ঢাকা ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ করল যুক্তরাষ্ট্র, বিনা শুল্কে তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রতিশ্রুতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩০ বার

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। নতুন এই চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নির্ধারণ করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে তৈরি নির্দিষ্ট কিছু টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় নয় মাস ধরে এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং উভয় দেশের বাজারে পারস্পরিক প্রবেশাধিকার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নির্ধারণ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যর ওপর ৩৭ শতাংশ করেছিল, তবে সেটি পরে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়।

চুক্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে বাংলাদেশে তৈরি নির্দিষ্ট কিছু টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, শুল্কহার কমানোর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন এবং নির্দিষ্ট পোশাকপণ্যের ওপর শূন্য শুল্ক সুবিধা দেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় চুক্তিটি অনুমোদিত হয়েছে। উভয় দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির পর এটি কার্যকর হবে।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডান লিঞ্চ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক কমিয়ে ১৯ শতাংশ করল যুক্তরাষ্ট্র, বিনা শুল্কে তৈরি পোশাক রপ্তানির প্রতিশ্রুতি

আপডেট টাইম : ১১:৪৩:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। নতুন এই চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নির্ধারণ করেছে। এ ছাড়া বাংলাদেশে তৈরি নির্দিষ্ট কিছু টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

আজ সোমবার বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ অ্যাম্বাসেডর জেমিসন গ্রিয়ার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। গত বছরের এপ্রিল থেকে প্রায় নয় মাস ধরে এ বিষয়ে আলোচনা চলছিল।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিন বলেন, এই চুক্তি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে এবং উভয় দেশের বাজারে পারস্পরিক প্রবেশাধিকার উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াবে।

চুক্তি অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র পারস্পরিক শুল্কহার ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশে নির্ধারণ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যর ওপর ৩৭ শতাংশ করেছিল, তবে সেটি পরে কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়।

চুক্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু ব্যবহার করে বাংলাদেশে তৈরি নির্দিষ্ট কিছু টেক্সটাইল ও পোশাকপণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেন, শুল্কহার কমানোর ফলে বাংলাদেশের রপ্তানিকারকেরা অতিরিক্ত সুবিধা পাবেন এবং নির্দিষ্ট পোশাকপণ্যের ওপর শূন্য শুল্ক সুবিধা দেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন গতি সঞ্চার করবে।

সোমবার উপদেষ্টা পরিষদের সভায় চুক্তিটি অনুমোদিত হয়েছে। উভয় দেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারির পর এটি কার্যকর হবে।

স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডান লিঞ্চ উপস্থিত ছিলেন।