুক্তিযোদ্ধা মশিউর রহমান ফাউন্ডেশন আয়োজিত সাবেক হুইপ ও বিএনপির প্রবীণ নেতা মরহুম মশিউর রহমানের স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, সাবেক হুইপ মশিউর রহমানের মতো নিবেদিতপ্রাণ ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক নেতৃত্বের অভাব আজও অনুভূত হচ্ছে। তিনি ঝিনাইদহে এমন একটি রাজনৈতিক ভিত্তি তৈরি করে গেছেন, যার প্রভাব জেলার গণ্ডি পেরিয়ে খুলনা বিভাগেও বিস্তৃত হয়েছিল। জাতীয় পর্যায়েও তিনি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ভূমিকা রেখেছেন। ঝিনাইদহের রাজনীতিতে তাঁর অবদান ও নেতৃত্ব ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর অনুপস্থিতিতে গত নির্বাচনে ঝিনাইদহের চারটি আসনের মধ্যে তিনটি আসন পুনরুদ্ধার করতে না পারার বিষয়টি আমাদের জন্য বেদনাদায়ক। তিনি বেঁচে থাকলে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি হয়তো ভিন্ন হতো।

তিনি বলেন, উন্নয়ন, মৌলবাদ মোকাবিলা ও মাদকবিরোধী সংগ্রামসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে মশিউর রহমানের অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। তিনি ছিলেন আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ; রাজনীতি ছিল তাঁর রক্তে মেশা।

নিজের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক পথচলায় বিভিন্ন বিষয়ে মশিউর রহমানের সঙ্গে তাঁর দ্বিমত ও মতপার্থক্য ছিল। আবার অনেক বিষয়ে একমত হয়েছেন এবং তাঁর পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা নিয়েছেন। ভালো পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি ভিন্নমত থাকলে তা নিয়েও আলোচনা করেছেন। রাজনীতিতে মতপার্থক্য থাকতেই পারে, তবে অভিজ্ঞ নেতৃত্বের কাছ থেকে শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতা থাকা প্রয়োজন।

বিএনপির সাংগঠনিক ঐক্যের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ঝিনাইদহের তিনটি আসন পুনরুদ্ধার করতে না পারার দায় কোনো একক ব্যক্তির ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক হবে না। এটি সম্মিলিত সিদ্ধান্তহীনতা ও ভুল সিদ্ধান্তের ফল। এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী দিনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দলের নেতাকর্মীদের রাজপথে অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপির আদর্শের ভিত্তি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন ও নেতৃত্ব। বিএনপির  আদর্শ ও কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে মশিউর রহমান ছিলেন দলের অন্যতম ভ্যানগার্ড। তাঁকে প্রকৃত অর্থে শ্রদ্ধা জানাতে হলে তাঁর রাজনৈতিক নেতৃত্বের গুণাবলি, দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার প্রচেষ্টা এবং দলকে এগিয়ে নেয়ার চেতনাকে ধারণ করতে হবে।

আগামী দিনের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, নেতৃত্ব কখনো স্থির বা কারও কাছে চিরস্থায়ীভাবে বন্দি থাকে না। যোগ্যতা, দক্ষতা ও সাংগঠনিক অবদানের মধ্য দিয়ে প্রত্যেকেরই নেতৃত্বে আসার সুযোগ রয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির বর্তমান মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী  ও স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানের উদাহরণ তুলে ধরে বলেন, তাঁরা ব্যক্তিগতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণের চেয়ে দলকে এগিয়ে নেয়ার কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন। তাঁদের রাজনৈতিক ভূমিকা নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীদের জন্য অনুসরণীয়।

তিনি আরও বলেন, অনেক সময় রক্তের সম্পর্কের চেয়েও রাজনৈতিক আদর্শের সম্পর্ক গভীর ও শক্তিশালী হয়। দলের আদর্শ, সহযোদ্ধাদের প্রতি দায়িত্ববোধ এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েই একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে ওঠে। যারা আগামী দিনে নেতৃত্ব দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের মশিউর রহমানের মতো নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জনের পাশাপাশি দলের ঐক্য, আদর্শ ও মানুষের কল্যাণে নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে।

ঝিনাইদহের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ঝিনাইদহ সদর হয়ে মাগুরা থেকে কুষ্টিয়া পর্যন্ত রেললাইন নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঝিনাইদহের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ আরও সহজ ও উন্নত হবে। সরকার এটিকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করছে। এ ছাড়া দ্বিতীয় যমুনা সেতুর পরিবর্তে পদ্মা ও যমুনা নদীর ওপর ওয়াই-আকৃতির সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় এ বিষয়ে সমীক্ষা কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

স্মরণসভায় সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল আলিম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহসম্পাদক আমিরুজ্জামান খান শিমুল, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কোষাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী হাসান, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সংস্কৃতিবিষয়ক সহসম্পাদক মনির খানসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।