কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার নিকটবর্তী মহিষারকান্দি গ্রাম—শিক্ষা ও সংস্কৃতিতে এগিয়ে থাকলেও সড়ক যোগাযোগে রয়ে গেছে চরম অবহেলায়। উপজেলা সদরের এত কাছে অবস্থান হওয়া সত্ত্বেও গ্রামটির প্রধান সড়ক এখনো কাঁচা, যা বর্ষা মৌসুমে কাদায় পরিণত হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে খালাখন্দে ভরা এই মাটির রাস্তা সংস্কার বা পাকা করার কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে প্রতিদিনের যাতায়াত, জরুরি সেবা গ্রহণ এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন গ্রামবাসী।
বিশেষ করে রোগী পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি ভয়াবহ। জরুরি মুহূর্তে অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিতে হলে কাদা ও ভাঙা পথই ভরসা হয়ে দাঁড়ায়। এতে অনেক সময় রোগীর অবস্থা আরও অবনতি ঘটে বলে জানান স্থানীয়রা।
এদিকে কৃষকরাও পড়েছেন বিপাকে। উৎপাদিত কৃষিপণ্য সময়মতো বাজারে নিতে না পারায় তারা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এতে গ্রামের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
স্থানীয়দের দাবি, অতীতে ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম অঞ্চলের অনেক দুর্গম গ্রামে সড়ক যোগাযোগের উন্নয়ন হলেও রহস্যজনক কারণে মহিষারকান্দি গ্রামটি উন্নয়ন বঞ্চিত রয়ে গেছে।
গ্রামবাসীর মতে, সড়ক যোগাযোগের অভাবে শুধু অর্থনীতি নয়, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবাও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। একই সঙ্গে সামাজিক ও প্রশাসনিক বিচ্ছিন্নতাও বাড়ছে।
বর্তমান সরকার গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট মহল থেকে জানানো হয়েছে। এতে করে মহিষারকান্দির মানুষ নতুন করে আশার আলো দেখছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রামটির সড়ক পাকা করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
Reporter Name 





















