ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি সই পোশাক শ্রমিকদের মজুরি বোর্ড গঠনের নীতিগত সিদ্ধান্ত সরকারের ১৭ হাজার মুসল্লির ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ৭৮ দেশের সঙ্গে বৈঠক, হজ ব্যবস্থাপনায় বড় পরিকল্পনা সৌদির বিদ্যুৎ ও জ্বালানিতে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক ঋণ নিচ্ছে সরকার গুগলের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্যে ১.৩৩ বিলিয়ন ডলারের মামলা এমপি নজরুলের জামিন হলে সমাজে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হতে পারে, বললেন বিচারক মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির শ্রমবান্ধব সরকারের অগ্রাধিকার শ্রমিক অধিকার ও ব্যাপক কর্মসংস্থান: মাহ্দী আমিন

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • ৫৫ বার

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় পানির প্রবাহ কিছুটা কমে ৫২ মিটারে নেমে আসে। এর আগে সকাল ৬টায় তা বেড়ে ৫২ দশমিক ১০ মিটারে পৌঁছেছিল। সকাল ৯টা থেকে পানির প্রবাহ কমতে শুরু করে। এ পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ব্যারাজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫১ দশমিক ৯৫ মিটার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজানে ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। ফলে তিস্তার পানিপ্রবাহ বেড়ে রংপুরসহ নদী তীরবর্তী নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি আরও বাড়লে রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার তিস্তাসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি পানিতে ডুবতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে সবার কল্যাণে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা

আপডেট টাইম : ১০:২২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) বিকেল ৩টায় ডালিয়া পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ১৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এতে তিস্তা তীরবর্তী এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বিকেল ৩টায় পানির প্রবাহ কিছুটা কমে ৫২ মিটারে নেমে আসে। এর আগে সকাল ৬টায় তা বেড়ে ৫২ দশমিক ১০ মিটারে পৌঁছেছিল। সকাল ৯টা থেকে পানির প্রবাহ কমতে শুরু করে। এ পয়েন্টে তিস্তা নদীর বিপৎসীমা নির্ধারিত হয়েছে ৫২ দশমিক ১৫ মিটার। গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় ব্যারাজ পয়েন্টে পানির উচ্চতা ছিল ৫১ দশমিক ৯৫ মিটার।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উজানে ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি ঢল নেমে আসছে। ফলে তিস্তার পানিপ্রবাহ বেড়ে রংপুরসহ নদী তীরবর্তী নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চলে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। পানি আরও বাড়লে রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছা উপজেলার তিস্তাসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ফসলি জমি পানিতে ডুবতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, উজানের ঢলে নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও বর্তমানে তা কমতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাটই খোলা রাখা হয়েছে। নদীর পানি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রস্তুত রয়েছে বলেও তিনি জানান।