ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে নিষেধাজ্ঞা বাড়ানোর পর নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে চীন। তেহরানের সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলোকে বিচ্ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্র চাপ বাড়ানোর মধ্যেই বেইজিং এই সতর্কবার্তা দিল।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ইরানের সঙ্গে স্বাভাবিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা চালিয়ে যাওয়ার অধিকার তাদের রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও তথাকথিত ‘দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞা’র বিরোধিতা করেছে বেইজিং।
এর আগে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরিধি আরও বাড়ানোর ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। বিশেষ করে ইরানের তেল বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত দেশগুলোকে লক্ষ্য করে চাপ বাড়ানোর হুমকি দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের তেলের অন্যতম প্রধান ক্রেতা চীন। ফলে তেহরানকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার মার্কিন পরিকল্পনায় চীনের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্যিক সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
চীন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে তাদের বৈধ বাণিজ্যিক স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তা মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বেইজিংয়ের এই অবস্থান ওয়াশিংটনের সঙ্গে দেশটির বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে।
ইরানকে একঘরে করতে যুক্তরাষ্ট্রের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো চীনের মতো বড় অর্থনীতির দেশকে তেহরানের সঙ্গে বাণিজ্য কমাতে বাধ্য করা। কারণ ইরানের সঙ্গে চীনের তেলসহ বিভিন্ন খাতে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
এদিকে ইরানের ওপর মার্কিন চাপ বাড়ার পাশাপাশি তেহরানও পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ঘিরে ইরান ও চীনের অবস্থান ওয়াশিংটনের সঙ্গে উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Reporter Name 

























