ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
নারীবান্ধব বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে গুরুত্ব জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সভায় জুবাইদা রহমান ১৭২ বিলিয়ন ডলারের সবুজ বিনিয়োগ : বাংলাদেশের বড় সুযোগ কফি শুধু ঘুম তাড়ায়? দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্য নিয়ে যা বলছে গবেষণা কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ইতালির স্কুলে বোরকা-নিকাব নিষিদ্ধ, বিদেশি শিক্ষার্থীতে লাগাম ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসীরুদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত সৌরবিদ্যুৎ ও ব্যাটারি স্টোরেজে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান সব হাট-বাজারে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সময়সীমা বেঁধে দিলো সরকার এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ হতে পারে নভেম্বরের মাঝামাঝি এমবাপ্পে নাকি ইয়ামাল, ব্যালন ডি’অর নিয়ে স্যামুয়েল ইতোর বাজি

লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য সাতলা বিল, মুগ্ধ পর্যটকেরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার
ভোরের আলো ছড়াতে শুরু করেছে। টলটলে পানিতে ভেসে থাকা অসংখ্য লাল শাপলা উঁকি দিচ্ছে সূর্যের দিকে। তার ফাঁক দিয়ে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট পর্যটকবাহী নৌকা। পাখির কিচিরমিচির, কোথাও মাছের খোঁজে পানকৌড়ির ডুব, আবার কোথাও মাছরাঙার সতর্ক দৃষ্টি। লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলার বিলের এমন দৃশ্য মুগ্ধ করছে পর্যটকদের।
সাতলা বিলের প্রকৃত আয়তন প্রায় ২০০ একর। সারা বছরই সাতলার বিলে পানি থাকে। তবে, বর্ষায় যেন তার প্রাণ ফিরে আসে। শরতে সেই প্রাণের সৌন্দর্য বিকশিত হয় লাল শাপলার সাম্রাজ্যে। ছোট ছোট নৌকায় পর্যটকেরা ঘুরে ঘুরে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন এই সৌন্দর্য।
বরিশাল শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের উত্তর সাতলা গ্রামজুড়ে বর্ষা মৌসুমে জেগে ওঠে এই শাপলার রাজ্য। জুলাই থেকে শাপলা ফুটতে শুরু করে এবং সাধারণত নভেম্বর পর্যন্ত বিলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি রঙিন করে রাখে লাল শাপলা।
স্থানীয়দের কাছে এটি সাতলা বিল নামে পরিচিত হলেও লাল শাপলার আধিক্যের কারণে দেশের মানুষের কাছে ‘সাতলার লাল শাপলার বিল’ নামেই বেশি পরিচিত। প্রতিবছর শাপলা ফোটার মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসেন এই বিলে।
স্থানীয়রা জানান, যুগ যুগ ধরে তারা এই বিলে শাপলা ফুটতে দেখে আসছেন। লাল শাপলার পাশাপাশি সাদা ও বেগুনি শাপলারও দেখা মেলে। তবে, লাল শাপলার সংখ্যাই বেশি। বিলের মাঝখানে থাকা বাড়িঘরের মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নৌকা। পর্যটকরাও ছোট নৌকায় চড়ে বিলের ভেতর ঘুরে দেখতে পারেন। ফুলের ফাঁকে ফাঁকে নৌকা চলার দৃশ্য পুরো পরিবেশকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা শিউলি আক্তার বলেন, ‘সাতলার শাপলা বিলের সৌন্দর্য সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। প্রকৃতির নিজস্ব সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখে পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে এটি দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় গ্রামীণ পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া থেকে ঘুরতে আসা মিশু বলেন, ‘আমি প্রতিবছর এই শাপলার বিলে আসি। খুব সকালে এলে শাপলার সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালোভাবে উপভোগ করা যায়। চারপাশে লাল শাপলা ও নৌকায় ভেসে থাকার অনুভূতি অন্যরকম। এখানে এলে মনে হয় প্রকৃতির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি।’
শুধু শাপলা নয়, সাতলা বিলের জীববৈচিত্র্যও পর্যটকদের টানে। সাদা বক, পানকৌড়ি, মাছরাঙা, ফিঙে, শালিক, দোয়েল, চড়ুই ও কাঠঠোকরাসহ বিভিন্ন দেশীয় পাখির বিচরণ দেখা যায় বিল ও এর আশপাশে। ফলে, প্রকৃতি ও পাখিপ্রেমীদের কাছেও জায়গাটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য।
