ঢাকা ০৩:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

হাজারীবাগে ব্যবসায়ী হত্যা, জমির লোভে ২০ লাখে খুনি ভাড়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩
  • ২৪৮ বার

রাজধানীর হাজারীবাগে ব্যবসায়ী এখলাসকে হত্যা করে বস্তায় ভরে ফেলে রাখার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বলছে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ২০ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয় দুই খুনিকে, হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হয় ১১ লাখ টাকা।

শনিবার (২২ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গেলো ২৮ জুন রাজধানীর রায়ের বাজারে ডেকে নিয়ে গলায় তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয় জমি ব্যবসায়ী এখলাসকে।

হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয় হাজারীবাগ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এখলাসকে হত্যার পরিকল্পনা করেন লেদার মনির। এ জন্য ২০ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয় দুই কিলার রহমান ও ফয়সালকে। হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করার জন্য দেয়া হয় নগদ ১১ লাখ টাকা।

হারুন অর রশীদ বলেন, ২০ লাখ টাকা মনিরের পিএস ঝন্টু মোল্লা দেন সমন্বয়কারী এসহাককে। পরে এসহাক সেটা বাস্তবায়ন করার কথা। পরবর্তী পর্যায়ে ২০ লাখের মধ্যে ১১ লাখ টাকা দিয়ে তারা দুই খুনিকে ভাড়া করেন। আব্দুর রহমানকে দেওয়া হয় ৬ লাখ, আর ফয়সালকে দেয়া হয় ৫০ হাজার টাকা।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী লেদার মনির এক সময় চামড়া পরিষ্কারের কাজ করলেও কয়েক বছরের মধ্যেই বনে যান হাজার কোটি টাকার মালিক। কেরানীগঞ্জের একটি জমির দ্বৈত মালিকানা থেকেই তার ব্যাবসায়ীক অংশীদার এখলাসের সঙ্গে বিরোধ হয়। আর সেই বিরোধ থেকেই হত্যার পরিকল্পনা।

ডিবি প্রধান বলেন, লেদার মনির এক সময় ঢাকায় ২০ টাকা রোজে চামড়া পরিষ্কার করতেন। কামরাঙ্গীরচরে একটা জমি রয়েছে। এটার মালিকানা কিছুটা রয়েছে মনিরের, আর কিছুটা রয়েছে ভিকটিম এখলাসের। মনির চেয়েছিলেন পুরো জায়গাটাকে একা গ্রাস করতে।

এদিকে রাজধানীর মালিবাগে যুবলীগকর্মী হত্যা মামলায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘যাদের নাম আমরা পেয়েছি, তাদের শিগগিরই গ্রেফতার করবো। ’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

হাজারীবাগে ব্যবসায়ী হত্যা, জমির লোভে ২০ লাখে খুনি ভাড়া

আপডেট টাইম : ১২:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০২৩

রাজধানীর হাজারীবাগে ব্যবসায়ী এখলাসকে হত্যা করে বস্তায় ভরে ফেলে রাখার ঘটনায় ৫ জনকে গ্রেপ্তারের পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বলছে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ২০ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয় দুই খুনিকে, হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করতে দেওয়া হয় ১১ লাখ টাকা।

শনিবার (২২ জুলাই) সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ডিবি প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গেলো ২৮ জুন রাজধানীর রায়ের বাজারে ডেকে নিয়ে গলায় তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয় জমি ব্যবসায়ী এখলাসকে।

হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয় হাজারীবাগ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এখলাসকে হত্যার পরিকল্পনা করেন লেদার মনির। এ জন্য ২০ লাখ টাকায় ভাড়া করা হয় দুই কিলার রহমান ও ফয়সালকে। হত্যাকাণ্ড বাস্তবায়ন করার জন্য দেয়া হয় নগদ ১১ লাখ টাকা।

হারুন অর রশীদ বলেন, ২০ লাখ টাকা মনিরের পিএস ঝন্টু মোল্লা দেন সমন্বয়কারী এসহাককে। পরে এসহাক সেটা বাস্তবায়ন করার কথা। পরবর্তী পর্যায়ে ২০ লাখের মধ্যে ১১ লাখ টাকা দিয়ে তারা দুই খুনিকে ভাড়া করেন। আব্দুর রহমানকে দেওয়া হয় ৬ লাখ, আর ফয়সালকে দেয়া হয় ৫০ হাজার টাকা।

গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী লেদার মনির এক সময় চামড়া পরিষ্কারের কাজ করলেও কয়েক বছরের মধ্যেই বনে যান হাজার কোটি টাকার মালিক। কেরানীগঞ্জের একটি জমির দ্বৈত মালিকানা থেকেই তার ব্যাবসায়ীক অংশীদার এখলাসের সঙ্গে বিরোধ হয়। আর সেই বিরোধ থেকেই হত্যার পরিকল্পনা।

ডিবি প্রধান বলেন, লেদার মনির এক সময় ঢাকায় ২০ টাকা রোজে চামড়া পরিষ্কার করতেন। কামরাঙ্গীরচরে একটা জমি রয়েছে। এটার মালিকানা কিছুটা রয়েছে মনিরের, আর কিছুটা রয়েছে ভিকটিম এখলাসের। মনির চেয়েছিলেন পুরো জায়গাটাকে একা গ্রাস করতে।

এদিকে রাজধানীর মালিবাগে যুবলীগকর্মী হত্যা মামলায় আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং দ্রুতই গ্রেফতার করা হবে বলেও জানান হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, ‘যাদের নাম আমরা পেয়েছি, তাদের শিগগিরই গ্রেফতার করবো। ’