ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ফয়েজ উদ্দিন মানিক গোপদিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনয়নে যোগ্য দাবিদার আমিই বিশ্বের সেরা ফুটবলার—এমবাপ্পে ওয়াটার এটিএমের নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণে জোর দিলেন এলজিআরডি মন্ত্রী টাকা ছাপতে এক বছরে দ্বিগুণ অর্থ খরচ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে সব ধরনের সহযোগিতা দেবে বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর প্রধান সড়কে অননুমোদিত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা বন্ধ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন পূজা চেরী, পাত্র কে ১৫ সেপ্টেম্বর সিলেট যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি দেশে মোবাইল সংযোগ ১৯ কোটি ১০ লাখ: আইসিটি মন্ত্রী গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

ফয়েজ উদ্দিন মানিক গোপদিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনয়নে যোগ্য দাবিদার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২৪ বার

Oplus_16908288

রফিকুল ইসলামঃ কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত মিঠামইন উপজেলার ১নং গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এখন একটিই দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে—আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিককে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফয়েজ উদ্দিন মানিক প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট। সেই নির্বাচনে দলীয় ও সামাজিক নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের এক অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছিলেন।

ঐতিহ্যবাহী ১নং গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকের যোগ্য ও বলিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকের নামে স্লোগান উঠছে – “দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা, গোপদিঘী ইউনিয়নবাসীর শেষ কথা।”

তিনি মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মিঠামইন উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য।

এছাড়া তিনি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। বর্তমানে ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উচ্চ শিক্ষিত ও এলএলবি ডিগ্রিধারী।

মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকের উচ্চশিক্ষা এবং মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠ দায়িত্বশীলতা মূলত তার রাজনৈতিক যোগ্যতার সবচেয়ে মজবুত স্তম্ভ। একটি পিছিয়ে পড়া হাওর অঞ্চলের ইউনিয়নকে নেতৃত্ব দিতে গেলে যেমন প্রয়োজন মেধা ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, তেমনই প্রয়োজন মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক দক্ষতা। ফয়েজ উদ্দিন মানিকের ক্ষেত্রে এই দুটি গুণেরই এক অসাধারণ সমন্বয় ঘটেছে।

মিঠামইনের মতো দুর্গম হাওর অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতি করা ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এমন একটি প্রতিকূল পরিবেশে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে পালন করা তার অসামান্য নেতৃত্বের প্রমাণই বহন করে।

তিনি দুদিনের কোনো উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতা নন। দলের কঠিন সময়ে, যখন একের পর এক মামলা-হামলায় নেতাকর্মীরা বিপর্যস্ত ছিল, তখন তিনি মাঠ ছাড়েননি। দীর্ঘদিনের এই একনিষ্ঠতা ও দলের প্রতি অনুগত থাকা তাকে তৃণমূলের কাছে একজন “পরীক্ষিত নেতা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি পুরো উপজেলার, বিশেষ করে গোপদিঘী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের এক সুতোয় বেঁধে রেখেছেন। তার বলিষ্ঠ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণেই স্থানীয় বিএনপি আজ যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ।

তিনি ক্ষমতার লোভে বা ব্যক্তিগত স্বার্থে কখনো আদর্শের সাথে আপস করেননি। দলের জন্য তার এই ত্যাগ ও অবদানকে মিঠামইন উপজেলা এবং গোপদিঘী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধার চোখে দেখে।

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফয়েজ উদ্দিন মানিকের এই দুটি যোগ্যতা তাকে অন্য যেকোনো প্রার্থীর চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে রাখছে। বিএনপির হাইকমান্ড যখন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করবে, তখন তার উচ্চশিক্ষা (যা সুশাসনের গ্যারান্টি) এবং দীর্ঘদিনের দলীয় অবদান ও পদবী (যা মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তার প্রমাণ) বিবেচনা করে তাকে মনোনয়ন দেওয়াটাই হবে সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।

মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিক নির্বাচিত হলে গোপদিঘী ইউনিয়নবাসী একজন শিক্ষিত, ভদ্র ও দক্ষ অভিভাবক পাবেন।

হাওরাঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, গ্রামীণ অর্থনীতি এবং জটিল সামাজিক সমীকরণে গোপদিঘী ইউনিয়নের রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ উত্তপ্ত। ভোটারদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে নানা প্রার্থীর নাম।

তবে মাঠপর্যায়ের জনমত, দলের প্রতি অবদান, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাপকাঠিতে ফয়েজ উদ্দিন মানিক নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছে তিনি এখন আস্থার এক প্রতীক।

গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফয়েজ উদ্দিন মানিকের প্রার্থীতার যৌক্তিকতা, দলের প্রতি তার অবদান, জনকল্যাণমুখী ভাবমূর্তি এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে তার রূপরেখা বাস্তবমুখী ও সুদূরপ্রসারী।

ফয়েজ উদ্দিন মানিক কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের অলুয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো. মাহতাব উদ্দিন। তার পরিবার সুদীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় সমাজব্যবস্থা ও জনকল্যাণমূলক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পারিবারিক সূত্রেই তিনি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর দীক্ষা পেয়েছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই ফয়েজ উদ্দিন মানিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীকালে বিএনপির মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনি দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিগত ১৭ বছর রাজনীতির মারপ্যাঁচে অনেক নেতা যখন গা-ঢাকা দিয়েছেন বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, ফয়েজ উদ্দিন মানিক তখন মাঠ ছাড়েননি।

দলের চরম সংকটকালীন মুহূর্তে তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সমর্থ হয়েছেন। তার এই আপসহীন মনোভাব ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ তাকে গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতায় পরিণত করেছে।

একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার প্রধান শর্ত হলো দলের প্রতি অনুগত থাকা এবং তৃণমূল কর্মীদের সমর্থন লাভ করা। এই দুই জায়গাতেই ফয়েজ উদ্দিন মানিক বেশ এগিয়ে আছেন। তিনি গোপদিঘী ইউনিয়নের তৃণমূল বিএনপির কর্মীদের কাছে এক বিশ্বস্ত অভিভাবক।

ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। কর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখা, দলীয় সভার আয়োজন করা এবং দলের হাইকমান্ডের বার্তা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়। ফলে, স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন (যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল) আজ তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

বর্তমান সময়ে তরুণ ভোটারের সংখ্যা যেকোনো নির্বাচনের জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে। গোপদিঘী ইউনিয়নের যুবসমাজ ফয়েজ উদ্দিন মানিকের মাঝে এক আধুনিক ও প্রগতিশীল নেতার ছবি দেখতে পায়।

ফয়েজ উদ্দিন মানিক শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি গোপদিঘী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। তিনি নির্বাচিত হলে যে সমস্ত ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে চান –

১. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ২. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, ৩. মৎস্য ও কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, ৪. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির হাইকমান্ড এমন একজন প্রার্থীকে বেছে নিতে চাইবে, যার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে এবং যিনি নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন। ফয়েজ উদ্দিন মানিকের প্রার্থীতার পক্ষে প্রধান যুক্তিগুলো হলো: ১. জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততা। ২. স্বচ্ছ ভাবমূর্তি। ৩. দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্য।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় রাজনীতির জন্য একটি বড় পরীক্ষা। এই ইউনিয়নে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে হলে মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকের মতো একজন ত্যাগী, জনবান্ধব এবং দূরদর্শী নেতার বিকল্প নেই। তিনি শুধু দলের কর্মী-সমর্থকদের কাছেই প্রিয় নন, বরং তার অসাম্প্রদায়িক ও উদার মনোভাবের কারণে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক।

গোপদিঘী ইউনিয়নের আপামর জনতা আজ পরিবর্তন চায়—এমন এক পরিবর্তন যা তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং হাওরের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে। আর সেই পরিবর্তনের কাণ্ডারি হিসেবে মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়নের জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও অবিকল্প প্রার্থী।

দলের হাইকমান্ড তাকে মূল্যায়ন করলে এবং ধানের শীষ প্রতীক তার হাতে তুলে দিলে, গোপদিঘী ইউনিয়নে বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয় সুনিশ্চিত হবে—এটাই স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সর্বস্তরের জনগণের প্রত্যাশা।

লেখক: সহযোগী সম্পাদক, আজকের সূর্যোদয়, ঢাকা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ফয়েজ উদ্দিন মানিক গোপদিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনয়নে যোগ্য দাবিদার

ফয়েজ উদ্দিন মানিক গোপদিঘী ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিএনপি মনোনয়নে যোগ্য দাবিদার

আপডেট টাইম : ০১:০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

রফিকুল ইসলামঃ কিশোরগঞ্জের হাওর অধ্যুষিত মিঠামইন উপজেলার ১নং গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন হাওয়া বইতে শুরু করেছে। এই ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এখন একটিই দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে—আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা তরুণ ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিককে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে দেখতে চান।

২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফয়েজ উদ্দিন মানিক প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছিলেন, যা স্থানীয় রাজনীতিতে একটি বড় টার্নিং পয়েন্ট। সেই নির্বাচনে দলীয় ও সামাজিক নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি সাধারণ মানুষের এক অভূতপূর্ব সাড়া পেয়েছিলেন।