দীর্ঘদিন ধরে সাতলার শাপলা বিল পর্যটকদের আকৃষ্ট করলেও পর্যাপ্ত পর্যটন অবকাঠামো না থাকায় নানা ধরনের অসুবিধায় পড়তে হতো দর্শনার্থীদের। এবার সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বিলটিকে আরও আধুনিক, আকর্ষণীয় ও পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শাপলা বিলের প্রবেশমুখে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন গেট। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক ভিউ পয়েন্ট, ঘাটলাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ। এসব স্থাপনা নির্মাণের ফলে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বিলের সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা বলেন, ‘সাতলার শাপলা বিল উজিরপুরের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনার জায়গা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রবেশদ্বার, ভিউ পয়েন্ট ও ঘাটলাসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের মাধ্যমে স্থানটিকে আরও আকর্ষণীয় ও পর্যটকবান্ধব করে তোলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাতলার শাপলা বিলের সৌন্দর্য দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটন সুবিধা বাড়ানো গেলে এটি শুধু উজিরপুর নয়, বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাড়ারও সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
তবে সচেতন মহল মনে করছেন, পর্যটন উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়। অতিরিক্ত স্থাপনা কিংবা পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত কর্মকান্ডে যাতে শাপলা ও জলজ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।
যেভাবে যাবেন
সাতলার শাপলা বিলে যেতে ঢাকা থেকে সড়ক বা নৌপথে বরিশাল আসা যায়। সড়কপথে বরিশাল থেকে উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী বাসস্ট্যান্ডে এসে, সেখান থেকে ইজিবাইক বা মাহিন্দ্রায় উত্তর সাতলার শাপলা বিলে যাওয়া যায়। এছাড়া, ঢাকা থেকে নৌপথে বরিশাল এসে, সেখান থেকেও সড়কপথে উজিরপুরের সাতলায় যাওয়া সম্ভব।
শাপলা গ্রামের আশপাশে স্থানীয় খাবার হোটেল রয়েছে। তবে, রাতযাপনের জন্য পর্যটকদের উজিরপুর সদর কিংবা বরিশাল শহরের আবাসিক হোটেল ব্যবহার করতে হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীবান্ধব বৈশ্বিক নীতি নির্ধারণে গুরুত্ব জাতিসংঘের নারী নেতৃত্ব প্ল্যাটফর্মের বার্ষিক সভায় জুবাইদা রহমান

লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য সাতলা বিল, মুগ্ধ পর্যটকেরা

আপডেট টাইম : ১১:২৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোরের আলো ছড়াতে শুরু করেছে। টলটলে পানিতে ভেসে থাকা অসংখ্য লাল শাপলা উঁকি দিচ্ছে সূর্যের দিকে। তার ফাঁক দিয়ে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে ছোট ছোট পর্যটকবাহী নৌকা। পাখির কিচিরমিচির, কোথাও মাছের খোঁজে পানকৌড়ির ডুব, আবার কোথাও মাছরাঙার সতর্ক দৃষ্টি। লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলার বিলের এমন দৃশ্য মুগ্ধ করছে পর্যটকদের।
সাতলা বিলের প্রকৃত আয়তন প্রায় ২০০ একর। সারা বছরই সাতলার বিলে পানি থাকে। তবে, বর্ষায় যেন তার প্রাণ ফিরে আসে। শরতে সেই প্রাণের সৌন্দর্য বিকশিত হয় লাল শাপলার সাম্রাজ্যে। ছোট ছোট নৌকায় পর্যটকেরা ঘুরে ঘুরে মুগ্ধ হয়ে উপভোগ করেন এই সৌন্দর্য।
বরিশাল শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরের উত্তর সাতলা গ্রামজুড়ে বর্ষা মৌসুমে জেগে ওঠে এই শাপলার রাজ্য। জুলাই থেকে শাপলা ফুটতে শুরু করে এবং সাধারণত নভেম্বর পর্যন্ত বিলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি রঙিন করে রাখে লাল শাপলা।
স্থানীয়দের কাছে এটি সাতলা বিল নামে পরিচিত হলেও লাল শাপলার আধিক্যের কারণে দেশের মানুষের কাছে ‘সাতলার লাল শাপলার বিল’ নামেই বেশি পরিচিত। প্রতিবছর শাপলা ফোটার মৌসুমে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমী ও ভ্রমণপিপাসুরা ছুটে আসেন এই বিলে।
