ঢাকা ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ বন্ধ নয়, নীতিমালার আওতায় আসছে: প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকার পরিশোধিত জ্বালানি তেল কিনছে সরকার মির্জা আব্বাসের সময়োপযোগী সতর্কবার্তা ‘আমলারা সবাই চোর’ কাণ্ডজ্ঞানহীন বক্তব্য কেন শাকিবের দুই স্ত্রী অপু-বুবলীকে নিয়ে যা বললেন নূতন ‘আলহামদুলিল্লাহ’—বার্সায় যোগ দিয়ে শুকরিয়া আদায় হামজার মালয়েশিয়া গেলেন মির্জা আব্বাস একাদশে ভর্তির প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ, জানবেন যেভাবে সৌরবিদ্যুতে ঋণ দিতে ৩ প্রতিষ্ঠানকে দেড় হাজার কোটি টাকা দিচ্ছে সরকার ‘ইনশা আল্লাহ’ বলায় পশ্চিমবঙ্গে আইপিএস কর্মকর্তা বদলি, বিতর্ক সাংবাদিকরা আছেন বলেই গণতন্ত্র আছে: তথ্যমন্ত্রী

ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার

পাকিস্তানে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি দিয়েছেন দেশটির সাত সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

চিঠিতে তারা আরও জানিয়েছেন, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না। সেটি পাকিস্তানের নিজস্ব বিষয় বলেই মনে করেন তারা। তবে কারও আটক অবস্থায় তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, সেটি নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, ‘রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, আটক থাকা যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা মৌলিক মানবিকতার বিষয়।’

ইমরান খানের পক্ষে বিশ্ব ক্রিকেটের সাবেক তারকাদের এটাই সর্বশেষ উদ্যোগ। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, বর্তমানে ইমরানের চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার মান পূরণ করছে না।

ওই চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছিল। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডকে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে তার স্বাস্থ্যের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়নের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল করা সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই চালু রাখা হয়। তৃতীয়ত, চিকিৎসা পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক ইমরানের পক্ষে প্রথম চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খানও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। বর্তমান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও ইমরানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

সর্বশেষ চিঠিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, ইমরানের ছেলে ও বোনেরা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে তার স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ কম থাকা।

ইমরানের বিষয়টি নিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব পাননি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ব্যাটারিচালিত তিন-চাকার যান হঠাৎ বন্ধ নয়, নীতিমালার আওতায় আসছে: প্রতিমন্ত্রী

ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক

আপডেট টাইম : ১১:৩৫:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানের মানবিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের কাছে চিঠি দিয়েছেন দেশটির সাত সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন অ্যালান বোর্ডার, গ্রেগ চ্যাপেল, ইয়ান চ্যাপেল, বেলিন্ডা ক্লার্ক, কিম হিউজ, মার্ক টেলর ও স্টিভ ওয়াহ।

তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, কোনো কূটনীতিক বা রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে নয়, সাবেক অধিনায়ক হিসেবে ইমরান খানের বিষয়ে কথা বলার প্রয়োজন অনুভব করেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছেন।

চিঠিতে তারা আরও জানিয়েছেন, ইমরান খানের বিরুদ্ধে চলমান আইনি বা রাজনৈতিক মামলার বিষয়ে তারা কোনো অবস্থান নিচ্ছেন না। সেটি পাকিস্তানের নিজস্ব বিষয় বলেই মনে করেন তারা। তবে কারও আটক অবস্থায় তার সঙ্গে কেমন আচরণ করা হচ্ছে, সেটি নিয়ে তাদের উদ্বেগ রয়েছে। তাদের মতে, ‘রাজনৈতিক অবস্থান যা-ই হোক, আটক থাকা যেকোনো ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা মৌলিক মানবিকতার বিষয়।’

ইমরান খানের পক্ষে বিশ্ব ক্রিকেটের সাবেক তারকাদের এটাই সর্বশেষ উদ্যোগ। এর আগে গত ২৩ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২২ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফকে চিঠি দিয়ে ইমরানের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তাদের দাবি ছিল, বর্তমানে ইমরানের চিকিৎসা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনার মান পূরণ করছে না।

ওই চিঠিতে তিনটি নির্দিষ্ট দাবি জানানো হয়েছিল। প্রথমত, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত চিকিৎসক বোর্ডকে ইমরানের নিজস্ব চিকিৎসকদের অন্তর্ভুক্ত করে তার স্বাস্থ্যের পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন মূল্যায়নের সুযোগ দিতে হবে। বিশেষ করে তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তি হারানোর যে খবর এসেছে, সেটি গুরুত্ব দিয়ে পরীক্ষা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আদালতের নির্দেশে পুনর্বহাল করা সাপ্তাহিক পারিবারিক সাক্ষাৎ যেন কোনো বাধা বা প্রশাসনিক বিলম্ব ছাড়াই চালু রাখা হয়। তৃতীয়ত, চিকিৎসা পরীক্ষার ফল যা-ই হোক না কেন, চিকিৎসকদের সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ১৪ সাবেক আন্তর্জাতিক অধিনায়ক ইমরানের পক্ষে প্রথম চিঠি দিয়েছিলেন। এরপর পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার জাভেদ মিয়াঁদাদ, ওয়াসিম আকরাম ও মইন খানও বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। বর্তমান অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক প্যাট কামিন্সও ইমরানের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন।

সর্বশেষ চিঠিতে অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়করা উল্লেখ করেছেন, ইমরানের ছেলে ও বোনেরা কয়েক মাস ধরে প্রকাশ্যে তার স্বাস্থ্য ও কারাগারে তার সঙ্গে আচরণ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আসছেন। তাদের অভিযোগের মধ্যে রয়েছে সীমিত চিকিৎসাসেবা, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগে বাধা এবং আইনজীবীদের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ কম থাকা।

ইমরানের বিষয়টি নিয়ে গত মাসে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওংয়ের সঙ্গে সাক্ষাতেরও অনুরোধ করেছিলেন গ্রেগ চ্যাপেল। তবে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো জবাব পাননি।