ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল: ড. মঈন খান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬
  • ১৬ বার

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল, তারা কিন্তু যুদ্ধে নামেনি, পরবর্তীতে তারা বারবার পালিয়ে গিয়েছে সর্বশেষ ২০২৪ সালেও তারা একইভাবে পালিয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

সোমবার বিকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে পলাশ উপজেলা ও ঘোড়াশাল পৌর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মঈন খান আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শুধু নন, তিনি সম্মুখ সমারোহে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সেই ইতিহাস সঠিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ তথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এটা আমাদের দায়িত্ব। ২৪ পূর্ববর্তী বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকার এদেশের স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মিথ্যা ইতিহাস শিখিয়েছে। স্কুলের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া শিখবে, জ্ঞান বিজ্ঞান শিখবে ভ্রান্ত রাজনীতি শেখার জন্য তারা স্কুলে যায় না।

মঈন খান আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ৭২ সাল থেকে ৭৫ সালে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল।স্বৈরাচারী  আওয়ামীলীগ বিগত ১৭ বছরে লুটপাট করে এদেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে। সেই আওয়ামী লীগই ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছিলো। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান সেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে শূন্য ঝুড়িকে পূর্ণ ঝুড়িতে রুপান্তর করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজের পরিবার-পরিজনকে ফেলে রেখে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশ ও জনগণের স্বার্থে। তিনি শুধু এদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, ছিলেন বাংলার রাখাল রাজা। তার রাজনীতি ছিলো পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলার রাজনীতি ও দেশপ্রেমের রাজনীতি। আজকে আমরা যে ফুড সিকিউরিটির কথা বলি, তিনি তার জন্য আজ থেকে ৫০ বছর আগে প্রতিটি ইউনিয়নে খাদ্য গুদাম নির্মাণ করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন।

পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভুঁইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,পলাশ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আল আমিন ভূইয়া, পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নাজমুল হোসেন সোহেল প্রমুখ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল: ড. মঈন খান

আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩ জুন ২০২৬

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল, তারা কিন্তু যুদ্ধে নামেনি, পরবর্তীতে তারা বারবার পালিয়ে গিয়েছে সর্বশেষ ২০২৪ সালেও তারা একইভাবে পালিয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

সোমবার বিকালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে পলাশ উপজেলা ও ঘোড়াশাল পৌর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মঈন খান আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শুধু নন, তিনি সম্মুখ সমারোহে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সেই ইতিহাস সঠিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ তথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে হবে এটা আমাদের দায়িত্ব। ২৪ পূর্ববর্তী বিগত ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকার এদেশের স্কুল কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মিথ্যা ইতিহাস শিখিয়েছে। স্কুলের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া শিখবে, জ্ঞান বিজ্ঞান শিখবে ভ্রান্ত রাজনীতি শেখার জন্য তারা স্কুলে যায় না।

মঈন খান আরও বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ৭২ সাল থেকে ৭৫ সালে ধ্বংস করে দেয়া হয়েছিল।স্বৈরাচারী  আওয়ামীলীগ বিগত ১৭ বছরে লুটপাট করে এদেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে দেশের অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে। সেই আওয়ামী লীগই ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছিলো। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান সেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে শূন্য ঝুড়িকে পূর্ণ ঝুড়িতে রুপান্তর করেছিলেন।

তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজের পরিবার-পরিজনকে ফেলে রেখে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন দেশ ও জনগণের স্বার্থে। তিনি শুধু এদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, ছিলেন বাংলার রাখাল রাজা। তার রাজনীতি ছিলো পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলার রাজনীতি ও দেশপ্রেমের রাজনীতি। আজকে আমরা যে ফুড সিকিউরিটির কথা বলি, তিনি তার জন্য আজ থেকে ৫০ বছর আগে প্রতিটি ইউনিয়নে খাদ্য গুদাম নির্মাণ করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন।

পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভুঁইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন,পলাশ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আল আমিন ভূইয়া, পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক নাজমুল হোসেন সোহেল প্রমুখ।