ঢাকা ০৩:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনশৃঙ্খলা-দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তারেক রহমান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫ বার

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দুর্নীতি হ্রাস এই দ্ইুটা বিষয়কেই অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবার আগে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে ল অ্যান্ড অর্ডার (আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি)। অর্থাৎ মানুষ যেটা বলেছেন যে, যাতে সবাই রাস্তায় নিরাপদে থাকতে পারি, এটা নিশ্চিত করতে হবে। আর দুর্নীতি। এটি যেভাবেই হোক আমাদের এড্রেস করতে হবে। বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম দুর্নীতি আছে, আমাদের চেষ্টা করতে হবে এই দুটো জিনিসকে যদি আমরা একটু ভালো করে এড্রেস করতে পারি অন্য সমস্যাগুলো সমাধান অনেকাংশে হয়ে আসবে। এটা হচ্ছে আমার প্ল্যান।

গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানে শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কের উন্মুক্ত স্থানে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিএনপি চেয়ারম্যান তার পরিকল্পনা এভাবে ব্যক্ত করেন। এসময় জাতীয় রিল-মেকিংয়ের ১০ জন বিজয়ীদের সাথে কথা বলেন তারেক রহমান। সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিজয়ীরা তাদের নানা জিজ্ঞাসা তারেক রহমানকে করেন এবং খোলামেলা জবাবও দেন তিনি।

ফ্যামিলি কার্ড কারা পাবে, স্বামী হারা নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, সিঙ্গল মাদার যারা বিভিন্ন রকম সমস্যার মধ্যে আছেন, স্বামী ছেড়ে গেছেন দেখুন, আমার ধারণা আছে সরকারের সোশ্যাল সেফটির আওতায় ১৩৮টি প্রজেক্ট চালু হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগে আছে। এগুলো ঠিক নেই। রিসোর্স নষ্ট হচ্ছে। একজন তিনটা সাপোর্ট করছে আরেকজন একটা পাচ্ছে না। আমরা এই জিনিসটাকে একটু অর্গানাইজ করতে চাইছি থ্রু ফ্যামিলি কার্ড। আমরা এটাকে সার্বজনীন রেখেছি। যেমন- একজন কৃষকের স্ত্রীও পাবেন, একজন ভ্যান চালকের স্ত্রী উনিও পাবেন, আরেকজন অফিশিয়াল তার ওয়াইফও পাবেন।

অনলাইনে নানা নিপীড়নের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের এডুকেশন নিয়ে যে রিলটা বানিয়েছেন আপনার ওখানে কিন্তু দুইটা দিক আছে। ওখানে আপনারা বলেছেন যে, প্রাইমারি লেভেল থেকে আমরা কতগুলো কাজ করছি। আমি একটা ঘটনা বলি। আমাদের পরিচিত একটা ফ্যামিলি। ওদের একটা ছেলে আছে ১২/১৩ বছর বয়স। এটা আমি আরো পাঁচ ছয় বছর আগের কথা বলছি। একদিন ওর বাবার সাথে গাড়িতে উঠেছে কিন্তু বাবা সিট বেল্ট লাগায়নি। ছেলে বলছে বাবা তুমি সিট বেল লাগাও। বলে যে, না অল রাইট। ছেলেটা বললো, তুমি সিট বেল্ট না লাগালে টিচার বলেছেন, আমি নেমে যাব। অর্থাৎ দেখেন এটাকে আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে, এই যে সামাজিক মূল্যবোধ। এই জিনিসগুলো আমাদের স্কুলের শেখাতে হবে এবং সেই জন্যই কিন্তু আমরা প্রাইমারি এডুকেশন জোর দিতে চাচ্ছি বেশি। জোরটা নট মেকিং স্কুল বিল্ডিং, নতুন নতুন তিন তলা-চার -পাঁচ তলা স্কুল বিল্ডিং এটা আমাদের লক্ষ্য না। বরং ওই বাজেটটা দিয়ে আমরা আমাদের প্রাইমারি টিচারদেরকে মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যেই ট্রেনিংটার মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সাথে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধগুলো আছে এই জিনিসগুলো বাচ্চাদেরকে শেখাব।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই যে সাইবার বুলিং, এসিডের ঘটনা- আমরা যদি বাচ্চাদেরকে ছোটবেলা থেকে শেখাই দিস ইজ রং, দিস ইজ রাইট, দিস ইজ ব্ল্যাক, দিস ইজ হোয়াইট। এভাবে যদি বাচ্চাদেরকে আমরা শিখাতে পারি আমার ধারণা একটা বাচ্চার যখন একটা স্টেজে পৌছাবে তখন কিন্তু মাথার মধ্যে এই জিনিসটা ঢুকে যাবে যে কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়, কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক। তখন ধীরে ধীরে এই বাচ্চাগুলো যখন প্রাইমারি থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পার হবে তখন কিন্তু তারা সমাজের প্রিমিয়াম পার্ট হবে, সমাজের বিভিন্ন জায়গায় তারা আস্তে আস্তে ঢুকবে, সেটা ব্যবসা-বাণিজ্য হোক, চাকরি-বাকরি হোক। বিভিন্ন জবে যাবে তখন ওই যে সমাজিক মূল্যবোধ ওরা কিন্তু আস্তে আস্তে এপ্লাই করা শুরু করবে।

সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, একদিন আমি আমি ড্রাইভ করছিলাম উনি (জুবাইদা রহমান) পাশে বসে ছিলেন। সাধারণত গাড়িতে উঠলে আমরা গান শুনি, ঐদিন আমরা বিবিসির একটা প্রোগ্রাম শুনেছিলাম, ওখানে বিবিসি একটা সাবজেক্ট নিয়ে আলোচনা করেছিলো সেটা হচ্ছে- তারা একটা রিসার্চ করেছিল এ ধরনের সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে। তারা দুইটা গ্রুপ একটা গিয়ে কিছু বাচ্চাদেরকে শিখিয়েছে এবং আরেকটা গ্রুপ গিয়ে কিছু গার্ডিয়ানদেরকে শিখিয়েছে। যখন রিসার্চটা শেষ হলো রেজাল্ট যেটা পাওয়া গেলো যেখানে বাচ্চাদেরকে শিখিয়েছে ওখানে দেখা ওই ফ্যামিলিতে ইমপ্লিমেন্টেশনটা ভালো হবে। আর যেখানে গার্ডিয়ানদেরকে শিখেছে সেখানে গার্ডিয়ানরা একটু গা ছাড়া ভাব। তার মানে ব্যাপারটা হচ্ছে যে, বাচ্চাদেরকে যখন শিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে এটা ভালো, এটা মন্দ বা এটা এইভাবে করতে হবে, ওটা ওইভাবে করতে হবে, সকালে উঠে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। এরকম জিনিসগুলো যখন শিখিয়ে দিচ্ছে। বাবা-মা যখন করছে না বাচ্চারা কম্পেইন করছে। না এটা এভাবে করতে হবে। আমি শিখে এসেছি। তো আমাদেরও এই বিষয়গুলো এরকমভাবে করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে-সমাজে যেভাবে আমরা বলি প্রথম পথ দেখায় কে? একটা ছোট বাচ্চা? প্রথম পথ দেখায় প্রাইমারি শিক্ষক। উনি একটা বাচ্চাকে দুনিয়া শেখায়, দুনিয়া চেনায়-জানায়। কাজেই উনি যখন তাকে জিনিসটা শেখাবে মূল্যবোধটা বলে শেখাবে। ওটা বাচ্চাটা মনে রাখে। এভাবে আস্তে আস্তে আমাদেরকে পরিবর্তন আনতে হবে।

বাচ্চারা মোবাইলের ওপর আসক্ত হয়ে নেগেটিভ জিনিসগুলো দেখে, সেক্ষেত্রে কী করা যায় একজন প্রশ্ন করলে তারেক রহমান বলেন, দেখুন, আব্বার (জিয়াউর রহমান) সময় নতুন কুঁড়ি নামে একটা অনুষ্ঠান ছিল। এটা অবশ্য বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার আবার চালু করেছে। আমাদের পরিকল্পনায় স্পোর্টস নিয়ে একটা পরিকল্পনা আছে। আমরা নতুন কুঁড়ির সাথে স্পোর্টসটা যুক্ত করতে চাইছি। আপনি নিজেই বলেছেন আপনার রিলে ‘থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ’ এ। দেখুন, একটা বাচ্চা যখন ছয় বছর, সাত বছর, আট বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর, ১৮ বছর আমরা সবাই এই স্টেজটা পার হয়ে এসছি। এই স্টেজে কিন্তু মানুষের শারীরিক এবং মানসিক অনেক এনার্জি থাকে। তো আপনাকে তো এনার্জিটাকে বার্ন করতে হবে। আপনাকে যদি সঠিক জায়গা দেওয়া হয় তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় বার্ন করবেন, আর আপনাকে যদি সঠিক জায়গা না পান তাহলে বেঠিক জায়গায় আপনি বার্ন করবেন এবং সেই জন্যই আমরা নতুন করে নতুনকুড়ি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এই দুটো আমরা চালু করতে চাইছি। আমরা আমাদের এডুকেশন সিস্টেম টাকে যেটা যেভাবে সাজাতে চাইছি।

