ঢাকা ১১:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
হাওর মন্ত্রণালয়সহ ৭ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি সাংস্কৃতিক ক্ষয় ও নৈতিক সংকটে হুমকিতে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব প্রাত্যহিক অনাচার থেকে ‘ডিপ স্টেট’ গভীর সংকটের সতর্কবার্তা: ড. দিপু সিদ্দিকী প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী হচ্ছেন বিজন কান্তি সরকার বেড়িবাঁধ সংস্কারের বিল না পেয়ে বিপাকে পিআইসি সদস্যরা মহিষারকান্দি গ্রামের পাকা রাস্তা কবে হবে ? দুর্ভোগে দিন কাটছে বাসিন্দাদের বাগদান সম্পন্ন, বিয়ে হবে দেশের আইন মেনে : লুবাবা ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডের টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না: প্রধানমন্ত্রী আন্দোলনে যাচ্ছে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট হেফাজতের আমির মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সাথে সাক্ষাৎ : ফটিকছড়িতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০০ মার্কিন পাইলটের আবাসন গুঁড়িয়ে দিলো ইরান, বেশ কয়েকটি যুদ্ধবিমান ধ্বংস

ইরানবিরোধী নীলনকশায় ট্রাম্প জড়িত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫১ বার

ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ‘হাজারো’ মানুষের মৃত্যুর জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করলেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই বিক্ষোভে উসকানি দেওয়ায় জড়িত বলে দায় দিয়েছেন। শনিবার তেহরানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। খবর আল জাজিরার।

খামেনি ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে এবারের ষড়যন্ত্র ছিল ভিন্ন। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে ইরানের বিরুদ্ধে এই নীলনকশায় জড়িত ছিলেন।’ তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাই বিক্ষোভে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মুখে এই প্রথমবারের মতো বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ‘হাজারের ঘরে’ বলে উল্লেখ করা হলো। এর আগে সরকারিভাবে নিহতের সংখ্যা শতকের ঘরে বলা হলেও, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ দাবি করেছে, বিক্ষোভে অন্তত তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

খামেনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যুদ্ধের দিকে পা বাড়াবে না ঠিকই, কিন্তু দেশের ভেতরে ও বাইরে যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীরা ২৫০টিরও বেশি মসজিদ ও চিকিৎসাকেন্দ্র পুড়িয়ে দিয়েছে।

ইরান সরকারের ভাষ্যমতে, গত ২৮ ডিসেম্বর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শুরু হলেও পরে তা বিদেশি শক্তির ইশারায় সহিংস রূপ নেয়। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ৩,০০০ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে, টানা আট দিন ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পর শনিবার থেকে দেশটিতে ধাপে ধাপে এসএমএস পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হাওর মন্ত্রণালয়সহ ৭ দফা দাবি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে চিঠি

ইরানবিরোধী নীলনকশায় ট্রাম্প জড়িত

আপডেট টাইম : ১২:০৮:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকারবিরোধী বিক্ষোভে ‘হাজারো’ মানুষের মৃত্যুর জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করলেন দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। তিনি সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে এই বিক্ষোভে উসকানি দেওয়ায় জড়িত বলে দায় দিয়েছেন। শনিবার তেহরানে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ অভিযোগ করেন। খবর আল জাজিরার।

খামেনি ট্রাম্পকে ‘অপরাধী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে এবারের ষড়যন্ত্র ছিল ভিন্ন। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ব্যক্তিগতভাবে ইরানের বিরুদ্ধে এই নীলনকশায় জড়িত ছিলেন।’ তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্টরাই বিক্ষোভে তাণ্ডব চালিয়েছে এবং হাজারো মানুষকে হত্যা করেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার মুখে এই প্রথমবারের মতো বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ‘হাজারের ঘরে’ বলে উল্লেখ করা হলো। এর আগে সরকারিভাবে নিহতের সংখ্যা শতকের ঘরে বলা হলেও, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ দাবি করেছে, বিক্ষোভে অন্তত তিন হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন।

খামেনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরান যুদ্ধের দিকে পা বাড়াবে না ঠিকই, কিন্তু দেশের ভেতরে ও বাইরে যারা এই অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের ছাড় দেওয়া হবে না। তিনি অভিযোগ করেন, বিক্ষোভকারীরা ২৫০টিরও বেশি মসজিদ ও চিকিৎসাকেন্দ্র পুড়িয়ে দিয়েছে।

ইরান সরকারের ভাষ্যমতে, গত ২৮ ডিসেম্বর দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক সংকটের প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শুরু হলেও পরে তা বিদেশি শক্তির ইশারায় সহিংস রূপ নেয়। সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত সহিংসতায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ৩,০০০ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদিকে, টানা আট দিন ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের পর শনিবার থেকে দেশটিতে ধাপে ধাপে এসএমএস পরিষেবা চালু করা হয়েছে।