ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

বিজয়কে নিয়ে ট্রোল, রাশমিকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার

‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে বিয়ে নিয়ে কথোপকথনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও তার স্ত্রী রাশমিকা মান্দানা। এবার স্বামীর পক্ষ নিয়ে মুখ খুলেছেন রাশমিকা।

অনলাইনে বিজয়কে ঘিরে নেতিবাচক আলোচনা ও কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেছেন, তাদের কথোপকথনের বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিজের পরিবারকে না জেনে মন্তব্য করার জন্য সমালোচকদেরও একহাত নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে রাশমিকা লেখেন, সাধারণত অনলাইনে সমালোচনার জবাব দেন না তিনি। কারণ, প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে বলে মনে করেন। তবে এবার তাদের সাক্ষাৎকার ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা সীমা ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে করছেন তিনি।

বিতর্কের সূত্রপাত করণ জোহর সঞ্চালিত ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে রাশমিকা ও বিজয়ের কথোপকথন থেকে। সেখানে রাশমিকা জানান, একবার বিমানবন্দরে বসে প্রথম বিজয়ের সঙ্গে বিয়ের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন তিনি। তবে বিয়েতে রাজি হওয়ার আগে বিজয়কে নাকি ১০০ বার এ বিষয়ে বলতে হয়েছিল তাকে। পরে রাশমিকা ব্যাখ্যা করেন, বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রায় এক বছর ধরে তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা।

তবে রাশমিকার দাবি, তাদের কথোপকথনের মূল বিষয় ছিল না কে কতবার বিয়ের কথা বলেছেন কিংবা সিদ্ধান্ত নিতে বিজয়ের কতটা সময় লেগেছে। বরং একে অপরকে ভালোভাবে বোঝা এবং জীবনের উত্থান-পতনের মধ্যেও একসঙ্গে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার গুরুত্ব নিয়েই কথা বলেছিলেন তারা।

রাশমিকা লেখেন, ‘হ্যাঁ, এমন কথোপকথন হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কেউই জাঁকজমকপূর্ণ কোনো প্রস্তাবের অপেক্ষায় ছিলাম না। বিজয় চেয়েছিল, আমরা দুজন একে অপরকে বোঝার জন্য সময় ও সুযোগ নিই। জীবনের আনন্দ, চাপ ও নানা পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই কি না, সঠিক সময়ে সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি কি না, তা নিশ্চিত হওয়াই ছিল মূল বিষয়।’

নিজেদের স্বভাবের পার্থক্য নিয়েও কথা বলেছেন রাশমিকা। তার ভাষ্য, তিনি আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন, অন্যদিকে বিজয় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাস্তব দিকগুলো বিবেচনা করতে পছন্দ করেন। এই পার্থক্য তাদের সম্পর্কে ভারসাম্য তৈরি করেছে বলেও মনে করেন তিনি।

অভিনেত্রী লেখেন, ‘আমি কী চাই, তা শুরু থেকেই জানতাম। আর বিজয়ের বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখার এবং জীবনের বাস্তব দিকগুলো বিবেচনা করে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সময় চাওয়াটাও সমানভাবে স্বাভাবিক ছিল। এতে আমাদের ভালোবাসার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমি আবেগপ্রবণ, আর সে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের জীবনে একে অপরের এই গুণগুলোই প্রয়োজন।’

রাশমিকার কাছে বিয়ে মানে শুধু আংটি পরানো কিংবা হাঁটু গেড়ে বসে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া নয়। বরং একসঙ্গে জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই বিয়ের মূল বিষয় বলে মনে করেন তিনি।

নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে রাশমিকা লেখেন, ‘আমার স্বামীকে নিয়ে আমি ভীষণ মগ্ন। এতে সমস্যা কোথায়?’ তিনি আরও বলেন, এমন একজন মানুষকে খুঁজে নেওয়া উচিত, যার জন্য সবকিছু করতে ইচ্ছা হয় এবং যে একইভাবে আপনার পাশে থাকবে। বিজয়কে তিনি বারবার বিয়ে করতে রাজি, এমনকি এক হাজার বারও। তার ভাষায়, ‘১০০ বার তো কিছুই না।’

সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিনা আমন্ত্রণে উপদেশ দেওয়া ব্যক্তিদেরও জবাব দিয়েছেন রাশমিকা। তিনি বলেন, জীবনের কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন না, তাদের এখনকার মন্তব্য দিয়ে সম্পর্কের মূল্যায়ন করা উচিত নয়।

