ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
রোনালদো প্রতারিত হয়েছেন, বোনের বিস্ফোরক দাবি জলবায়ুর অভিঘাত মোকাবিলায় সহনশীল অর্থনীতির তাগিদ পরিবেশমন্ত্রীর হুতির হামলায় সৌদির ফ্লাইটে ব্যাঘাত, বিড়ম্বনায় পবিত্র ওমরাহ যাত্রীরা চলনবিল পাখির কলকাকলীতে মুখরিত ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ড দারিদ্র্য নিরসন ও মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে: বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ ‘হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড’পেলেন ড. ইউনূস, দাঁড়িয়ে সম্মান ৪০০ অতিথির সৌদিতে এআই হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন ইবি শিক্ষার্থীর দল দুর্গাপূজাকে ঘিরে নাশকতার কোনো আশঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে নম্বরপ্লেট লাগানোর নির্দেশ তরুণদের নেতৃত্বেই গড়ে উঠবে আগামী দিনের সুন্দর বাংলাদেশ : ডেপুটি স্পিকার

বাংলাদেশের মতো সহিংসতার মাধ্যমে’ সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে আন্দোলনকারীরা: রাজনাথ সিং

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০২:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আন্দোলনের জেরে কংগ্রেস ও তাদের মিত্রদের আক্রমণ করে ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, আন্দোলনকারীরা দেশে ‘সহিংসতা ছড়িয়ে সরকার পরিবর্তন’ করতে চায়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) লক্ষ্ণৌতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সহিংসতার মাধ্যমে বাংলাদেশ মডেলে সরকার পরির্তন করতে চায় কংগ্রেস। তাদের এই আন্দোলন জ্ঞানেশ কুমার কিংবা এসআইআরের (ভোটার তালিকা সংশোধন) বিরুদ্ধে নয়, বরং সরকার পতনের লক্ষ্যে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।’

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনাথ অভিযোগ করেন, ‘দেশের যুবসমাজকে অরাজক রাজনীতির দাবার ঘুঁটি বানানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

রাজনাথ আন্দোলনকারীদের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে দাবি করেন, তারা প্রকাশ্যে বলছে, সরকার পরিবর্তনের জন্য তারা বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। অন্য আরেকজন রাজপথের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানোর কথা বলছে। এ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

রাজনাথ সিং অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকাকালে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের ‘হাতের পুতুল’ বানিয়ে রেখেছিল কংগ্রেস। তিনি বলেন, ‘১৯৯৩ সালে কংগ্রেস রাতারাতি নির্বাচন কমিশনে পরিবর্তন এনেছিল। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে সে সময়কার নির্বাচন কমিশনার নবীন চাওলাকে অপসারণের সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু কংগ্রেস তাকে পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদে উন্নীত করেছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯৩ সালের আগে কোনো ভোটার আইডি কার্ড ছিল না। ভোটারদের পরিচয় প্রমাণের মতো কিছুই ছিল না। ভোটার আইডি কার্ড চালু হওয়ার পর থেকে কংগ্রেস আর এককভাবে সরকার গঠন করতে পারেনি।’

প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, এসআইআর এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের এই বিক্ষোভ মূলত ভোটার তালিকা নিয়ে নয়, বরং স্বাধীনভাবে কাজ করা সাংবিধানিক ‘প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার একটি অপচেষ্টা।’

লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস এমপি রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে তিনি বলেন, রাহুলের বোঝা উচিত যে গণতন্ত্র কাউকে সহিংসতার আশ্রয় নেওয়ার অধিকার দেয় না। রাজনাথ যোগ করেন, ‘রাহুল বিশৃঙ্খলার রাজনীতি করছেন।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রোনালদো প্রতারিত হয়েছেন, বোনের বিস্ফোরক দাবি

বাংলাদেশের মতো সহিংসতার মাধ্যমে’ সরকার পরিবর্তনের ষড়যন্ত্র করছে আন্দোলনকারীরা: রাজনাথ সিং

আপডেট টাইম : ০২:৫৭:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক আন্দোলনের জেরে কংগ্রেস ও তাদের মিত্রদের আক্রমণ করে ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছেন, আন্দোলনকারীরা দেশে ‘সহিংসতা ছড়িয়ে সরকার পরিবর্তন’ করতে চায়।

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) লক্ষ্ণৌতে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সহিংসতার মাধ্যমে বাংলাদেশ মডেলে সরকার পরির্তন করতে চায় কংগ্রেস। তাদের এই আন্দোলন জ্ঞানেশ কুমার কিংবা এসআইআরের (ভোটার তালিকা সংশোধন) বিরুদ্ধে নয়, বরং সরকার পতনের লক্ষ্যে গণতন্ত্রের বিরুদ্ধেই এই প্রতিবাদ।’

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনাথ অভিযোগ করেন, ‘দেশের যুবসমাজকে অরাজক রাজনীতির দাবার ঘুঁটি বানানোর অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

রাজনাথ আন্দোলনকারীদের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত দিয়ে দাবি করেন, তারা প্রকাশ্যে বলছে, সরকার পরিবর্তনের জন্য তারা বাংলাদেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছে। অন্য আরেকজন রাজপথের অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরকারের পতন ঘটানোর কথা বলছে। এ থেকে স্পষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে, তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য হলো গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করা এবং দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা।

রাজনাথ সিং অভিযোগ করেন, ক্ষমতায় থাকাকালে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের ‘হাতের পুতুল’ বানিয়ে রেখেছিল কংগ্রেস। তিনি বলেন, ‘১৯৯৩ সালে কংগ্রেস রাতারাতি নির্বাচন কমিশনে পরিবর্তন এনেছিল। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে সে সময়কার নির্বাচন কমিশনার নবীন চাওলাকে অপসারণের সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু কংগ্রেস তাকে পরবর্তীতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদে উন্নীত করেছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯৩ সালের আগে কোনো ভোটার আইডি কার্ড ছিল না। ভোটারদের পরিচয় প্রমাণের মতো কিছুই ছিল না। ভোটার আইডি কার্ড চালু হওয়ার পর থেকে কংগ্রেস আর এককভাবে সরকার গঠন করতে পারেনি।’

প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেন, এসআইআর এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের এই বিক্ষোভ মূলত ভোটার তালিকা নিয়ে নয়, বরং স্বাধীনভাবে কাজ করা সাংবিধানিক ‘প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার একটি অপচেষ্টা।’

লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেস এমপি রাহুল গান্ধীর উদ্দেশে তিনি বলেন, রাহুলের বোঝা উচিত যে গণতন্ত্র কাউকে সহিংসতার আশ্রয় নেওয়ার অধিকার দেয় না। রাজনাথ যোগ করেন, ‘রাহুল বিশৃঙ্খলার রাজনীতি করছেন।’