ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের টাকা নতুন করে ছাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে না জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা যেহেতু টাকা ছাপিয়ে দিচ্ছি না, কাজেই মূল্যস্ফীতি হবে না। নারীরা যারা টাকা পাচ্ছেন, নিশ্চয় তারা সিঙ্গাপুর বা বিভিন্ন দেশে পাচার করবেন না। সেই লোকাল অর্থনীতিতে তারা খরচ করবেন।’
আজ বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেনের প্রশ্নে জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
আখতার হোসেন বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, হেলথ কার্ড যেসব কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে, তার ইতিবাচক কিছু দিক রয়েছে। জানার বিষয় হলো, ঠিক কতজন ব্যক্তি বা পরিবারকে এর আওতায় নিয়ে আসা হবে? তাতে কতটুকু বাজেট বরাদ্দ করা হবে? সেই বাজেট বরাদ্দ সমন্বয় করতে গিয়ে মূল্যস্ফীতি-মুদ্রাস্ফীতির মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে সরকারের পরিকল্পনা কী?’
তারেক রহমান বলেন, ‘স্বাভাবিকভাবে এর বাজেট কত, এটি আমরা এখনই বলছি না। অর্থাৎ আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে জিনিসগুলোকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাব। কৃষক কার্ড যারা পাবেন, তারা বছরে পাবেন আড়াই হাজার টাকা এবং ফ্যামিলি কার্ড যারা আছেন নারী, তারা মাসে পাবেন আড়াই হাজার টাকা।’
চলতি অর্থবছরের বাকি ৩ মাসে আরও ৩০ হাজার পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ৪ বছরের মধ্যে দেশব্যাপী ৪ কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে।’
Reporter Name 
















