ঢাকা ০৩:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • ০ বার

গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) বাজেট-পরবর্তী দিনে ব্রয়লার মুরগি, ডিম ও মাছের বাজারে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। দাম আগের মতোই রয়েছে। ঈদের পর থেকেই ব্রয়লার ১৬০ টাকা কেজি, ডিম ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এসব পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা ও ক্রেতারা।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, রায়ের বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

বিক্রেতারা জানান, বাজেটে ব্রয়লার মুরগি, সোনালি মুরগি, ডিম ও মাছের ওপর সরাসরি এমন কোনো কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়নি, যা তাৎক্ষণিকভাবে বাজারদর বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে এসব পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়, সোনালি মুরগির কেজি ৩৪০ টাকা, ডজন প্রতি ডিমের দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

অন্যদিকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আগের দামের কাছাকাছিই বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও বাজেট ঘোষণার পর উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা বলেন, ‘বাজেটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো কিছুর দাম বাড়েনি। তাই বিক্রয়মূল্যও আগের মতোই রাখা হয়েছে। ঈদের পর ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি করেছি। আজকেও সেই দাম রয়েছে। বাজেটে দাম বাড়েনি।’

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃতের উপরেও দাম নির্ধারণ), রুই ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বায়লা ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘ঈদের পর মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আজকে এক কেজি পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করছি। তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। সব মাছ আগের মতোই আছে। মাছের বাজারে বাজেটের প্রভাব পড়েনি। পাইকারি বাজারে না বাড়লে খুচরা বাজারেও কম। আর মাছের বাজার নিয়মিত ভাবে ২০-৩০ টাকা দাম ওঠানামা করে।’

চাকরিজীবী আবু দাউদ বলেন, ‘ঈদের পর থেকে মাছ ও মুরগি বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাজারে আজকে বাজেটের প্রভাব পড়েনি। মাছ ও মুরগির দাম আগের মতোই আছে।’

ডিম ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, ‘ব্রয়লার সাদা ডিম ডজন ১১০ টাকা, ব্রাউন রঙের ডিম ১২০ টাকা বিক্রি করছি। গতকালও একই দামে বিক্রি করেছি। বাজেটের প্রভাব পড়েনি। সরকার তো এখানে দাম বাড়ার মতো কর বাড়ায়নি। যদি বাড়ে তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে বাড়তে পারে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্রয়লার, ডিম ও মাছের বাজারে প্রভাব পড়েনি বাজেটের

আপডেট টাইম : ১২:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

গতকাল জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে। আজ (শুক্রবার) বাজেট-পরবর্তী দিনে ব্রয়লার মুরগি, ডিম ও মাছের বাজারে এর তেমন কোনো প্রভাব পড়েনি। দাম আগের মতোই রয়েছে। ঈদের পর থেকেই ব্রয়লার ১৬০ টাকা কেজি, ডিম ১২০ টাকা ডজন বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এসব পণ্যের দাম আগের মতোই রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতা ও ক্রেতারা।

আজ (শুক্রবার) সকালে রাজধানীর মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেট, রায়ের বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।

বিক্রেতারা জানান, বাজেটে ব্রয়লার মুরগি, সোনালি মুরগি, ডিম ও মাছের ওপর সরাসরি এমন কোনো কর বা শুল্ক আরোপ করা হয়নি, যা তাৎক্ষণিকভাবে বাজারদর বাড়িয়ে দিতে পারে। ফলে এসব পণ্যের সরবরাহ ও মূল্য স্বাভাবিক রয়েছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়, সোনালি মুরগির কেজি ৩৪০ টাকা, ডজন প্রতি ডিমের দাম রয়েছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা।

অন্যদিকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ আগের দামের কাছাকাছিই বিক্রি হচ্ছে। বাজারভেদে দামে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও বাজেট ঘোষণার পর উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন দেখা যায়নি।

রায়ের বাজারের মুরগি বিক্রেতা বলেন, ‘বাজেটের কারণে এখন পর্যন্ত কোনো কিছুর দাম বাড়েনি। তাই বিক্রয়মূল্যও আগের মতোই রাখা হয়েছে। ঈদের পর ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি করেছি। আজকেও সেই দাম রয়েছে। বাজেটে দাম বাড়েনি।’

মাছের বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পাঙাশ ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা (জীবিত ও মৃতের উপরেও দাম নির্ধারণ), রুই ২৬০ থেকে ৩৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বায়লা ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা, টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে চিংড়ির দাম বেশি দেখা গেছে। আকার ও জাতভেদে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা।

মোহাম্মদপুর টাউন হল মার্কেটের মাছ ব্যবসায়ী ফিরোজ মিয়া বলেন, ‘ঈদের পর মাছের বাজার আগের তুলনায় কিছুটা কমেছে। আজকে এক কেজি পাঙাশ ২০০ থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি করছি। তেলাপিয়া ২৩০ টাকা। সব মাছ আগের মতোই আছে। মাছের বাজারে বাজেটের প্রভাব পড়েনি। পাইকারি বাজারে না বাড়লে খুচরা বাজারেও কম। আর মাছের বাজার নিয়মিত ভাবে ২০-৩০ টাকা দাম ওঠানামা করে।’

চাকরিজীবী আবু দাউদ বলেন, ‘ঈদের পর থেকে মাছ ও মুরগি বাজার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাজারে আজকে বাজেটের প্রভাব পড়েনি। মাছ ও মুরগির দাম আগের মতোই আছে।’

ডিম ব্যবসায়ী সুলতান আহমদ বলেন, ‘ব্রয়লার সাদা ডিম ডজন ১১০ টাকা, ব্রাউন রঙের ডিম ১২০ টাকা বিক্রি করছি। গতকালও একই দামে বিক্রি করেছি। বাজেটের প্রভাব পড়েনি। সরকার তো এখানে দাম বাড়ার মতো কর বাড়ায়নি। যদি বাড়ে তাহলে অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে বাড়তে পারে।’