ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

কোলেস্টেরল ও হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হোন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • ১৬৪ বার

উচ্চ কোলেস্টেরল আমাদের হৃদরোগের জন্য প্রায়ই উপেক্ষা করা হয় কিন্তু ঝবঃধ গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত কোলেস্টেরল হৃদরোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এটি। এ লেখায় উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি ও হৃদরোগের সঙ্গে এটির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করব, যা আপনার হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

কোলেস্টেরল যখন উপদ্রব : কোলেস্টেরল রক্তে উপস্থিত একটি মোমের মতো চর্বিজাতীয় পদার্থ; যদিও এটি কোষ তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ক্ষতিকারক হতে পারে। যেহেতু উচ্চ কোলেস্টেরলের সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না, এটি ধমনিতে চুপচাপ জমা হয়ে প্লাক তৈরি করতে পারে, যা পথগুলোকে সংকুচিত করে এবং রক্তপ্রবাহ সীমাবদ্ধ করে হৃদরোগের পর্যায় নির্ধারণ করে থাকে।

কোলেস্টেরল যেভাবে হৃদরোগের ওপর প্রভাব ফেলে : উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মধ্যে ঠিক কী সম্পর্ক, এ সম্পর্কে জানা দরকার। ধমনিতে প্লাক জমা হওয়ার ফলে এটি হৃদরোগে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহকে সীমিত করে দেয়। এর ফলে বুকে ব্যথা (এনজাইনা) হতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রেÑ যদি জমাট বাঁধা রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়, তবে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।

ঝুঁকি যেভাবে কমাবেন : বেশ কিছু কারণ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। যেমনÑ জেনেটিক্স, খারাপ খাদ্যাভ্যাস, বসে থাকা জীবনযাপন, ধূমপান এবং অতিরিক্ত ওজন। সুসংবাদ হচ্ছে, উচ্চ কোলেস্টেরল প্রতিরোধ ও চিকিৎসাযোগ্য। স্বাস্থ্যকর জীবনধারার পছন্দগুলো, যেমনÑ সুষম খাদ্য খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখাÑ আপনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে।

হৃদয়কে অগ্রাধিকার দিন : জাতীয় কোলেস্টেরল শিক্ষা মাসের অংশ হিসেবে, আপনার হৃদয়ের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য এ সুযোগটি গ্রহণ করুন। যদি আপনি ইতোমধ্যে না করে থাকেন, তা হলে আপনার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন। একটি সাধারণ লিপিড প্যানেল রক্ত পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে। আপনার ফলাফল পর্যালোচনা করতে এবং কার্যকরভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরিতে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

কোলেস্টেরল ও হৃদরোগ সম্পর্কে সচেতন হোন

আপডেট টাইম : ০৭:২৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

উচ্চ কোলেস্টেরল আমাদের হৃদরোগের জন্য প্রায়ই উপেক্ষা করা হয় কিন্তু ঝবঃধ গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। ‘নীরব ঘাতক’ নামে পরিচিত কোলেস্টেরল হৃদরোগে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ এটি। এ লেখায় উচ্চ কোলেস্টেরলের ঝুঁকি ও হৃদরোগের সঙ্গে এটির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা করব, যা আপনার হার্টকে ভালো রাখতে সাহায্য করবে।

কোলেস্টেরল যখন উপদ্রব : কোলেস্টেরল রক্তে উপস্থিত একটি মোমের মতো চর্বিজাতীয় পদার্থ; যদিও এটি কোষ তৈরির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য অপরিহার্য। কিন্তু অতিরিক্ত কোলেস্টেরল ক্ষতিকারক হতে পারে। যেহেতু উচ্চ কোলেস্টেরলের সাধারণত কোনো লক্ষণ দেখা যায় না, এটি ধমনিতে চুপচাপ জমা হয়ে প্লাক তৈরি করতে পারে, যা পথগুলোকে সংকুচিত করে এবং রক্তপ্রবাহ সীমাবদ্ধ করে হৃদরোগের পর্যায় নির্ধারণ করে থাকে।

কোলেস্টেরল যেভাবে হৃদরোগের ওপর প্রভাব ফেলে : উচ্চ কোলেস্টেরল ও হৃদরোগের মধ্যে ঠিক কী সম্পর্ক, এ সম্পর্কে জানা দরকার। ধমনিতে প্লাক জমা হওয়ার ফলে এটি হৃদরোগে অক্সিজেনসমৃদ্ধ রক্তের প্রবাহকে সীমিত করে দেয়। এর ফলে বুকে ব্যথা (এনজাইনা) হতে পারে এবং গুরুতর ক্ষেত্রেÑ যদি জমাট বাঁধা রক্তপ্রবাহ সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেয়, তবে হার্ট অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।

ঝুঁকি যেভাবে কমাবেন : বেশ কিছু কারণ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে থাকে। যেমনÑ জেনেটিক্স, খারাপ খাদ্যাভ্যাস, বসে থাকা জীবনযাপন, ধূমপান এবং অতিরিক্ত ওজন। সুসংবাদ হচ্ছে, উচ্চ কোলেস্টেরল প্রতিরোধ ও চিকিৎসাযোগ্য। স্বাস্থ্যকর জীবনধারার পছন্দগুলো, যেমনÑ সুষম খাদ্য খাওয়া, নিয়মিত ব্যায়াম করা, তামাকজাত দ্রব্য এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখাÑ আপনার ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে দিতে পারে।

হৃদয়কে অগ্রাধিকার দিন : জাতীয় কোলেস্টেরল শিক্ষা মাসের অংশ হিসেবে, আপনার হৃদয়ের স্বাস্থ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার জন্য এ সুযোগটি গ্রহণ করুন। যদি আপনি ইতোমধ্যে না করে থাকেন, তা হলে আপনার কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন। একটি সাধারণ লিপিড প্যানেল রক্ত পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে। আপনার ফলাফল পর্যালোচনা করতে এবং কার্যকরভাবে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি পরিকল্পনা তৈরিতে একজন স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সঙ্গে পরামর্শ করে নিতে পারেন।