ঐতিহ্যবাহী ১নং গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকের যোগ্য ও বলিষ্ঠ প্রার্থী হিসেবে মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকের নামে স্লোগান উঠছে – “দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতা, গোপদিঘী ইউনিয়নবাসীর শেষ কথা।”

তিনি মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, মিঠামইন উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির সদস্য।

এছাড়া তিনি বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব। বর্তমানে ধলাই-বগাদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি উচ্চ শিক্ষিত ও এলএলবি ডিগ্রিধারী।

মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকের উচ্চশিক্ষা এবং মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠ দায়িত্বশীলতা মূলত তার রাজনৈতিক যোগ্যতার সবচেয়ে মজবুত স্তম্ভ। একটি পিছিয়ে পড়া হাওর অঞ্চলের ইউনিয়নকে নেতৃত্ব দিতে গেলে যেমন প্রয়োজন মেধা ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি, তেমনই প্রয়োজন মাঠপর্যায়ের রাজনৈতিক দক্ষতা। ফয়েজ উদ্দিন মানিকের ক্ষেত্রে এই দুটি গুণেরই এক অসাধারণ সমন্বয় ঘটেছে।

মিঠামইনের মতো দুর্গম হাওর অঞ্চলে বিএনপির রাজনীতি করা ছিল অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। এমন একটি প্রতিকূল পরিবেশে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদের মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক দায়িত্ব দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে পালন করা তার অসামান্য নেতৃত্বের প্রমাণই বহন করে।

তিনি দুদিনের কোনো উড়ে এসে জুড়ে বসা নেতা নন। দলের কঠিন সময়ে, যখন একের পর এক মামলা-হামলায় নেতাকর্মীরা বিপর্যস্ত ছিল, তখন তিনি মাঠ ছাড়েননি। দীর্ঘদিনের এই একনিষ্ঠতা ও দলের প্রতি অনুগত থাকা তাকে তৃণমূলের কাছে একজন “পরীক্ষিত নেতা” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তিনি পুরো উপজেলার, বিশেষ করে গোপদিঘী ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের এক সুতোয় বেঁধে রেখেছেন। তার বলিষ্ঠ সাংগঠনিক দক্ষতার কারণেই স্থানীয় বিএনপি আজ যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ।

তিনি ক্ষমতার লোভে বা ব্যক্তিগত স্বার্থে কখনো আদর্শের সাথে আপস করেননি। দলের জন্য তার এই ত্যাগ ও অবদানকে মিঠামইন উপজেলা এবং গোপদিঘী ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষ শ্রদ্ধার চোখে দেখে।

আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফয়েজ উদ্দিন মানিকের এই দুটি যোগ্যতা তাকে অন্য যেকোনো প্রার্থীর চেয়ে বহুগুণ এগিয়ে রাখছে। বিএনপির হাইকমান্ড যখন যোগ্য প্রার্থী বাছাই করবে, তখন তার উচ্চশিক্ষা (যা সুশাসনের গ্যারান্টি) এবং দীর্ঘদিনের দলীয় অবদান ও পদবী (যা মাঠপর্যায়ের জনপ্রিয়তার প্রমাণ) বিবেচনা করে তাকে মনোনয়ন দেওয়াটাই হবে সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।

মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিক নির্বাচিত হলে গোপদিঘী ইউনিয়নবাসী একজন শিক্ষিত, ভদ্র ও দক্ষ অভিভাবক পাবেন।

হাওরাঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি, গ্রামীণ অর্থনীতি এবং জটিল সামাজিক সমীকরণে গোপদিঘী ইউনিয়নের রাজনৈতিক গুরুত্ব অপরিসীম। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতির মাঠ এখন বেশ উত্তপ্ত। ভোটারদের মুখে মুখে ঘুরে বেড়াচ্ছে নানা প্রার্থীর নাম।

তবে মাঠপর্যায়ের জনমত, দলের প্রতি অবদান, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাপকাঠিতে ফয়েজ উদ্দিন মানিক নিজেকে অন্য এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছে তিনি এখন আস্থার এক প্রতীক।

গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ফয়েজ উদ্দিন মানিকের প্রার্থীতার যৌক্তিকতা, দলের প্রতি তার অবদান, জনকল্যাণমুখী ভাবমূর্তি এবং ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়নে তার রূপরেখা বাস্তবমুখী ও সুদূরপ্রসারী।

ফয়েজ উদ্দিন মানিক কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়নের অলুয়া গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো. মাহতাব উদ্দিন। তার পরিবার সুদীর্ঘকাল ধরে স্থানীয় সমাজব্যবস্থা ও জনকল্যাণমূলক কাজের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। পারিবারিক সূত্রেই তিনি মানুষের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়ানোর দীক্ষা পেয়েছেন।