রাশমিকার কথায়, ‘কয়েক বছর আগে যখন আমাদের সময়টা সত্যিই কঠিন ছিল, তখন আপনারা পাশে ছিলেন না। সে ছিল, এখনও আছে। এই মুহূর্তে আমি জীবনের সবচেয়ে সুখী সময় পার করছি। আমার মুখে, অভিনয়ে, সিনেমায় এবং জীবনযাপনে সেই আনন্দ দেখতে পাবেন বলে আশা করি। আমি সুখী, পরিতৃপ্ত এবং কৃতজ্ঞ।’

তবে নিজের সমালোচনা মেনে নিলেও পরিবারকে নিয়ে অযাচিত মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আমাকে নিয়ে যত খুশি সমালোচনা করুন, আমি সামলে নিতে পারব। কিন্তু আমার পরিবারকে না জেনে তাদের নিয়ে কথা বলা নারীবাদ নয়। এটা নারীবাদের মুখোশে বুলিং।’

রাশমিকার মতে, নারীবাদ কখনো অন্য কাউকে ছোট করা কিংবা নারী-পুরুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার বিষয় ছিল না। বরং নিজের জীবন নিজের পছন্দ অনুযায়ী বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা এবং সেই জীবনের দায়িত্ব নেওয়াই এর মূল কথা।

এদিকে অনলাইনে সমালোচনার জবাবে বিজয়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। ভিডিওটিতে সাক্ষাৎকারের সময় তার আচরণ বিশ্লেষণ করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের নিয়ে ঠাট্টা করা হয়েছে!

হাসির ইমোজিসহ ভিডিওটি শেয়ার করে বিজয় লেখেন, ‘আঞ্চলিক ভাষায় সাবটাইটেল দরকার।’

পরে রাশমিকার সঙ্গে একটি ছবিও প্রকাশ করেন বিজয়। ক্যাপশনে লেখেন, ‘যারা আমাদের নিয়ে চিন্তিত, তাদের জানিয়ে রাখি, আমরা দুজনই দারুণ সুখী। আমি ভাগ্যবান। আমি আর সে যদি পুরো পৃথিবীর বিপক্ষেও থাকি, তাতেও সমস্যা নেই।’ টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

বিজয়কে নিয়ে ট্রোল, রাশমিকার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া

আপডেট টাইম : ১১:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬

‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে বিয়ে নিয়ে কথোপকথনের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন অভিনেতা বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও তার স্ত্রী রাশমিকা মান্দানা। এবার স্বামীর পক্ষ নিয়ে মুখ খুলেছেন রাশমিকা।

অনলাইনে বিজয়কে ঘিরে নেতিবাচক আলোচনা ও কটাক্ষের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেছেন, তাদের কথোপকথনের বিষয়টি ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে নিজের পরিবারকে না জেনে মন্তব্য করার জন্য সমালোচকদেরও একহাত নিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে রাশমিকা লেখেন, সাধারণত অনলাইনে সমালোচনার জবাব দেন না তিনি। কারণ, প্রত্যেকের নিজস্ব মতামত প্রকাশের অধিকার রয়েছে বলে মনে করেন। তবে এবার তাদের সাক্ষাৎকার ঘিরে যে আলোচনা তৈরি হয়েছে, তা সীমা ছাড়িয়ে গেছে বলে মনে করছেন তিনি।

বিতর্কের সূত্রপাত করণ জোহর সঞ্চালিত ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে রাশমিকা ও বিজয়ের কথোপকথন থেকে। সেখানে রাশমিকা জানান, একবার বিমানবন্দরে বসে প্রথম বিজয়ের সঙ্গে বিয়ের প্রসঙ্গ তুলেছিলেন তিনি। তবে বিয়েতে রাজি হওয়ার আগে বিজয়কে নাকি ১০০ বার এ বিষয়ে বলতে হয়েছিল তাকে। পরে রাশমিকা ব্যাখ্যা করেন, বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রায় এক বছর ধরে তারা বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তারা।

তবে রাশমিকার দাবি, তাদের কথোপকথনের মূল বিষয় ছিল না কে কতবার বিয়ের কথা বলেছেন কিংবা সিদ্ধান্ত নিতে বিজয়ের কতটা সময় লেগেছে। বরং একে অপরকে ভালোভাবে বোঝা এবং জীবনের উত্থান-পতনের মধ্যেও একসঙ্গে থাকার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার গুরুত্ব নিয়েই কথা বলেছিলেন তারা।

রাশমিকা লেখেন, ‘হ্যাঁ, এমন কথোপকথন হয়েছিল। কিন্তু আমাদের কেউই জাঁকজমকপূর্ণ কোনো প্রস্তাবের অপেক্ষায় ছিলাম না। বিজয় চেয়েছিল, আমরা দুজন একে অপরকে বোঝার জন্য সময় ও সুযোগ নিই। জীবনের আনন্দ, চাপ ও নানা পরিস্থিতির মধ্যেও আমরা একসঙ্গে থাকতে চাই কি না, সঠিক সময়ে সেই সিদ্ধান্ত নিচ্ছি কি না, তা নিশ্চিত হওয়াই ছিল মূল বিষয়।’

