জানুয়ারি মাসকে টার্গেট করে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আয়োজন করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্থানীয় ভোট উপলক্ষে হাঁস-টর্চলাইটসহ ৪২টি প্রতীকও চূড়ান্ত করেছে ইসি।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বর বাদ দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করার চিন্তা করছে নির্বাচন কমিশন। বার্ষিক পরীক্ষা থাকায় নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভোট হবে না। পরীক্ষা শেষে জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হবে আশা করি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) নির্বাচন ভবনের নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের কাছে এমন আশার কথা জানান তিনি। আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা যুক্ত থাকেন। তাই এই সময় নির্বাচন করা কঠিন।
ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জন্য চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য এবং সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের জন্য মোট ৪২টি নির্বাচনি প্রতীক চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদের সই করা প্রজ্ঞাপনে চেয়ারম্যান পদের জন্য মোট ২০টি, সাধারণ সদস্য পদের জন্য ১২টি এবং সংরক্ষিত আসনের সদস্য প্রার্থীদের জন্য ১০টি প্রতীক চূড়ান্ত করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে এবার যেসব প্রতীক থাকবে সেগুলো হলো—কম্পিউটার, কলার ছড়ি, ঘণ্টা, ঘোড়া, চিংড়ি, জগ, টেবিল, টেবিলঘড়ি, টেলিফোন, দালান, দোতলা বাস, পাগড়ি, বেবিট্যাক্সি, ময়ূর, মোবাইল ফোন, মোটরসাইকেল, মোড়া, রেল ইঞ্জিন, সোফা ও হাঁস।
সাধারণ সদস্য পদের জন্য সংরক্ষিত প্রতীকগুলো হলো—উট, কাপ–পিরিচ, ঘুড়ি, জাহাজ, টর্চলাইট, টিউবওয়েল, ট্রাক্টর, তালা, ফুটবল, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব ও মোরগ।
সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদের জন্য সংরক্ষিত প্রতীকগুলো হলো—আলমারি, কলস, ড্রেসিং টেবিল, পালকি, ফলের ঝুড়ি, মাইক, সেলাই মেশিন, সূর্যমুখী ফুল, হরিণ ও হেলিকপ্টার।
ইসি জানিয়েছে, তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নির্দলীয়ভাবে অনুষ্ঠিত হবে, যার অর্থ হলো নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতীক থাকবে না।
এর আগে, ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচন দলীয় প্রতীকে অনুষ্ঠিত হতো। সংশ্লিষ্ট আইন সংশোধনের পর নির্বাচনি বিধিমালা থেকে দলীয় প্রতীক সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
Reporter Name 

























