ঢাকা ০১:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌন হয়রানির ঘটনায় জবি শিক্ষক রাজীব মীর চাকরিচ্যুত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭
  • ৩১৬ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ  যৌন হয়রানির ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মীর মোশারেফ হোসেনকে (রাজীব মীর) স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তিনটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গত রবিবারে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে যৌন হয়রানির ঘটনায় নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হালিম প্রামাণিককে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া গত বছর ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা ও শৃংখলা বিরোধী কাজে জড়িত থাকায় ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক দেওয়ান বদরুল হাসানের পদোন্নতি আগামী দুই বছরের জন্য বিবেচনা না করা এবং আগামী পাঁচ বছরের জন্য ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী হতে তাকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে প্রকাশনা জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

যৌন হয়রানির ঘটনায় জবি শিক্ষক রাজীব মীর চাকরিচ্যুত

আপডেট টাইম : ১১:৩৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০১৭
হাওর বার্তা ডেস্কঃ  যৌন হয়রানির ঘটনায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মীর মোশারেফ হোসেনকে (রাজীব মীর) স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তিনটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় গত রবিবারে রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭৪তম সিন্ডিকেট সভায় তার বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে যৌন হয়রানির ঘটনায় নাট্যকলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হালিম প্রামাণিককে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এছাড়া গত বছর ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্বে অবহেলা ও শৃংখলা বিরোধী কাজে জড়িত থাকায় ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক দেওয়ান বদরুল হাসানের পদোন্নতি আগামী দুই বছরের জন্য বিবেচনা না করা এবং আগামী পাঁচ বছরের জন্য ভর্তি পরীক্ষা সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যাবলী হতে তাকে বিরত রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক নাসির উদ্দিন আহমদের বিরুদ্ধে প্রকাশনা জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকেও কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।