ঢাকা ০১:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র সেরা ৩০৬ খেলোয়াড় নিয়ে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৪ বার
তৃণমূল থেকে উঠে আসা ৩০৬ উদীয়মান ক্রীড়াবিদকে নিয়ে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র ৪০ দিনব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) আয়োজিত এই ক্যাম্পের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরি করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তরুণ খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
বিকেএসপির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তরুণ ক্রীড়াবিদদের দিকনির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জাতীয় দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। নিজের দীর্ঘ ক্রীড়া জীবনের স্মৃতিচারণা করে আমিনুল হক বিকেএসপিকে দেশের খেলোয়াড়দের আবেগ ও সাফল্যের অন্যতম ভিত্তিভূমি হিসেবে উল্লেখ করেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একাগ্রতা, কঠোর অনুশীলন ও অদম্য স্বপ্ন থাকলে যেকোনো বাধা পেরিয়ে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।
তরুণ ক্রীড়াবিদদের শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দেন, এসব প্রতিভাবান খেলোয়াড় ও তাদের পরিবারের পাশে সরকার অভিভাবকের মতো থাকবে। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ৪০ দিনেই শেষ হয়ে যাবে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এখান থেকে বাছাই করা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আনার কথা বলেন তিনি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের প্রশিক্ষণ, পরিচর্যা ও মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
খেলোয়াড়দের পড়াশোনাও যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিকেএসপির মাধ্যমে উন্নত ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার কথা জানানো হয় অনুষ্ঠানে। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন আমিনুল হক। খেলোয়াড়দের সামাজিক ও পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ক্রীড়া ভাতা চালুর পাশাপাশি বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ দেওয়ার কথা জানান তিনি।
নতুন প্রজন্মের এই ৩০৬ ক্রীড়াবিদকে দেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়ার অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের জাতীয় দলের খেলোয়াড় উঠে আসবে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করে তারা পরিবার ও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে। এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র সেরা ৩০৬ খেলোয়াড় নিয়ে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প

আপডেট টাইম : ১১:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তৃণমূল থেকে উঠে আসা ৩০৬ উদীয়মান ক্রীড়াবিদকে নিয়ে শুরু হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’র ৪০ দিনব্যাপী নিবিড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিকেএসপি) আয়োজিত এই ক্যাম্পের লক্ষ্য আন্তর্জাতিক মানের অ্যাথলেট তৈরি করা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তরুণ খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
বিকেএসপির অডিটোরিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে তরুণ ক্রীড়াবিদদের দিকনির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে জাতীয় দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড়, প্রশিক্ষক ও সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। নিজের দীর্ঘ ক্রীড়া জীবনের স্মৃতিচারণা করে আমিনুল হক বিকেএসপিকে দেশের খেলোয়াড়দের আবেগ ও সাফল্যের অন্যতম ভিত্তিভূমি হিসেবে উল্লেখ করেন। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে উঠে আসা তরুণদের উদ্দেশে তিনি বলেন, একাগ্রতা, কঠোর অনুশীলন ও অদম্য স্বপ্ন থাকলে যেকোনো বাধা পেরিয়ে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব।
তরুণ ক্রীড়াবিদদের শুধু খেলোয়াড় হিসেবে নয়, দেশপ্রেমিক ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবেও নিজেদের গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দেন, এসব প্রতিভাবান খেলোয়াড় ও তাদের পরিবারের পাশে সরকার অভিভাবকের মতো থাকবে। এই প্রশিক্ষণ ক্যাম্প ৪০ দিনেই শেষ হয়ে যাবে না বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। এখান থেকে বাছাই করা প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের বিকেএসপি ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় আনার কথা বলেন তিনি। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের প্রশিক্ষণ, পরিচর্যা ও মনিটরিং অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
খেলোয়াড়দের পড়াশোনাও যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিকেএসপির মাধ্যমে উন্নত ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার কথা জানানো হয় অনুষ্ঠানে। ক্রীড়াকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন আমিনুল হক। খেলোয়াড়দের সামাজিক ও পেশাগত স্বীকৃতি নিশ্চিত করতে ক্রীড়া ভাতা চালুর পাশাপাশি বিশেষ ‘ক্রীড়া কার্ড’ দেওয়ার কথা জানান তিনি।
নতুন প্রজন্মের এই ৩০৬ ক্রীড়াবিদকে দেশের ভবিষ্যৎ ক্রীড়ার অগ্রযাত্রার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তাদের মধ্য থেকেই আগামী দিনের জাতীয় দলের খেলোয়াড় উঠে আসবে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে লাল-সবুজের প্রতিনিধিত্ব করে তারা পরিবার ও দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে। এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।