নিজেদের স্বভাবের পার্থক্য নিয়েও কথা বলেছেন রাশমিকা। তার ভাষ্য, তিনি আবেগ দিয়ে সিদ্ধান্ত নেন, অন্যদিকে বিজয় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে বাস্তব দিকগুলো বিবেচনা করতে পছন্দ করেন। এই পার্থক্য তাদের সম্পর্কে ভারসাম্য তৈরি করেছে বলেও মনে করেন তিনি।

অভিনেত্রী লেখেন, ‘আমি কী চাই, তা শুরু থেকেই জানতাম। আর বিজয়ের বিষয়টি নিয়ে ভেবে দেখার এবং জীবনের বাস্তব দিকগুলো বিবেচনা করে নিশ্চিত হওয়ার জন্য সময় চাওয়াটাও সমানভাবে স্বাভাবিক ছিল। এতে আমাদের ভালোবাসার কোনো পরিবর্তন হয়নি। আমি আবেগপ্রবণ, আর সে চিন্তাভাবনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। আমাদের জীবনে একে অপরের এই গুণগুলোই প্রয়োজন।’

রাশমিকার কাছে বিয়ে মানে শুধু আংটি পরানো কিংবা হাঁটু গেড়ে বসে প্রেমের প্রস্তাব দেওয়া নয়। বরং একসঙ্গে জীবন ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলাই বিয়ের মূল বিষয় বলে মনে করেন তিনি।

নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করে রাশমিকা লেখেন, ‘আমার স্বামীকে নিয়ে আমি ভীষণ মগ্ন। এতে সমস্যা কোথায়?’ তিনি আরও বলেন, এমন একজন মানুষকে খুঁজে নেওয়া উচিত, যার জন্য সবকিছু করতে ইচ্ছা হয় এবং যে একইভাবে আপনার পাশে থাকবে। বিজয়কে তিনি বারবার বিয়ে করতে রাজি, এমনকি এক হাজার বারও। তার ভাষায়, ‘১০০ বার তো কিছুই না।’

সম্পর্ক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিনা আমন্ত্রণে উপদেশ দেওয়া ব্যক্তিদেরও জবাব দিয়েছেন রাশমিকা। তিনি বলেন, জীবনের কঠিন সময়ে যারা পাশে ছিলেন না, তাদের এখনকার মন্তব্য দিয়ে সম্পর্কের মূল্যায়ন করা উচিত নয়।

রাশমিকার কথায়, ‘কয়েক বছর আগে যখন আমাদের সময়টা সত্যিই কঠিন ছিল, তখন আপনারা পাশে ছিলেন না। সে ছিল, এখনও আছে। এই মুহূর্তে আমি জীবনের সবচেয়ে সুখী সময় পার করছি। আমার মুখে, অভিনয়ে, সিনেমায় এবং জীবনযাপনে সেই আনন্দ দেখতে পাবেন বলে আশা করি। আমি সুখী, পরিতৃপ্ত এবং কৃতজ্ঞ।’

তবে নিজের সমালোচনা মেনে নিলেও পরিবারকে নিয়ে অযাচিত মন্তব্যের বিরোধিতা করেছেন অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, ‘আমাকে নিয়ে যত খুশি সমালোচনা করুন, আমি সামলে নিতে পারব। কিন্তু আমার পরিবারকে না জেনে তাদের নিয়ে কথা বলা নারীবাদ নয়। এটা নারীবাদের মুখোশে বুলিং।’

রাশমিকার মতে, নারীবাদ কখনো অন্য কাউকে ছোট করা কিংবা নারী-পুরুষের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠার বিষয় ছিল না। বরং নিজের জীবন নিজের পছন্দ অনুযায়ী বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা এবং সেই জীবনের দায়িত্ব নেওয়াই এর মূল কথা।

এদিকে অনলাইনে সমালোচনার জবাবে বিজয়ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। ভিডিওটিতে সাক্ষাৎকারের সময় তার আচরণ বিশ্লেষণ করা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের নিয়ে ঠাট্টা করা হয়েছে!

হাসির ইমোজিসহ ভিডিওটি শেয়ার করে বিজয় লেখেন, ‘আঞ্চলিক ভাষায় সাবটাইটেল দরকার।’

পরে রাশমিকার সঙ্গে একটি ছবিও প্রকাশ করেন বিজয়। ক্যাপশনে লেখেন, ‘যারা আমাদের নিয়ে চিন্তিত, তাদের জানিয়ে রাখি, আমরা দুজনই দারুণ সুখী। আমি ভাগ্যবান। আমি আর সে যদি পুরো পৃথিবীর বিপক্ষেও থাকি, তাতেও সমস্যা নেই।’ টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া