ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৬৫ বার

পাকিস্তানের আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবর দ্য ডন ও আরব নিউজ।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোববার বিকেল ৪টায় মীরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আজাদ কাশ্মীরের রাজনীতি ও কাশ্মীর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ। তার মৃত্যুতে শুধু আজাদ কাশ্মীর নয়, পাকিস্তানের রাজনীতিতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০২১ সালে তিনি এজেকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি একাধিকবার আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুলতান মাহমুদ চৌধুরী আজাদ কাশ্মীরের জনগণের সেবায় সারাজীবন কাজ করেছেন এবং কাশ্মীর ইস্যুতে তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা।

১৯৫৫ সালের ৯ আগস্ট মীরপুরের চিচিয়ান গ্রামে জন্ম নেওয়া সুলতান মাহমুদ চৌধুরী রাওয়ালপিন্ডিতে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাজ্যে গিয়ে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে দেশে ফিরে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুসলিম কনফারেন্স, পাকিস্তান পিপলস পার্টির এজেকে শাখা ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের এজেকে শাখার নেতৃত্বও দেন তিনি।

এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। লন্ডন, নিউইয়র্ক, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ বিভিন্ন শহরে তিনি বিক্ষোভ ও কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। তিনি একমাত্র এজেকে নেতা যিনি ভারত-শাসিত কাশ্মীর সফরের অনুমতি পেয়েছিলেন এবং শ্রীনগরের লালচকে জনসভায় বক্তব্য দেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

প্রেসিডেন্ট সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন

আপডেট টাইম : ১১:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের আজাদ জম্মু ও কাশ্মীরের (এজেকে) প্রেসিডেন্ট ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ চৌধুরী মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই শেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (৩১ জানুয়ারি) তিনি ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। খবর দ্য ডন ও আরব নিউজ।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয়। এক বিবৃতিতে জানানো হয়, রোববার বিকেল ৪টায় মীরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আজাদ কাশ্মীরের রাজনীতি ও কাশ্মীর ইস্যুতে দৃঢ় অবস্থানের জন্য পরিচিত ছিলেন ব্যারিস্টার সুলতান মাহমুদ। তার মৃত্যুতে শুধু আজাদ কাশ্মীর নয়, পাকিস্তানের রাজনীতিতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

২০২১ সালে তিনি এজেকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেন। এর আগে তিনি একাধিকবার আজাদ কাশ্মীরের প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সুলতান মাহমুদ চৌধুরী আজাদ কাশ্মীরের জনগণের সেবায় সারাজীবন কাজ করেছেন এবং কাশ্মীর ইস্যুতে তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা।

১৯৫৫ সালের ৯ আগস্ট মীরপুরের চিচিয়ান গ্রামে জন্ম নেওয়া সুলতান মাহমুদ চৌধুরী রাওয়ালপিন্ডিতে পড়াশোনা শেষে যুক্তরাজ্যে গিয়ে আইন বিষয়ে ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৮৩ সালে দেশে ফিরে তিনি সক্রিয় রাজনীতিতে যুক্ত হন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নয়বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। মুসলিম কনফারেন্স, পাকিস্তান পিপলস পার্টির এজেকে শাখা ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের এজেকে শাখার নেতৃত্বও দেন তিনি।

এজেকে প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধরতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। লন্ডন, নিউইয়র্ক, ব্রাসেলস ও বার্লিনসহ বিভিন্ন শহরে তিনি বিক্ষোভ ও কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। তিনি একমাত্র এজেকে নেতা যিনি ভারত-শাসিত কাশ্মীর সফরের অনুমতি পেয়েছিলেন এবং শ্রীনগরের লালচকে জনসভায় বক্তব্য দেন।