ঢাকা ০৫:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জের বিলের শাপলা শত পরিবারের জীবিকার ভরসা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:১৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৬ বার

বর্ষার অথই পানিতে চারদিকে শুধুই নয়নাভিরাম লাল আর সাদা শাপলার মেলা। গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিল অঞ্চলগুলো এখন রূপ নিয়েছে এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। তবে এ সৌন্দর্য কেবল দেখার আনন্দেই সীমাবদ্ধ নেই; বিলের এই প্রাকৃতিক শাপলা এখন স্থানীয় শতাধিক পরিবারের প্রধান জীবিকার ভরসা হয়ে উঠেছে। প্রত্যুষে যখন সূর্যের আলো ফোটে, তখনই শুরু হয় শাপলা তোলার ব্যস্ততা, যা পরে চলে যায় স্থানীয় ও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। কালীগঞ্জ উপজেলার বেলাই বিল, ভাটিরা বিলসহ নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি এখন পানিতে টইটম্বুর। কেউ ডিঙিতে, কেউ তালগাছের তৈরি কোন্দায় চড়ে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শাপলা সংগ্রহ করেন। একসময় যে শাপলা বিলেই জন্মে বিলেই পচে যেত, আজ তা-ই বদলে দিচ্ছে অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের ভাগ্য। বিলপারের বাসিন্দা জমির উদ্দিন বলেন, ঢাকার এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করে প্রতিদিন প্রায় ১০০ আঁটি শাপলা সরবরাহ করেন। এতে তাঁর দৈনিক আয় হয় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। তিনি বলেন, ‘এত শাপলা সংগ্রহ করা সহজ নয়, এর পেছনে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কঠোর পরিশ্রম।’ শুধু জমির নন, দুবার্টি গ্রামের ফারুক, খলিল, নুরুল ইসলাম ও বেলায়েতের মতো মৌসুমি শ্রমিকরাও বর্ষায় কাজ কমে গেলে শাপলা সংগ্রহকে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জের বিলের শাপলা শত পরিবারের জীবিকার ভরসা

আপডেট টাইম : ০১:১৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

বর্ষার অথই পানিতে চারদিকে শুধুই নয়নাভিরাম লাল আর সাদা শাপলার মেলা। গাজীপুরের কালীগঞ্জের বিল অঞ্চলগুলো এখন রূপ নিয়েছে এক প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে। তবে এ সৌন্দর্য কেবল দেখার আনন্দেই সীমাবদ্ধ নেই; বিলের এই প্রাকৃতিক শাপলা এখন স্থানীয় শতাধিক পরিবারের প্রধান জীবিকার ভরসা হয়ে উঠেছে। প্রত্যুষে যখন সূর্যের আলো ফোটে, তখনই শুরু হয় শাপলা তোলার ব্যস্ততা, যা পরে চলে যায় স্থানীয় ও রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে। কালীগঞ্জ উপজেলার বেলাই বিল, ভাটিরা বিলসহ নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ জলাভূমি এখন পানিতে টইটম্বুর। কেউ ডিঙিতে, কেউ তালগাছের তৈরি কোন্দায় চড়ে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শাপলা সংগ্রহ করেন। একসময় যে শাপলা বিলেই জন্মে বিলেই পচে যেত, আজ তা-ই বদলে দিচ্ছে অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের ভাগ্য। বিলপারের বাসিন্দা জমির উদ্দিন বলেন, ঢাকার এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে চুক্তি করে প্রতিদিন প্রায় ১০০ আঁটি শাপলা সরবরাহ করেন। এতে তাঁর দৈনিক আয় হয় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা। তিনি বলেন, ‘এত শাপলা সংগ্রহ করা সহজ নয়, এর পেছনে থাকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কঠোর পরিশ্রম।’ শুধু জমির নন, দুবার্টি গ্রামের ফারুক, খলিল, নুরুল ইসলাম ও বেলায়েতের মতো মৌসুমি শ্রমিকরাও বর্ষায় কাজ কমে গেলে শাপলা সংগ্রহকে বিকল্প পেশা হিসেবে বেছে নেন।