স্থানীয়রা জানান, যুগ যুগ ধরে তারা এই বিলে শাপলা ফুটতে দেখে আসছেন। লাল শাপলার পাশাপাশি সাদা ও বেগুনি শাপলারও দেখা মেলে। তবে, লাল শাপলার সংখ্যাই বেশি। বিলের মাঝখানে থাকা বাড়িঘরের মানুষের চলাচলের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নৌকা। পর্যটকরাও ছোট নৌকায় চড়ে বিলের ভেতর ঘুরে দেখতে পারেন। ফুলের ফাঁকে ফাঁকে নৌকা চলার দৃশ্য পুরো পরিবেশকে করে তোলে আরও আকর্ষণীয়।
ঢাকা থেকে ঘুরতে আসা শিউলি আক্তার বলেন, ‘সাতলার শাপলা বিলের সৌন্দর্য সত্যিই মুগ্ধ করার মতো। প্রকৃতির নিজস্ব সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখে পরিকল্পিত পর্যটন অবকাঠামো গড়ে তোলা গেলে এটি দেশের অন্যতম আকর্ষণীয় গ্রামীণ পর্যটনকেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া থেকে ঘুরতে আসা মিশু বলেন, ‘আমি প্রতিবছর এই শাপলার বিলে আসি। খুব সকালে এলে শাপলার সৌন্দর্য সবচেয়ে ভালোভাবে উপভোগ করা যায়। চারপাশে লাল শাপলা ও নৌকায় ভেসে থাকার অনুভূতি অন্যরকম। এখানে এলে মনে হয় প্রকৃতির খুব কাছাকাছি চলে এসেছি।’
শুধু শাপলা নয়, সাতলা বিলের জীববৈচিত্র্যও পর্যটকদের টানে। সাদা বক, পানকৌড়ি, মাছরাঙা, ফিঙে, শালিক, দোয়েল, চড়ুই ও কাঠঠোকরাসহ বিভিন্ন দেশীয় পাখির বিচরণ দেখা যায় বিল ও এর আশপাশে। ফলে, প্রকৃতি ও পাখিপ্রেমীদের কাছেও জায়গাটি হয়ে উঠেছে আকর্ষণীয় একটি গন্তব্য।
দীর্ঘদিন ধরে সাতলার শাপলা বিল পর্যটকদের আকৃষ্ট করলেও পর্যাপ্ত পর্যটন অবকাঠামো না থাকায় নানা ধরনের অসুবিধায় পড়তে হতো দর্শনার্থীদের। এবার সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে বিলটিকে আরও আধুনিক, আকর্ষণীয় ও পর্যটকবান্ধব করে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শাপলা বিলের প্রবেশমুখে নির্মাণ করা হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন গেট। পাশাপাশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক ভিউ পয়েন্ট, ঘাটলাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোগত উন্নয়নকাজ। এসব স্থাপনা নির্মাণের ফলে পর্যটকরা নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যে বিলের সৌন্দর্য উপভোগের সুযোগ পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
উজিরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আলী সুজা বলেন, ‘সাতলার শাপলা বিল উজিরপুরের অন্যতম বড় প্রাকৃতিক সম্পদ ও পর্যটন সম্ভাবনার জায়গা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য অক্ষুন্ন রেখে পর্যটকদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রবেশদ্বার, ভিউ পয়েন্ট ও ঘাটলাসহ বিভিন্ন উন্নয়নকাজের মাধ্যমে স্থানটিকে আরও আকর্ষণীয় ও পর্যটকবান্ধব করে তোলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সাতলার শাপলা বিলের সৌন্দর্য দেশ-বিদেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটন সুবিধা বাড়ানো গেলে এটি শুধু উজিরপুর নয়, বরিশাল তথা দক্ষিণাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে। এতে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক কর্মকান্ড বাড়ারও সুযোগ সৃষ্টি হবে।’
তবে সচেতন মহল মনে করছেন, পর্যটন উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে বিলের প্রাকৃতিক পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়। অতিরিক্ত স্থাপনা কিংবা পর্যটকদের অনিয়ন্ত্রিত কর্মকান্ডে যাতে শাপলা ও জলজ পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকেও নজর রাখা জরুরি।
যেভাবে যাবেন
সাতলার শাপলা বিলে যেতে ঢাকা থেকে সড়ক বা নৌপথে বরিশাল আসা যায়। সড়কপথে বরিশাল থেকে উজিরপুর উপজেলার ইচলাদী বাসস্ট্যান্ডে এসে, সেখান থেকে ইজিবাইক বা মাহিন্দ্রায় উত্তর সাতলার শাপলা বিলে যাওয়া যায়। এছাড়া, ঢাকা থেকে নৌপথে বরিশাল এসে, সেখান থেকেও সড়কপথে উজিরপুরের সাতলায় যাওয়া সম্ভব।
শাপলা গ্রামের আশপাশে স্থানীয় খাবার হোটেল রয়েছে। তবে, রাতযাপনের জন্য পর্যটকদের উজিরপুর সদর কিংবা বরিশাল শহরের আবাসিক হোটেল ব্যবহার করতে হয়।