ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬, ১০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন প্রধানমন্ত্রী দেশকে তাঁর পিতার মতোই এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন : ভূমিমন্ত্রী ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় মেসি গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা ঈদের ছুটি শেষে অফিস শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেপ্তার জাতীয় পতাকা বিধি যথাযথভাবে প্রতিপালনের নির্দেশনা জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটির প্রথম বৈঠক আজ বর্ণবাদ নির্মূলে বৈশ্বিক ঐক্যের আহ্বান জানালো বাংলাদেশ ঈদের ছুটি শেষে সচিবালয়ে ফিরে এসেছে প্রাণচাঞ্চল্য, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কুশল বিনিময়

বাবরি মসজিদ সম্পর্কে এত বড় সত্যটা আগে জানতেন কি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭
  • ৩৯৪ বার

অনেক দিন ধরে বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের জাতীয় রাজনীতি সরগরম। প্রচুর খবর, একাধিকবার শিরোনামে উঠে আসা। বিতর্ক, চাপানউতোর, সবই চলছে। অযোধ্যার বিতর্কিত ভূখণ্ড নিয়ে হিন্দু-মুসলিম দু’পক্ষকেই আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে সমম্যা সমাধানের পরামর্শও দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহের।

এতকিছুর মধ্যেও বাবরি মসজিদ নিয়ে এখনও বেশ কিছু প্রশ্ন রয়েছে আম জনতার মধ্যে। কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা, অধিকাংশই অজানা। কিন্তু এমন এক তথ্য আছে বাবরির নেপথ্যে যা জানলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যাবে।

তা হল বাবরির নামকরণ নিয়ে। ইতিহাস বলছে, প্রথম মোঘল সম্রাট বাবর এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন। সেই থেকে এর নাম হয়ে যায় বাবরি। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, বাবর নন, এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন অন্য কেউ।

বাবরি মসজিদ আদতে বাবরের এক সেনাপতি মীর বাকি তাশখন্দি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি আদতে তাশখন্দের বাসিন্দা ছিলেন। জানা যায়, পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সেনা অযোধ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তখন বাবর আগ্রাতেই থেকে গিয়েছিলেন। সেইসময় মীর বাকিকে নেতা চয়ন করেছিলেন বাবর।

যে মসজিদ নিয়ে কয়েক শতাব্দী ধরে বিবাদ সেই মসজিদ তৈরি করেছিলেন মীর বাকি। তারপর বাবরকে খুশি করার জন্য এর নাম রাখেন বাবরি মসজিদ। আবার স্থানীয় কিছু মতবাদ অনুযায়ী, বাবরের হুকুমেই এই মসজিদ তৈরি হয়েছিল। দুই ধরনের মত থেকেই এটাই স্পষ্ট যে মসজিদ নির্মাণে বাবর সশরীরে জড়িত ছিলেন না।

এই বিষয়ে বাবরের জীবনী ‘বাবরনামা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজ। তবে সেখানে বাবরি মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে কোনও উল্লেখই নেই। এদিকে হিন্দুদের দাবী, অযোধ্যা রামচন্দ্রের জন্মভূমি হওয়ায় ওখানে আগে মন্দির ছিল। সেটা ভেঙে মসজিদ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাড়ছে ইরানি হামলার তীব্রতা, অবিলম্বে নাগরিকদের ইসরায়েল ছাড়তে বললো চীন

বাবরি মসজিদ সম্পর্কে এত বড় সত্যটা আগে জানতেন কি

আপডেট টাইম : ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল ২০১৭

অনেক দিন ধরে বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারতের জাতীয় রাজনীতি সরগরম। প্রচুর খবর, একাধিকবার শিরোনামে উঠে আসা। বিতর্ক, চাপানউতোর, সবই চলছে। অযোধ্যার বিতর্কিত ভূখণ্ড নিয়ে হিন্দু-মুসলিম দু’পক্ষকেই আদালতের বাইরে আলোচনার মাধ্যমে সমম্যা সমাধানের পরামর্শও দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি জে এস খেহের।

এতকিছুর মধ্যেও বাবরি মসজিদ নিয়ে এখনও বেশ কিছু প্রশ্ন রয়েছে আম জনতার মধ্যে। কিছু প্রশ্নের উত্তর জানা, অধিকাংশই অজানা। কিন্তু এমন এক তথ্য আছে বাবরির নেপথ্যে যা জানলে অনেকেরই চোখ কপালে উঠে যাবে।

তা হল বাবরির নামকরণ নিয়ে। ইতিহাস বলছে, প্রথম মোঘল সম্রাট বাবর এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন। সেই থেকে এর নাম হয়ে যায় বাবরি। কিন্তু অনেকেই জানেন না যে, বাবর নন, এই মসজিদ তৈরি করেছিলেন অন্য কেউ।

বাবরি মসজিদ আদতে বাবরের এক সেনাপতি মীর বাকি তাশখন্দি নির্মাণ করেছিলেন। তিনি আদতে তাশখন্দের বাসিন্দা ছিলেন। জানা যায়, পানিপথের প্রথম যুদ্ধে জয়লাভের পর মোঘল সেনা অযোধ্যার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। তখন বাবর আগ্রাতেই থেকে গিয়েছিলেন। সেইসময় মীর বাকিকে নেতা চয়ন করেছিলেন বাবর।

যে মসজিদ নিয়ে কয়েক শতাব্দী ধরে বিবাদ সেই মসজিদ তৈরি করেছিলেন মীর বাকি। তারপর বাবরকে খুশি করার জন্য এর নাম রাখেন বাবরি মসজিদ। আবার স্থানীয় কিছু মতবাদ অনুযায়ী, বাবরের হুকুমেই এই মসজিদ তৈরি হয়েছিল। দুই ধরনের মত থেকেই এটাই স্পষ্ট যে মসজিদ নির্মাণে বাবর সশরীরে জড়িত ছিলেন না।

এই বিষয়ে বাবরের জীবনী ‘বাবরনামা’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দস্তাবেজ। তবে সেখানে বাবরি মসজিদের নির্মাণ সম্পর্কে কোনও উল্লেখই নেই। এদিকে হিন্দুদের দাবী, অযোধ্যা রামচন্দ্রের জন্মভূমি হওয়ায় ওখানে আগে মন্দির ছিল। সেটা ভেঙে মসজিদ করা হয়েছে।