ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

শিক্ষার্থীদের হাতে প্রশ্ন ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগেই

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭
  • ৩৩২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগেই চার পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্ন পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদ ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদ অন্তর্ভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক রুনা লায়লা।

পরীক্ষার্থীরা হলেন শওকত হোসেন চৌধুরী (রোল ১০৬৯৭৭), আয়শা আক্তার লতা (রোল ১০২৫৮৬), মেহেদী হাসান (রোল ১০৮২৬৮) ও নাজমুল ইসলাম (রোল ১০৫৩১৭)।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভর্তি পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ফটকের সামনে এই চার শিক্ষার্থী মোবাইলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন দেখছিলেন। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডি তাদের আটক করে। পরে মোবাইলে রেখে তাদের পরীক্ষা দিতে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা শেষে চারজনের মধ্যে শওকত ও আয়শাকে খুঁজে পেয়ে তাদের প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মুখোমুখি করা হয়। সেখানে তারা দুজনই আগেই প্রশ্ন পাওয়ার কথা জানিয়ে লিখিত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত চারজনের পরীক্ষা বাতিলের রায়ে দেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের আগে তাদের আটক করে মোবাইল জব্দ করা হয়। তাদের মোবাইলে থাকা প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল পাওয়া যায়।

সে কারণে পরীক্ষা শেষে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন, ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন, আমরা যে পদ্ধতিতে বার কোড, কালার কোড ও ভিন্ন ভিন্ন সেটে পরীক্ষা নিয়ে থাকি এসব ফাঁকি দেওয়া জালিয়াত চক্রের সাধ্যের বাইরে। আমরাই প্রথম পরীক্ষা সুষ্ঠু ও প্রশ্ন ফাঁস রোধে বারকোড ও কালার কোড পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছি। তা এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

শিক্ষার্থীদের হাতে প্রশ্ন ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগেই

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভর্তি পরীক্ষা শুরুর আগেই চার পরীক্ষার্থীর কাছে প্রশ্ন পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০১৭-২০১৮ শিক্ষাবর্ষের বিজ্ঞান অনুষদ ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদ অন্তর্ভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা শেষে ওই শিক্ষার্থীদের প্রার্থিতা বাতিল করেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক রুনা লায়লা।

পরীক্ষার্থীরা হলেন শওকত হোসেন চৌধুরী (রোল ১০৬৯৭৭), আয়শা আক্তার লতা (রোল ১০২৫৮৬), মেহেদী হাসান (রোল ১০৮২৬৮) ও নাজমুল ইসলাম (রোল ১০৫৩১৭)।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কার্যালয়ের একজন কর্মকর্তা বলেন, ভর্তি পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রের ফটকের সামনে এই চার শিক্ষার্থী মোবাইলে ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন দেখছিলেন। এ সময় প্রক্টরিয়াল বডি তাদের আটক করে। পরে মোবাইলে রেখে তাদের পরীক্ষা দিতে দেয় কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা শেষে চারজনের মধ্যে শওকত ও আয়শাকে খুঁজে পেয়ে তাদের প্রক্টর কার্যালয়ে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মুখোমুখি করা হয়। সেখানে তারা দুজনই আগেই প্রশ্ন পাওয়ার কথা জানিয়ে লিখিত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। পরে আদালত চারজনের পরীক্ষা বাতিলের রায়ে দেয়।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর নূর মোহাম্মদ বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের আগে তাদের আটক করে মোবাইল জব্দ করা হয়। তাদের মোবাইলে থাকা প্রশ্নের সঙ্গে পরীক্ষার প্রশ্নের মিল পাওয়া যায়।

সে কারণে পরীক্ষা শেষে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়।

এদিকে এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মীজানুর রহমান বলেন, ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কোনো সুযোগ নেই।

তিনি আরো বলেন, আমরা যে পদ্ধতিতে বার কোড, কালার কোড ও ভিন্ন ভিন্ন সেটে পরীক্ষা নিয়ে থাকি এসব ফাঁকি দেওয়া জালিয়াত চক্রের সাধ্যের বাইরে। আমরাই প্রথম পরীক্ষা সুষ্ঠু ও প্রশ্ন ফাঁস রোধে বারকোড ও কালার কোড পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছি। তা এখন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় অনুসরণ করছে।