ছাত্রজীবন থেকেই ফয়েজ উদ্দিন মানিক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীকালে বিএনপির মূলধারার রাজনীতিতে প্রবেশ করে তিনি দলের প্রতিটি কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিগত ১৭ বছর রাজনীতির মারপ্যাঁচে অনেক নেতা যখন গা-ঢাকা দিয়েছেন বা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন, ফয়েজ উদ্দিন মানিক তখন মাঠ ছাড়েননি।

দলের চরম সংকটকালীন মুহূর্তে তিনি স্থানীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে সমর্থ হয়েছেন। তার এই আপসহীন মনোভাব ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ তাকে গোপদিঘী ইউনিয়ন বিএনপির অন্যতম শীর্ষ নেতায় পরিণত করেছে।

একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হওয়ার প্রধান শর্ত হলো দলের প্রতি অনুগত থাকা এবং তৃণমূল কর্মীদের সমর্থন লাভ করা। এই দুই জায়গাতেই ফয়েজ উদ্দিন মানিক বেশ এগিয়ে আছেন। তিনি গোপদিঘী ইউনিয়নের তৃণমূল বিএনপির কর্মীদের কাছে এক বিশ্বস্ত অভিভাবক।

ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডে বিএনপির সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করতে তিনি দিনরাত পরিশ্রম করেছেন। কর্মীদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখা, দলীয় সভার আয়োজন করা এবং দলের হাইকমান্ডের বার্তা মাঠপর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা প্রশংসনীয়। ফলে, স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠন (যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল) আজ তার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।

বর্তমান সময়ে তরুণ ভোটারের সংখ্যা যেকোনো নির্বাচনের জয়-পরাজয় নির্ধারণে বড় ভূমিকা পালন করে। গোপদিঘী ইউনিয়নের যুবসমাজ ফয়েজ উদ্দিন মানিকের মাঝে এক আধুনিক ও প্রগতিশীল নেতার ছবি দেখতে পায়।

ফয়েজ উদ্দিন মানিক শুধু একজন রাজনৈতিক নেতাই নন, তিনি গোপদিঘী ইউনিয়নকে একটি আধুনিক, ডিজিটাল ও আদর্শ ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। তিনি নির্বাচিত হলে যে সমস্ত ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তন আনতে চান –

১. অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, ২. শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, ৩. মৎস্য ও কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, ৪. ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন পরিষদ গঠন।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপির হাইকমান্ড এমন একজন প্রার্থীকে বেছে নিতে চাইবে, যার পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি রয়েছে এবং যিনি নিশ্চিত বিজয় ছিনিয়ে আনতে পারবেন। ফয়েজ উদ্দিন মানিকের প্রার্থীতার পক্ষে প্রধান যুক্তিগুলো হলো: ১. জনপ্রিয়তা ও জনসম্পৃক্ততা। ২. স্বচ্ছ ভাবমূর্তি। ৩. দলের প্রতি শতভাগ আনুগত্য।

কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার গোপদিঘী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন স্থানীয় রাজনীতির জন্য একটি বড় পরীক্ষা। এই ইউনিয়নে বিএনপির বিজয় নিশ্চিত করতে হলে মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকের মতো একজন ত্যাগী, জনবান্ধব এবং দূরদর্শী নেতার বিকল্প নেই। তিনি শুধু দলের কর্মী-সমর্থকদের কাছেই প্রিয় নন, বরং তার অসাম্প্রদায়িক ও উদার মনোভাবের কারণে দলমত নির্বিশেষে সাধারণ ভোটারদের মাঝেও গ্রহণযোগ্যতা ব্যাপক।

গোপদিঘী ইউনিয়নের আপামর জনতা আজ পরিবর্তন চায়—এমন এক পরিবর্তন যা তাদের অধিকার ফিরিয়ে দেবে, সুশাসন প্রতিষ্ঠা করবে এবং হাওরের মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে। আর সেই পরিবর্তনের কাণ্ডারি হিসেবে মো. ফয়েজ উদ্দিন মানিকই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়নের জন্য সবচেয়ে যোগ্য ও অবিকল্প প্রার্থী।

দলের হাইকমান্ড তাকে মূল্যায়ন করলে এবং ধানের শীষ প্রতীক তার হাতে তুলে দিলে, গোপদিঘী ইউনিয়নে বিএনপির ঐতিহাসিক বিজয় সুনিশ্চিত হবে—এটাই স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সর্বস্তরের জনগণের প্রত্যাশা।

লেখক: সহযোগী সম্পাদক, আজকের সূর্যোদয়, ঢাকা