ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ফিলিপাইনে তিন শতাধিক যাত্রীসহ ফেরিডুবি, নিহত অন্তত ১৫

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২ বার

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে সাড়ে তিনশো জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে গেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৫ জন। কমপক্ষে ৪৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। খবর, এএফপি’র।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামের সেই ফেরিটি।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জাহাজটিতে নথিবদ্ধ ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু ছিলেন। মধ্যরাতের পর সম্ভবত যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে ফেরিটি। কারণ ডুবে যাওয়ার মতো তেমন প্রতিকূল আবহাওয়া তখন ছিল না। যাত্রার শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়।

ফিলিপাইন দেশটি অনেক দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। দ্বীপগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগে ব্যবহার করা হতো কার্গো ও যাত্রীবাহী ফেরিটি। অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে মাছ ধরার নৌকা, নৌ বাহিনীর জাহাজ, নজরদারি বিমান, হেলিকপ্টার।

দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ জানান, আমরা এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি। তাদের মধ্যে ১৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

উল্লেখ্য, সাড়ে ১১ কোটি জনসংখ্যা ও অসংখ্য দ্বীপ অধ্যুষিত ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা বিরল ব্যাপার নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এমনকি ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে মধ্য ফিলিপাইনে একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কারের সঙ্গে সংঘর্ষে ডোনা পাজ নামে একটি ফেরি ডুবে ৪ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যা বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সামুদ্রিক বিপর্যয় হিসেবে পরিচিত।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ফিলিপাইনে তিন শতাধিক যাত্রীসহ ফেরিডুবি, নিহত অন্তত ১৫

আপডেট টাইম : ০৯:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ বাসিলানে সাড়ে তিনশো জনেরও বেশি যাত্রী নিয়ে একটি ফেরি ডুবে গেছে। এতে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৫ জন। কমপক্ষে ৪৩ জন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। খবর, এএফপি’র।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় মধ্যরাতে এ ঘটনা ঘটে। এসময় বাসিলানের জাম্বোয়াঙ্গা শহর থেকে পার্শ্ববর্তী মিন্দানাও প্রদেশের জোলো দ্বীপের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল ‘ত্রিশা কেরস্টিন ৩’ নামের সেই ফেরিটি।

কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, জাহাজটিতে নথিবদ্ধ ৩৩২ জন যাত্রী এবং ২৭ জন ক্রু ছিলেন। মধ্যরাতের পর সম্ভবত যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে ফেরিটি। কারণ ডুবে যাওয়ার মতো তেমন প্রতিকূল আবহাওয়া তখন ছিল না। যাত্রার শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই ফেরিটি ডুবে যায়।

ফিলিপাইন দেশটি অনেক দ্বীপের সমন্বয়ে গঠিত। দ্বীপগুলোর মধ্যে আন্তঃযোগাযোগে ব্যবহার করা হতো কার্গো ও যাত্রীবাহী ফেরিটি। অনুসন্ধান ও উদ্ধার তৎপরতায় যোগ দিয়েছে মাছ ধরার নৌকা, নৌ বাহিনীর জাহাজ, নজরদারি বিমান, হেলিকপ্টার।

দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের উদ্ধারকারী দলের মুখপাত্র রোনালিন পেরেজ জানান, আমরা এখন পর্যন্ত ১৩৮ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করতে পেরেছি। তাদের মধ্যে ১৮ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

উল্লেখ্য, সাড়ে ১১ কোটি জনসংখ্যা ও অসংখ্য দ্বীপ অধ্যুষিত ফিলিপাইনে ফেরি দুর্ঘটনা বিরল ব্যাপার নয়। এর আগে ২০২৩ সালে দক্ষিণ ফিলিপাইনে একটি ফেরিতে আগুন লেগে ৩০ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এমনকি ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে মধ্য ফিলিপাইনে একটি জ্বালানি ট্যাঙ্কারের সঙ্গে সংঘর্ষে ডোনা পাজ নামে একটি ফেরি ডুবে ৪ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যা বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সামুদ্রিক বিপর্যয় হিসেবে পরিচিত।