ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা খাল খনন করতে চান স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা, জামায়াত এমপির ডিও লেটার! উজানের ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি, বন্যার শঙ্কা ওয়াশরুমের গোপন সুড়ঙ্গে লুকিয়েও রেহাই পেলেন না নায়িকা ববির স্বামী শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী

স্বস্তিতে ক্রেতা খুলনায় কমেছে চালের দাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৫৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভারতীয় চাল আমদানিতে প্রভাব পড়েছে খুলনার চালের বাজারে। মানভেদে গত চারদিন ধরে মোকাম ও পাইকারি বাজারের পর খুচরা বাজারেও চালের দাম কমতে শুরু করেছে। প্রতিকেজি চাল ১ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

দেশি চালের চেয়ে ভারতীয় চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কম। ফলে ভারতীয় চালের আমদানি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তারা জানান, ভারতীয় চাল দখল করেছে খুলনার সব মোকাম। ভারত থেকে আসা চালের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণা, মিনিকেট ও বালাম ২৮। যার প্রভাবে বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

রোববার বড় বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী এনসিডি বাণিজ্য ভাণ্ডারের মালিক মধুসূদন দাশ জানান, খুলনার সব মোকামে বেড়েছে ভারতীয় চালের উপস্থিতি। ভারত থেকে আসা চালের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণা, মিনিকেট ও বালাম-২৮, যার প্রভাবে বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করে শহীদ নামের এক ক্রেতা বলেন, পরশ বালাম এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকায় কিনেছি, তা এখন ৫২ টাকা হয়েছে। চালের দাম কমায় সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে আছেন।

চালের মোকামে ক্রেতা-বিক্রেতারা-ছবি-মানজারুল ইসলামবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের চালের দাম কমেছে। চারদিন আগে বালাম-২৮ বিক্রি হয়েছে ৫৬ টাকায়, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়, এলসি বালাম ৫০ থেকে কমে ৪২ টাকায়, বাসমতি ৬৮ থেকে কমে ৬৪ টাকায়, নাজিরশাইল ৬৭ থেকে ৬৬ টাকায়, মিনিকেট ৬২ থেকে কমে ৫৮ টাকায়, আতপ ৩৭ থেকে কমে ৩৪ টাকায়, এলসি স্বর্ণা ৪৯ থেকে ৪১ টাকায়, এলসি মিনিকেট ৬০ থেকে ৫৪ টাকায়, ভাইটাল মোটা ৬৩ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া সিদ্ধ কাটারিভোগ অপরিবর্তিত ৭৫ টাকায়, আতপ কাটারিভোগ ৫৬ টাকা থেকে বেড়ে ৬২ টাকায়, পোলাও ৭২ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের দাম কমায় স্বস্তিতে ক্রেতারা। এ বিষয়ে মাহবুব নামের এক ক্রেতা বলেন, ভারতীয় চালের আমদানির পাশাপাশি বাজারে প্রশাসনের অভিযান পরিচালিত হওয়ায় চালের দাম কিছুটা কমেছে। মিল মালিকরা জরিমানা ও মামলার ভয়ে চালের দাম বাড়াচ্ছেন না।

তবে যারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং আরো বাড়ানোর পাঁয়তারা করেছিলেন তাদের এখন মাথায় হাত পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ওই মিয়া চুপ করেন, একেবারে খেয়ে ফেলবো’ বিএনপিকর্মীকে এমপি হানজালা

স্বস্তিতে ক্রেতা খুলনায় কমেছে চালের দাম

আপডেট টাইম : ০৫:০৫:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভারতীয় চাল আমদানিতে প্রভাব পড়েছে খুলনার চালের বাজারে। মানভেদে গত চারদিন ধরে মোকাম ও পাইকারি বাজারের পর খুচরা বাজারেও চালের দাম কমতে শুরু করেছে। প্রতিকেজি চাল ১ থেকে ৮ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

দেশি চালের চেয়ে ভারতীয় চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত কম। ফলে ভারতীয় চালের আমদানি বেড়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

তারা জানান, ভারতীয় চাল দখল করেছে খুলনার সব মোকাম। ভারত থেকে আসা চালের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণা, মিনিকেট ও বালাম ২৮। যার প্রভাবে বাজারে প্রায় সব ধরনের চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

রোববার বড় বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী এনসিডি বাণিজ্য ভাণ্ডারের মালিক মধুসূদন দাশ জানান, খুলনার সব মোকামে বেড়েছে ভারতীয় চালের উপস্থিতি। ভারত থেকে আসা চালের মধ্যে রয়েছে স্বর্ণা, মিনিকেট ও বালাম-২৮, যার প্রভাবে বাজারে চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করে শহীদ নামের এক ক্রেতা বলেন, পরশ বালাম এক সপ্তাহ আগে ৬০ টাকায় কিনেছি, তা এখন ৫২ টাকা হয়েছে। চালের দাম কমায় সাধারণ ক্রেতারা কিছুটা স্বস্তিতে আছেন।

চালের মোকামে ক্রেতা-বিক্রেতারা-ছবি-মানজারুল ইসলামবাজার ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের চালের দাম কমেছে। চারদিন আগে বালাম-২৮ বিক্রি হয়েছে ৫৬ টাকায়, এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫২ টাকায়, এলসি বালাম ৫০ থেকে কমে ৪২ টাকায়, বাসমতি ৬৮ থেকে কমে ৬৪ টাকায়, নাজিরশাইল ৬৭ থেকে ৬৬ টাকায়, মিনিকেট ৬২ থেকে কমে ৫৮ টাকায়, আতপ ৩৭ থেকে কমে ৩৪ টাকায়, এলসি স্বর্ণা ৪৯ থেকে ৪১ টাকায়, এলসি মিনিকেট ৬০ থেকে ৫৪ টাকায়, ভাইটাল মোটা ৬৩ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া সিদ্ধ কাটারিভোগ অপরিবর্তিত ৭৫ টাকায়, আতপ কাটারিভোগ ৫৬ টাকা থেকে বেড়ে ৬২ টাকায়, পোলাও ৭২ থেকে ৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চালের দাম কমায় স্বস্তিতে ক্রেতারা। এ বিষয়ে মাহবুব নামের এক ক্রেতা বলেন, ভারতীয় চালের আমদানির পাশাপাশি বাজারে প্রশাসনের অভিযান পরিচালিত হওয়ায় চালের দাম কিছুটা কমেছে। মিল মালিকরা জরিমানা ও মামলার ভয়ে চালের দাম বাড়াচ্ছেন না।

তবে যারা কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এবং আরো বাড়ানোর পাঁয়তারা করেছিলেন তাদের এখন মাথায় হাত পড়েছে।