বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের পুনর্বাসনে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
সোমবার বিকেলে চট্টগ্রামের পটিয়ায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে থাকার আশ্বাস
পুনর্ব্যক্ত করেন। পরে সরকারি বীজ উৎপাদন খামার এবং উপজেলার খরনা ইউনিয়নের ভাইয়াদিঘী এলাকার একে ইউনাইটেড হ্যাচারি অ্যান্ড ফিশারিজ পরিদর্শন করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পুনর্বাসন এবং উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সরকারি বীজ উৎপাদন খামারের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হলে রেণু উৎপাদন বাড়বে এবং পোনা চাষিরা উপকৃত হবেন।
পরিদর্শনকালে তিনি সরকারি খামারের সার্বিক কার্যক্রমের খোঁজখবর নেন এবং গাছের চারা রোপণ করেন। তিনি চলমান উন্নয়ন ও উৎপাদনমূলক কার্যক্রম যথাযথভাবে ও নিয়ম মেনে সম্পন্ন করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদফতরের পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সালমা বেগম, পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ইলিয়াস ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্বপন চন্দ্র দে।
পরে প্রতিমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্যচাষিদের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের দ্রুত সঠিক তালিকা প্রণয়নের নির্দেশ দেন এবং প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বন্যায় পটিয়া উপজেলায় ১ হাজার ৪০০টি মৎস্য পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
Reporter Name 
























