ফের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংঘাতের মুখে ইরান। চলছে একে ওপরকে হুমকি দেওয়ার পর্ব। এই আবহেই বিরাট এক তথ্য দিল ইসরাইল। সূত্রের খবর, চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন হামলার প্রস্তুতি।
মধ্যপ্রাচ্যে রণতরী, যুদ্ধবিমানসহ অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করতে আমেরিকার আর মাত্র কয়েকদিন সময় লাগবে বলেই দাবি ইসরাইলের। জনানো হয়েছে এই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের সামরিক উপস্থিতি গত আট মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্প ইরানকে শুরু থেকেই হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ইরানে হামলার চূড়ান্ত কোনো নির্দেশ দেননি, তবুও আমেরিকার বন্ধু দেশগুলির উপর পাল্টা ইরানি হামলার আশঙ্কায় ইসরাইল অভ্যন্তরীণভাবে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইসরাইলের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, বর্তমানে তারা কোনো নতুন করে জনগণের জন্য নির্দেশ জারি না করলেও পরিস্থিতির পরিবর্তন হলে তাৎক্ষণিকভাবে তা জানানো হবে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, আমেরিকা ইতিমধ্যেই বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন, গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার, ক্রুজার এবং একাধিক যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন মধ্যপ্রাচ্যের দিকে মোতায়েন করেছে। এছাড়াও ওই অঞ্চলজুড়ে আকাপথে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
ট্রাম্প আগেই নিশ্চিত করেছিলেন, একটি ‘বিশাল নৌবহর’ ইরানের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। যত সময় যাচ্ছে ততই বাড়ছে ইরানে মার্কিন হামলার আশঙ্কা। কিছুদিন আগেই ইরানের শীর্ষ নেতা জানিয়েছিলেন তাদের উপর যদি হামলা করা হয় তাহলে ট্রাম্পকেও মেরে ফেলা হবে। এই হুমকির পর পাল্টা হুমকি দিয়ে ট্রাম্পও পৃথিবী থেকে ইরানকে মুছে ফেলার হুমকি দেন।
Reporter Name 
























