ঢাকা ১০:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • ৩৫ বার

প্রতিদিনের ঝড়বৃষ্টি, একসঙ্গে ধান পেকে যাওয়া এবং শ্রমিক সংকটের কারণে ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকার বোরো চাষিরা পড়েছেন চরম বিপাকে। তবে কয়েক দিনের মাঝারি বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়ায় যে ধান কাটা হয়েছিল, তা অধিকাংশ পানিতে নষ্ট হয়েছে। কিছু কৃষক তাদের ধান ঘরে তুলেছেন।

প্রায় প্রতিদিন ঝড় বৃষ্টির কারণে সামনে যে ধান আছে তা ঘরে তোলা নিয়ে কৃষক দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তারপরে শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে।

সরকারি ভর্তকি মূল্যে হারভেস্ট মেশিন থাকলেও তা নগণ্য। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে প্রতি বিঘা ধান কাটতে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে তারা। অথচ সরকার এসব গাড়ির জন্য ভর্তকি দিয়ে তাদেরকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫ শত টাকা রেট বেধে দেয়। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে থেকে বেশি আদায় করছেন। এটি বেশি করছেন হরিনাকুন্ডু উপজেলার হারভেস্ট মেশিনের এক মালিক। যার কারণে শ্রমিকের দামও দুইগুণ-তিনগুণ বেড়ে গেছে। যার কারণে ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি বেড়ে বর্তমানে ১০০০ থেকে ১২০০০ টাকায় পৌঁছেছে। অথচ বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০০০ থেকে ১১৫০ টাকায় পর্যন্ত।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯০ হাজার ২৯১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬ মেট্রিক টন চাল। এরই মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কৃষক তাইজেল হোসেন বলেন, ধান পেকে গেছে। কিন্তু বৃষ্টির ভয়ে কাটতে পারছি না। কাটা ধান পানিতে বেশি নষ্ট হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, এবার জেলার সব উপজেলায় বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। তবে ঝড়-বৃষ্টি হলে কৃষকের দুর্ভোগ বেড়েছে এবং আরও বাড়বে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানানো হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

ধান কাটার শ্রমিকের সংকট, চরম বিপাকে কৃষক

আপডেট টাইম : ১০:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

প্রতিদিনের ঝড়বৃষ্টি, একসঙ্গে ধান পেকে যাওয়া এবং শ্রমিক সংকটের কারণে ঝিনাইদহের বিভিন্ন এলাকার বোরো চাষিরা পড়েছেন চরম বিপাকে। তবে কয়েক দিনের মাঝারি বৃষ্টি ও ঝড়ো আবহাওয়ায় যে ধান কাটা হয়েছিল, তা অধিকাংশ পানিতে নষ্ট হয়েছে। কিছু কৃষক তাদের ধান ঘরে তুলেছেন।

প্রায় প্রতিদিন ঝড় বৃষ্টির কারণে সামনে যে ধান আছে তা ঘরে তোলা নিয়ে কৃষক দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। তারপরে শ্রমিক সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে।

সরকারি ভর্তকি মূল্যে হারভেস্ট মেশিন থাকলেও তা নগণ্য। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে প্রতি বিঘা ধান কাটতে সাড়ে ৪ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত নিচ্ছে তারা। অথচ সরকার এসব গাড়ির জন্য ভর্তকি দিয়ে তাদেরকে ২ হাজার থেকে ২ হাজার ৫ শত টাকা রেট বেধে দেয়। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে সরকার নির্ধারিত মূল্যে থেকে বেশি আদায় করছেন। এটি বেশি করছেন হরিনাকুন্ডু উপজেলার হারভেস্ট মেশিনের এক মালিক। যার কারণে শ্রমিকের দামও দুইগুণ-তিনগুণ বেড়ে গেছে। যার কারণে ধান কাটার শ্রমিকের মজুরি বেড়ে বর্তমানে ১০০০ থেকে ১২০০০ টাকায় পৌঁছেছে। অথচ বাজারে প্রতিমণ ধান বিক্রি হচ্ছে মাত্র ১০০০ থেকে ১১৫০ টাকায় পর্যন্ত।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯০ হাজার ২৯১ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৮৬ মেট্রিক টন চাল। এরই মধ্যে প্রায় ২৪ শতাংশ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে।
কালীগঞ্জ উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কৃষক তাইজেল হোসেন বলেন, ধান পেকে গেছে। কিন্তু বৃষ্টির ভয়ে কাটতে পারছি না। কাটা ধান পানিতে বেশি নষ্ট হচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, এবার জেলার সব উপজেলায় বোরো ধানের ভালো ফলন হয়েছে। তবে ঝড়-বৃষ্টি হলে কৃষকের দুর্ভোগ বেড়েছে এবং আরও বাড়বে। এ জন্য মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের নিয়মিত আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানানো হচ্ছে।