ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৫০ প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে আবাসিক পুনর্বাসিত করবে চসিক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ ২০১৬
  • ৩০২ বার

৫০ জন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে আবাসিক পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

বুধবার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিট কমান্ডের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ ঘোষণা দেন। এ সময় কমান্ডার মোজাফফর আহমদ অসচ্ছল প্রয়াত ৫০ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একটি তালিকা মেয়রের নিকট হস্তান্তর করেন।

মেয়র বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজি রেখে অধিকাংশ গরিব ঘরের যুবকেরা দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, সম্মানিভাতা প্রদান, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের চাকরিতে কোটা সংরক্ষণসহ নানামুখী কল্যাণে দায়িত্ব পালন করছে সরকার।

মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান আবু সাঈদ সর্দার, নুর উদ্দিন চৌধুরী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, এফ আকবর খান, খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), রফিকুল ইসলাম, রুরেন্দ্র নাথ সেন, দোস্ত মোহাসাসত প্রমুখ। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বিধবা স্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি জানান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে আবাসিক পুনর্বাসিত করবে চসিক

আপডেট টাইম : ১২:০০:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ মার্চ ২০১৬

৫০ জন প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে আবাসিক পুনর্বাসনের ঘোষণা দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন।

বুধবার বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ মহানগর ইউনিট কমান্ডের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মেয়র এ ঘোষণা দেন। এ সময় কমান্ডার মোজাফফর আহমদ অসচ্ছল প্রয়াত ৫০ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের একটি তালিকা মেয়রের নিকট হস্তান্তর করেন।

মেয়র বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান। মহান মুক্তিযুদ্ধে জীবনবাজি রেখে অধিকাংশ গরিব ঘরের যুবকেরা দেশপ্রেমে বলীয়ান হয়ে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। মৃত্যুর পর মুক্তিযোদ্ধাদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, সম্মানিভাতা প্রদান, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনিদের চাকরিতে কোটা সংরক্ষণসহ নানামুখী কল্যাণে দায়িত্ব পালন করছে সরকার।

মতবিনিময় সভায় অন্যদের মধ্যে আলোচনা করেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান আবু সাঈদ সর্দার, নুর উদ্দিন চৌধুরী, শেখ মাহমুদ ইসহাক, জাহাঙ্গীর চৌধুরী, সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, এফ আকবর খান, খোরশেদ আলম (যুদ্ধাহত), রফিকুল ইসলাম, রুরেন্দ্র নাথ সেন, দোস্ত মোহাসাসত প্রমুখ। এ সময় মুক্তিযোদ্ধাদের বিধবা স্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ এবং জাতীয় স্মৃতিসৌধের আদলে চট্টগ্রামে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের দাবি জানান।