ঢাকা ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

মধ্যপ্রাচ্যে হামলার জন্য ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে নিষেধাজ্ঞা ইতালির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • ৫২ বার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি সরকার। ইতালির সিজিলি দ্বীপে অবস্থিত সিগোনেলা (Sigonella) বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো প্রকার সামরিক অভিযান পরিচালনা না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে রোম।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্রের দাবি, ইতালি সরকার মনে করছে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই মুহূর্তে তাদের মাটি ব্যবহার করে কোনো হামলা বা অভিযান চললে তা আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। মূলত নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার কথা বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত সিগোনেলা বিমান ঘাঁটিটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই ঘাঁটিটি লজিস্টিক এবং গোয়েন্দা নজরদারির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। অতীতে বিভিন্ন অভিযানে এই ঘাঁটিটি ব্যবহৃত হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইতালির এই অস্বীকৃতি ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইতালির এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইতালির এই অবস্থান ন্যাটোর দুই মিত্র দেশের মধ্যে কিছুটা শীতল সম্পর্ক তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, ইতালির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে, কারণ সাধারণ জনগণ দেশটিকে কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে দেখতে চায় না।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পরিবর্তে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিরুদ্ধে ইতালি তার অবস্থান স্পষ্ট করল এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। ইতালির এই ‘না’ মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আনে কি না, তা এখন দেখার বিষয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

মধ্যপ্রাচ্যে হামলার জন্য ঘাঁটি ব্যবহারে যুক্তরাষ্ট্রকে নিষেধাজ্ঞা ইতালির

আপডেট টাইম : ১১:২৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এক সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইতালি সরকার। ইতালির সিজিলি দ্বীপে অবস্থিত সিগোনেলা (Sigonella) বিমান ঘাঁটি ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে কোনো প্রকার সামরিক অভিযান পরিচালনা না করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে সাফ জানিয়ে দিয়েছে রোম।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

সূত্রের দাবি, ইতালি সরকার মনে করছে বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই মুহূর্তে তাদের মাটি ব্যবহার করে কোনো হামলা বা অভিযান চললে তা আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। মূলত নিজেদের জাতীয় নিরাপত্তা এবং ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষার কথা বিবেচনা করেই প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সরকার এই কঠোর অবস্থান নিয়েছে।

ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত সিগোনেলা বিমান ঘাঁটিটি কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত। ন্যাটো এবং যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এই ঘাঁটিটি লজিস্টিক এবং গোয়েন্দা নজরদারির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। অতীতে বিভিন্ন অভিযানে এই ঘাঁটিটি ব্যবহৃত হলেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে ইতালির এই অস্বীকৃতি ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ইতালির এই সিদ্ধান্তের বিষয়ে এখনো পর্যন্ত হোয়াইট হাউস বা পেন্টাগন থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ইতালির এই অবস্থান ন্যাটোর দুই মিত্র দেশের মধ্যে কিছুটা শীতল সম্পর্ক তৈরি করতে পারে। অন্যদিকে, ইতালির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানানো হচ্ছে, কারণ সাধারণ জনগণ দেশটিকে কোনো সরাসরি যুদ্ধে জড়াতে দেখতে চায় না।

মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ফেরাতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালানোর পরিবর্তে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিরুদ্ধে ইতালি তার অবস্থান স্পষ্ট করল এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে। ইতালির এই ‘না’ মার্কিন সামরিক পরিকল্পনায় কোনো পরিবর্তন আনে কি না, তা এখন দেখার বিষয়।