ঢাকা ০২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে নেপালে আকস্মিক বন্যায় নিহত বেড়ে ৬২৩, নিখোঁজ ২৪৮২ অটোরিকশাচালক থেকে কোটিপতি, আ.লীগ পুনর্বাসনের কারিগর কে এই ফিরোজ জেনে নিন বিনাখরচে কিভাবে মালয়েশিয়ায় যাওয়া যাবে নেপালে শুটিংয়ে গিয়ে তাণ্ডবের মুখোমুখি অপু, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা ৪২ কি.মি. যানজট: ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে আটকা শত শত গাড়ি ২৮ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সব উপজেলায় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের নির্দেশ এনসিপির সারা দেশে বিশেষ অভিযানের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আইরিন খান ১০১ মণের ‘বরকতি ড্যাগের’ খিচুড়ি, খেলেই নাকি রোগমুক্তি ও সন্তান লাভ

কে এই ইসমাইল খাতিব

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৭৯ বার

ইসরায়েলের রাতভর চালানো এক হামলায় ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। চরম সংকটময় এক মুহূর্তে তার এই নিহতের খবর এলো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই ধর্মীয় নেতার ছিল গভীর প্রভাব। তার দীর্ঘ কর্মজীবন বিস্তৃত ছিল ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) ও দেশটির বিচার বিভাগে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগে ২০২২ সালে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ ইসমাইল খাতিবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। মোজতবা হলেন প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, খাতিবের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ছিল ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনামলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা, যা সরকারের দমন-পীড়ন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করেছে।’ আইডিএফ আরও জানিয়েছে, এই মন্ত্রণালয়ের হাতে ‘উন্নত গোয়েন্দা সক্ষমতা রয়েছে। তারা বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইসরায়েল রাষ্ট্র ও খোদ ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে নজরদারি, গুপ্তচরবৃত্তি ও গোপন অভিযান পরিচালনার কাজ তদারকি করে থাকে।’

এমন এক সময়ে খাতিবের নিহতের এই খবর এলো, যখন ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায় থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হারানো হচ্ছে। এর আগে আলী লারিজানি (যিনি আলী খামেনির পর নিহত হওয়া সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ নেতা ও শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ) এবং বাসিজ কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানিসহ আধা সামরিক বাহিনীর আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিহত হন। ইসমাইল খাতিবের মৃত্যু ইরানের মূল নেতৃত্বকে আরও একটি বড় ধাক্কা দিল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

স্থানীয় সরকার নির্বাচন একক প্রার্থী নির্ধারণে প্রস্তুতি বিএনপিতে

কে এই ইসমাইল খাতিব

আপডেট টাইম : ০১:০০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

ইসরায়েলের রাতভর চালানো এক হামলায় ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রী ইসমাইল খাতিব নিহত হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। ২০২১ সালের আগস্ট মাসে ইরানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছিলেন। চরম সংকটময় এক মুহূর্তে তার এই নিহতের খবর এলো। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

ইরানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এই ধর্মীয় নেতার ছিল গভীর প্রভাব। তার দীর্ঘ কর্মজীবন বিস্তৃত ছিল ইসলামি বিপ্লবী বাহিনী (আইআরজিসি) ও দেশটির বিচার বিভাগে। যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের লক্ষ্য করে সাইবার হামলা চালানোর অভিযোগে ২০২২ সালে মার্কিন রাজস্ব বিভাগ ইসমাইল খাতিবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, তিনি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। মোজতবা হলেন প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) দাবি, খাতিবের নেতৃত্বাধীন গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ছিল ‘ইরানের সন্ত্রাসী শাসনামলের প্রধান গোয়েন্দা সংস্থা, যা সরকারের দমন-পীড়ন ও সন্ত্রাসী কার্যক্রমে মূল ভূমিকা পালন করেছে।’ আইডিএফ আরও জানিয়েছে, এই মন্ত্রণালয়ের হাতে ‘উন্নত গোয়েন্দা সক্ষমতা রয়েছে। তারা বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইসরায়েল রাষ্ট্র ও খোদ ইরানি নাগরিকদের বিরুদ্ধে নজরদারি, গুপ্তচরবৃত্তি ও গোপন অভিযান পরিচালনার কাজ তদারকি করে থাকে।’

এমন এক সময়ে খাতিবের নিহতের এই খবর এলো, যখন ইরানের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা কাঠামোর শীর্ষ পর্যায় থেকে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিকে হারানো হচ্ছে। এর আগে আলী লারিজানি (যিনি আলী খামেনির পর নিহত হওয়া সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ নেতা ও শাসনব্যবস্থার অন্যতম প্রধান স্তম্ভ) এবং বাসিজ কমান্ডার গোলামরেজা সোলেইমানিসহ আধা সামরিক বাহিনীর আরও কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিহত হন। ইসমাইল খাতিবের মৃত্যু ইরানের মূল নেতৃত্বকে আরও একটি বড় ধাক্কা দিল।