ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

পে স্কেলে আইবাস++এ ‘পে ফিক্সেশন’ করবেন যেভাবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার
দীর্ঘ অপেক্ষার পর নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে।

শিগগিরই সরকারি চাকরিজীবীরা আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে নতুন বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’ করতে পারবেন।অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, পে ফিক্সেশনের জন্য সরকারি কর্মচারীদের আইবাস প্লাস প্লাসের নির্ধারিত অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। তথ্য জমা দেওয়ার আগেই সিস্টেমে নির্ধারিত নতুন মূল বেতনের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে।

গেজেটেড কর্মকর্তারা নিজেদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করবেন।

আর নন-গেজেটেড কর্মচারীরা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ ব্যবহার করে লগইন করতে পারবেন। এরপর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপির মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।বিদেশে অবস্থানরত কর্মচারীদের ক্ষেত্রে আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানায় ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে। কোনো কর্মচারীর এনআইডি না থাকলে প্রথমে তাঁকে এনআইডির জন্য নিবন্ধন করতে হবে।

পে ফিক্সেশনের তথ্য জমা দেওয়ার পর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর তথ্য যাচাইয়ের জন্য তা সংশ্লিষ্ট ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের (ডিডিও) কাছে পাঠানো হবে।

গেজেটেড কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ডিডিও বেতন নির্ধারণী বিবরণী সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন। আর নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বহি অনুযায়ী আগের চাকরি ও বেতনের তথ্য যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করবেন ডিডিও।

এরপর হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে তথ্য যাচাই করে অনুমোদন দেবে।

অনুমোদনের পর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না। তবে সার্ভিস বহিতে ভেরিফিকেশন নম্বর ও নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর করতে হবে।অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত বেতন নির্ধারণ এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। তবে পে ফিক্সেশনের সময় তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের সতর্ক থাকতে হবে। ভুল তথ্য দেওয়া হলে পরবর্তী যাচাইয়ের সময় তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদেও অনলাইনে বেতন নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর

পে স্কেলে আইবাস++এ ‘পে ফিক্সেশন’ করবেন যেভাবে

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দীর্ঘ অপেক্ষার পর নবম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণের পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে।

শিগগিরই সরকারি চাকরিজীবীরা আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করে নতুন বেতন নির্ধারণ বা ‘পে ফিক্সেশন’ করতে পারবেন।অর্থ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী, পে ফিক্সেশনের জন্য সরকারি কর্মচারীদের আইবাস প্লাস প্লাসের নির্ধারিত অপশনে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। তথ্য জমা দেওয়ার আগেই সিস্টেমে নির্ধারিত নতুন মূল বেতনের পরিমাণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে।

গেজেটেড কর্মকর্তারা নিজেদের ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে আইবাস প্লাস প্লাসে প্রবেশ করবেন।

আর নন-গেজেটেড কর্মচারীরা জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নম্বর ও জন্মতারিখ ব্যবহার করে লগইন করতে পারবেন। এরপর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে পাঠানো ওটিপির মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে।বিদেশে অবস্থানরত কর্মচারীদের ক্ষেত্রে আইবাস প্লাস প্লাসে নিবন্ধিত ই-মেইল ঠিকানায় ওটিপি পাঠানোর ব্যবস্থা থাকবে। কোনো কর্মচারীর এনআইডি না থাকলে প্রথমে তাঁকে এনআইডির জন্য নিবন্ধন করতে হবে।

পে ফিক্সেশনের তথ্য জমা দেওয়ার পর নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে এসএমএস পাঠানো হবে। এরপর তথ্য যাচাইয়ের জন্য তা সংশ্লিষ্ট ড্রইং অ্যান্ড ডিসবার্সিং অফিসারের (ডিডিও) কাছে পাঠানো হবে।

গেজেটেড কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে ডিডিও বেতন নির্ধারণী বিবরণী সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ অফিসে পাঠাবেন। আর নন-গেজেটেড কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সার্ভিস বহি অনুযায়ী আগের চাকরি ও বেতনের তথ্য যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করবেন ডিডিও।

এরপর হিসাবরক্ষণ অফিস অনলাইনে তথ্য যাচাই করে অনুমোদন দেবে।

অনুমোদনের পর সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ভেরিফিকেশন নম্বর তৈরি করবে। এ ক্ষেত্রে হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার ম্যানুয়াল স্বাক্ষরের প্রয়োজন হবে না। তবে সার্ভিস বহিতে ভেরিফিকেশন নম্বর ও নির্ধারিত বেতন লিপিবদ্ধ করে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে স্বাক্ষর করতে হবে।অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত বেতন নির্ধারণ এবং তথ্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে নেওয়া হচ্ছে। তবে পে ফিক্সেশনের সময় তথ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারীদের সতর্ক থাকতে হবে। ভুল তথ্য দেওয়া হলে পরবর্তী যাচাইয়ের সময় তা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে।

এর আগে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’-এর ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদেও অনলাইনে বেতন নির্ধারণের বিধান রাখা হয়েছে।