ইসরায়েলের রাতভর চালানো এক হামলায় ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। চরম সংকটময় এক মুহূর্তে তার এই নিহতের খবর এলো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।
ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই ধর্মীয় নেতার ছিল গভীর প্রভাব। তার দীর্ঘ কর্মজীবন বিস্তৃত ছিল ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) ও দেশটির বিচার বিভাগে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগে ২০২২ সালে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ ইসমাইল খাতিবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।
ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। মোজতবা হলেন প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, খাতিবের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ছিল ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনামলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা, যা সরকারের দমন-পীড়ন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করেছে।’ আইডিএফ আরও জানিয়েছে, এই মন্ত্রণালয়ের হাতে ‘উন্নত গোয়েন্দা সক্ষমতা রয়েছে। তারা বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইসরায়েল রাষ্ট্র ও খোদ ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে নজরদারি, গুপ্তচরবৃত্তি ও গোপন অভিযান পরিচালনার কাজ তদারকি করে থাকে।’
এমন এক সময়ে খাতিবের নিহতের এই খবর এলো, যখন ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায় থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হারানো হচ্ছে। এর আগে আলী লারিজানি (যিনি আলী খামেনির পর নিহত হওয়া সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ নেতা ও শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ) এবং বাসিজ কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানিসহ আধা সামরিক বাহিনীর আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিহত হন। ইসমাইল খাতিবের মৃত্যু ইরানের মূল নেতৃত্বকে আরও একটি বড় ধাক্কা দিল।
Reporter Name 
























