ঢাকা ১০:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপহার কেনার আগে যে ৭টি বিষয় মনে রাখা জরুরি চীনে ৩০ দেশের রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের গণমাধ্যম সহযোগিতা সেমিনার আগামী বছরের জানুয়ারিতে হতে পারে ইউপি নির্বাচন: ইসি মাছউদ জাতিসংঘে বাংলাদেশের নতুন গণতান্ত্রিক যাত্রা ও রোহিঙ্গা সংকট তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারে বাড়ল ২০ টাকা ইমরান খানের বোনকে গ্রেপ্তার, ২৭ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভ ঘিরে উত্তেজনা চীনা নাগরিকের ২.৫ কেজি সোনা উদ্ধার, আনসারের বিচক্ষণতায় পাচারচেষ্টা নস্যাৎ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় এমপি নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী বিতর্কিত নেক্সাস বই ফেরত নেয়ায় ধন্যবাদ দায়ি ব্যক্তিদের শনাক্ত শাস্তির আওতায় আনতে হবে: ইসলামী দলের নেতৃবৃন্দ

ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে ১৫ কৃষিবিদ বন্ধুর ৪৫ বিঘার নিরাপদ ফলের বাগান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬
  • ৮৬ বার

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্বপ্ন, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আর ছোট ছোট সঞ্চয় এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে নিরাপদ ফল উৎপাদনের এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। চাকরি জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন কৃষিবিদ বন্ধু প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছা থাকলে নির্মাণ হতে পারে সবুজ এক সফলতার গল্প।

দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থায় কর্মরত এই ১৫ বন্ধু গড়ে তুলেছেন ‘গ্রোয়ার্স গ্রুপ’। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৪৫ বিঘা জমিজুড়ে তাদের তিনটি আধুনিক মিশ্র ফলের বাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি প্রায় ১০ জাতের আম, ড্রাগন, আনার, মাল্টা, চায়না কমলা, লংগানসহ নানা ফল।

তাদের বাগানে মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ, জৈবসারের ব্যবহার, ইয়েলো স্টিকি ট্র্যাপ ও ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন করা হচ্ছে নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফল। এতে যেমন উৎপাদন ব্যয় কমেছে, তেমনি বেড়েছে ফলের গুণগত মান।

শুধু ব্যবসা নয়, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের এই মডেল অন্য কৃষকদের কাছেও ছড়িয়ে দিতে চান উদ্যোক্তারা। তাদের এই উদ্যোগে কাজ করে আধুনিক ও জৈব কৃষি সম্পর্কে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন শ্রমিকরাও। নিরাপদ ফলের গুণগত মানে সন্তুষ্ট ক্রেতারাও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখা একটি স্বপ্ন আজ বাস্তবের সবুজ অধ্যায়। বন্ধুত্ব, বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি আর পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগ এখন নিরাপদ ফল উৎপাদনের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। আর ছোট ছোট সঞ্চয়, কৃষিবিষয়ক জ্ঞান আর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের শক্তিতে গড়ে ওঠা এই ফলের বাগান দেখিয়ে দিচ্ছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন শুধু সম্ভবই নয়, তা হতে পারে আগামী দিনের টেকসই কৃষিরও নতুন পথ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার আ.লীগের অপতৎপরতায় শঙ্কিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ক্ষুদ্র সঞ্চয়ে ১৫ কৃষিবিদ বন্ধুর ৪৫ বিঘার নিরাপদ ফলের বাগান

আপডেট টাইম : ০১:১৯:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের স্বপ্ন, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব আর ছোট ছোট সঞ্চয় এই তিনের সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে নিরাপদ ফল উৎপাদনের এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। চাকরি জীবনের ব্যস্ততার মাঝেও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫ জন কৃষিবিদ বন্ধু প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছা থাকলে নির্মাণ হতে পারে সবুজ এক সফলতার গল্প।

দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা সংস্থায় কর্মরত এই ১৫ বন্ধু গড়ে তুলেছেন ‘গ্রোয়ার্স গ্রুপ’। চাঁপাইনবাবগঞ্জের নাচোল ও নওগাঁর নিয়ামতপুরে ৪৫ বিঘা জমিজুড়ে তাদের তিনটি আধুনিক মিশ্র ফলের বাগানে রয়েছে দেশি-বিদেশি প্রায় ১০ জাতের আম, ড্রাগন, আনার, মাল্টা, চায়না কমলা, লংগানসহ নানা ফল।

তাদের বাগানে মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ, জৈবসারের ব্যবহার, ইয়েলো স্টিকি ট্র্যাপ ও ফ্রুট ব্যাগিং প্রযুক্তির মাধ্যমে উৎপাদন করা হচ্ছে নিরাপদ ও বিষমুক্ত ফল। এতে যেমন উৎপাদন ব্যয় কমেছে, তেমনি বেড়েছে ফলের গুণগত মান।

শুধু ব্যবসা নয়, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের এই মডেল অন্য কৃষকদের কাছেও ছড়িয়ে দিতে চান উদ্যোক্তারা। তাদের এই উদ্যোগে কাজ করে আধুনিক ও জৈব কৃষি সম্পর্কে নতুন অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন শ্রমিকরাও। নিরাপদ ফলের গুণগত মানে সন্তুষ্ট ক্রেতারাও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দেখা একটি স্বপ্ন আজ বাস্তবের সবুজ অধ্যায়। বন্ধুত্ব, বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি আর পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা এই উদ্যোগ এখন নিরাপদ ফল উৎপাদনের অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। আর ছোট ছোট সঞ্চয়, কৃষিবিষয়ক জ্ঞান আর দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের শক্তিতে গড়ে ওঠা এই ফলের বাগান দেখিয়ে দিচ্ছে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন শুধু সম্ভবই নয়, তা হতে পারে আগামী দিনের টেকসই কৃষিরও নতুন পথ।