ঢাকা ১০:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খাল খনন করতে চান স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, জামায়াত এমপির ডিও লেটার! উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা ওয়াশরুমের গোপন সুড়ঙ্গে লুকিয়েও রেহাই পেলেন না নায়িকা ববির স্বামী শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী হাওরের কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা সহায়তা দেবে সরকার

রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁসির আসামি বিপ্লবের মুক্তি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪৫৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় কারামুক্তি পেয়েছেন হত্যা মামলায় ফাঁসি হওয়া লক্ষ্মীপুরের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের বড় ছেলে এ এইচ এম আফতাব উদ্দিন বিপ্লব। মঙ্গলবার (০৯অক্টোবর) সকালে কারামুক্ত হোন বিপ্লব।

আর মুক্তি পাওয়ার পর সকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নাস্তার টেবিলের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এখন ভাইরাল। বিপ্লবের অনুসারীরা ফেসবুকে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ‘মুজিব আদর্শের সৈনিক’, ‘আপোষহীন নেতা’ হিসেবে বিভিন্ন মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেলার শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে জেল থেকে বের হন বিপ্লব। জেলা জজকোর্টের পাবলিক প্রসিউকিটর জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘ কারাভোগের পর মঙ্গলবার সকালে মুক্তিতে জেল থেকে বের হন বিপ্লব।’

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইনজীবী নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার রায়ে ২০০৩ সালে বিপ্লবসহ পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয় বিচারিক আদালত। আরও দুটি হত্যা মামলায় বিপ্লবের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ১০ বছরের বেশি সময় পলাতক থেকে বিপ্লব ২০১১ সালের ৪ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর বাবা আবু তাহের ছেলে বিপ্লবের প্রাণভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। এরপর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বিপ্লবের সাজা মওকুফ করেন। ওই বছরের ১৪ জুলাই সাজা মওকুফের আদেশ কার্যকর হয়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে লক্ষ্মীপুর শহরের বাসা থেকে নুরুল ইসলামকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। এটি সেসময় দেশজুড়ে আলোচিত ঘটনা ছিল। তখন পৌর চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরও ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন।

এছাড়া বিএনপির কর্মী কামাল হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বিপ্লবের অপর দুই ভাই এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু ও আবদুর জব্বার লাবলু ওরফে লাবুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। কামাল হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় আবু তাহের, তার বড় ছেলে বিপ্লব ও দলীয় কর্মী খালেক, বাবর এবং মারজুর। পরে বিপ্লব ও খালেক ছাড়া বাকি চারজন হাইকোর্ট থেকে খালাস পান। বিএনপির কর্মী কামালকে ২০০০ সালে হত্যা করা হয়েছিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

খাল খনন করতে চান স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, জামায়াত এমপির ডিও লেটার!

রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় ফাঁসির আসামি বিপ্লবের মুক্তি

আপডেট টাইম : ১০:৩০:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় কারামুক্তি পেয়েছেন হত্যা মামলায় ফাঁসি হওয়া লক্ষ্মীপুরের আলোচিত আওয়ামী লীগ নেতা আবু তাহেরের বড় ছেলে এ এইচ এম আফতাব উদ্দিন বিপ্লব। মঙ্গলবার (০৯অক্টোবর) সকালে কারামুক্ত হোন বিপ্লব।

আর মুক্তি পাওয়ার পর সকালে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নাস্তার টেবিলের কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এখন ভাইরাল। বিপ্লবের অনুসারীরা ফেসবুকে তাকে অভিনন্দন জানিয়ে ‘মুজিব আদর্শের সৈনিক’, ‘আপোষহীন নেতা’ হিসেবে বিভিন্ন মন্তব্য করতে দেখা গেছে।

লক্ষ্মীপুর জেলা কারাগারের জেলার শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সকালে জেল থেকে বের হন বিপ্লব। জেলা জজকোর্টের পাবলিক প্রসিউকিটর জসিম উদ্দিন বলেন, ‘দীর্ঘ কারাভোগের পর মঙ্গলবার সকালে মুক্তিতে জেল থেকে বের হন বিপ্লব।’

লক্ষ্মীপুর জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও আইনজীবী নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার রায়ে ২০০৩ সালে বিপ্লবসহ পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড ও নয়জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দেয় বিচারিক আদালত। আরও দুটি হত্যা মামলায় বিপ্লবের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। ১০ বছরের বেশি সময় পলাতক থেকে বিপ্লব ২০১১ সালের ৪ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর বাবা আবু তাহের ছেলে বিপ্লবের প্রাণভিক্ষা চেয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করেন। এরপর তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান বিপ্লবের সাজা মওকুফ করেন। ওই বছরের ১৪ জুলাই সাজা মওকুফের আদেশ কার্যকর হয়।

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাতে লক্ষ্মীপুর শহরের বাসা থেকে নুরুল ইসলামকে অপহরণের পর হত্যা করা হয়। এটি সেসময় দেশজুড়ে আলোচিত ঘটনা ছিল। তখন পৌর চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু তাহেরও ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন।

এছাড়া বিএনপির কর্মী কামাল হত্যা মামলায় চট্টগ্রাম বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল বিপ্লবের অপর দুই ভাই এ কে এম সালাহ্ উদ্দিন টিপু ও আবদুর জব্বার লাবলু ওরফে লাবুর মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। কামাল হত্যা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয় আবু তাহের, তার বড় ছেলে বিপ্লব ও দলীয় কর্মী খালেক, বাবর এবং মারজুর। পরে বিপ্লব ও খালেক ছাড়া বাকি চারজন হাইকোর্ট থেকে খালাস পান। বিএনপির কর্মী কামালকে ২০০০ সালে হত্যা করা হয়েছিল।