ঢাকা ১১:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় প্রতিবন্ধী স্কুল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য সরকারের : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ক্যানসার চিকিৎসায় ৩৬ কোটি অনুদান মেসির চুক্তিতে সেতু বিভাগের সচিব হলেন আবদুর রউফ নিউইয়র্কের পথে ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত স্পিকার ও ইসির : শিশির মনির ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাক্ষাৎ হতে পারে জাতিসংঘ সম্মেলনের সাইডলাইনে পাকিস্তান-চীনের নতুন সীমান্ত চুক্তিতে ভারত কেন ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ সফর পৃথিবীর ইতিহাসে বিশেষ মুহূর্ত: মাহদী আমিন দুই মাসে এডিপি বাস্তবায়ন ২ শতাংশেরও নিচে

জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২ বার

প্রতিভাবান খুদে শিল্পী অন্বেষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৪তম জাতীয় শিশুশিল্পী প্রতিযোগিতা ‘শাপলাকুঁড়ি ২০২৬’। সোমবার শুরু হয় দুই দিনের এই আয়োজন।

প্রথম ধাপে ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ জোনের প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই আমরা’ প্রতিপাদ্যের এই আয়োজনে কিরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীত—এই ছয়টি বিষয়ে প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

‎‎জিয়া শিশু একাডেমি সূত্র জানায়, দেশের ১২টি অঞ্চলের প্রাথমিক বিজয়ীরা মূল পর্বে সুযোগ পাবে। বিষয়ভিত্তিক নির্বাচনে থাকছে ১৫টি একক ও তিনটি দলীয় বিভাগ। একজন সর্বোচ্চ তিনটি একক ও একটি দলীয় বিষয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি সামগ্রিক শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে দুটি বিভাগে দুজন ‘শাপলাকুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন’ নির্বাচিত হবে।

রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি ভবনের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে এই আয়োজনের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ সময় তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ পরিচালনা করবে এবং বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক চাওয়া ও সুপ্ত প্রতিভাকে বাধা না দিয়ে তা সৃজনশীলভাবে লালন করা উচিত। চঞ্চল ও দুরন্ত শিশুরা একদিন তাদের অর্জিত শিক্ষা ও প্রতিভার গুণে দেশকে বিশ্বমঞ্চে গর্বিত করবে।

‎শিশুদের পাখির সঙ্গে তুলনা করে গয়েশ্বর বলেন, ছোট ছোট পাখিরা যেমন উড়াউড়ি করে এক ডাল থেকে আরেক ডালে যায়, ঠিক ওদের বয়সটা কিন্তু এরকমই। শিশুকে ঘুরতে দিলে জানা যাবে সে কী করতে চায়। সে যদি ক্লাসিক্যাল সুর পছন্দ করে, তাহলে বুঝতে হবে ওর গানের প্রতি আগ্রহ আছে। ও যদি খেলার মাঠে যায়, তাহলে বুঝতে হবে খেলা ওকে আকর্ষণ করে।

‎আয়োজকেরা জানান, ১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ‘নতুনকুঁড়ি’ ও জাতীয় সংবর্ধনা বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে ছোট্ট জাইমা রহমানের (ব্যারিস্টার জাইমা রহমান) আবৃত্তি দিয়ে ১৯৯৯ সালে ‘শাপলাকুঁড়ি’র পথচলা শুরু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ১৪তম আসর হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু

জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে ‎‘শাপলাকুঁড়ি’র প্রাথমিক বাছাই শুরু

আপডেট টাইম : ১০:২০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রতিভাবান খুদে শিল্পী অন্বেষণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জিয়া শিশু একাডেমির আয়োজনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ১৪তম জাতীয় শিশুশিল্পী প্রতিযোগিতা ‘শাপলাকুঁড়ি ২০২৬’। সোমবার শুরু হয় দুই দিনের এই আয়োজন।

প্রথম ধাপে ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ জোনের প্রাথমিক বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

‘যেখানে প্রতিভা, সেখানেই আমরা’ প্রতিপাদ্যের এই আয়োজনে কিরাত, আবৃত্তি, অভিনয়, সংগীত, নৃত্য ও যন্ত্রসংগীত—এই ছয়টি বিষয়ে প্রতিযোগিতার প্রাথমিক বাছাই অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

‎‎জিয়া শিশু একাডেমি সূত্র জানায়, দেশের ১২টি অঞ্চলের প্রাথমিক বিজয়ীরা মূল পর্বে সুযোগ পাবে। বিষয়ভিত্তিক নির্বাচনে থাকছে ১৫টি একক ও তিনটি দলীয় বিভাগ। একজন সর্বোচ্চ তিনটি একক ও একটি দলীয় বিষয়ে প্রতিযোগিতা করতে পারবে।

প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণের পাশাপাশি সামগ্রিক শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে দুটি বিভাগে দুজন ‘শাপলাকুঁড়ি চ্যাম্পিয়ন’ নির্বাচিত হবে।

রাজধানীর কাকরাইলস্থ আইডিইবি ভবনের মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি মিলনায়তনে এই আয়োজনের উদ্বোধনীতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ সময় তিনি বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশ পরিচালনা করবে এবং বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে। তাই ছোটবেলা থেকেই শিশুদের মনস্তাত্ত্বিক চাওয়া ও সুপ্ত প্রতিভাকে বাধা না দিয়ে তা সৃজনশীলভাবে লালন করা উচিত। চঞ্চল ও দুরন্ত শিশুরা একদিন তাদের অর্জিত শিক্ষা ও প্রতিভার গুণে দেশকে বিশ্বমঞ্চে গর্বিত করবে।

‎শিশুদের পাখির সঙ্গে তুলনা করে গয়েশ্বর বলেন, ছোট ছোট পাখিরা যেমন উড়াউড়ি করে এক ডাল থেকে আরেক ডালে যায়, ঠিক ওদের বয়সটা কিন্তু এরকমই। শিশুকে ঘুরতে দিলে জানা যাবে সে কী করতে চায়। সে যদি ক্লাসিক্যাল সুর পছন্দ করে, তাহলে বুঝতে হবে ওর গানের প্রতি আগ্রহ আছে। ও যদি খেলার মাঠে যায়, তাহলে বুঝতে হবে খেলা ওকে আকর্ষণ করে।

‎আয়োজকেরা জানান, ১৯৯৮ সালে শেখ হাসিনা সরকার কর্তৃক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান প্রবর্তিত ‘নতুনকুঁড়ি’ ও জাতীয় সংবর্ধনা বন্ধের পরিপ্রেক্ষিতে ছোট্ট জাইমা রহমানের (ব্যারিস্টার জাইমা রহমান) আবৃত্তি দিয়ে ১৯৯৯ সালে ‘শাপলাকুঁড়ি’র পথচলা শুরু হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় এবার ১৪তম আসর হচ্ছে।