স্কুল পর্যায় সিলেবাসে ক্রীড়া, তৃতীয় ল্যাংগুয়েজ, আবৃত্তি, কলা, গান, শিল্প-সংস্কৃতি বিষয় যুক্ত করার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আপনি যখন একটা বাচ্চাকে এই জায়গায় ব্যস্ত করেন তখন কিন্তু ওই যে ইন্টারনেট ঢুকে ব্রাউজ করে এটা কিছুটা হলে তাকে এদিকে সময় দিতে হবে তো। কারণ পাশ ফেলের ব্যাপার আছে। আমরা ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করলে শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ক্রীড়া এই চারটা মন্ত্রলালয়কে একটি টিম করে কাজ করব। আগে যখন আমরা ছোট ছিলাম পত্রিকা খুললেই দেখতাম, বিভিন্ন স্কুলের মধ্যে স্পোর্টস কম্পিটিশন হচ্ছে, কালচারাল কম্পিটিশন হচ্ছে, বিভিন্ন রকম কম্পিটিশন হচ্ছে, কেরাত প্রতিযোগিতা হচ্ছে। এখন সেটা চোখে পড়ে না। আমরা চাচ্ছি বছরে মোটামুটি ১২ মাসের মধ্যে ১০ মাস বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখতে।

তিনি বলেন, পড়ালেখাটাকে আমরা সহজ করে আনতে চাচ্ছি। আমি খুব সিরিয়াস স্টুডেন্ট কখনোই ছিলাম না। পড়ালেখাটাকে সহজ করতে চাই যাতে বাচ্চারা আগ্রহী হয়। আপনি যখন আগ্রহ তৈরি করতে পারবেন তখন স্বাভাবিকভাবে অন্য জায়গাতে কিন্তু মাইন্ড আউট হবে। তখন এগুলোতে ইন্টারেস্ট পাবে। এভাবে আমরা জিনিসটাকে সাজাতে চাই।

অনলাইনে হেরাজমেন্ট বিষয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান নিজের ভাবনা তুলে ধরে বলেন, অনলাইনে মেয়ে-ছেলে সবাই হেরাসমেন্টের শিকার হয়। আমাদের বুঝা উচিত সিস্টেম হ্যাকিং রিপোর্টিং কিভাবে হয়? রিপোর্টিং সিস্টেম হয়তবা করতে লাগবে, কমিউনিটি ডেস্ক যদি করা যায়, হয়তবা যদি এলাকায় কিছু ঘটে তাহলে ওখানে এলাকার মানুষরাই জিনিসটাকে ম্যানেজ করতে পারবে। ওভাবে যদি লোকালি জিনিসটা ঠিক ঠাক করা যায়, ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদেরকে শেখানো যায় যে কোনটা সঠিক তাহলে ওই জিনিসটা অনেক কমে আসবে। সবকিছু একসাথে করতে হবে।

পশু পালনের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক লেভেল থেকেই একটা গরু বা ছাগল বা হাঁস, মুরগি, বিড়াল, কুকুর, পাখি পালবে এবং তারা ওটার উপরে তাদের কি অভিজ্ঞতা হলো কিভাবে পালন করলো এটা একটা এক্সাম হবে। এই জিনিসটা ইন্ট্রোডিস করা যায় কিনা? ফেইসবুক এর অফিসে বাংলাদেশ আনা যায় কিনা সেটাও বিএনপির চিন্তায় আছে বলেও জানেন তিনি।

ঢাকার যানজট নিরসন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকায় আপনার ধারণা আছে এখন কত মানুষ থাকে? আমি লাস্ট যেটা শুনেছিলাম তিন কোটি প্লাস মানুষ। এই ট্রাফিক জ্যাম হবার বেশ কয়েকটি কারণ আছে- প্রথমত রোড ডিজাইনিং, দ্বিতীয়ত পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজমেন্ট পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম, থার্ড হচ্ছে বেশ কতগুলো ফ্যাসিলিটি। ফ্যাসিলিটির মধ্যে এডুকেশন আছে, হেলথ, সিকিউরিটি, জব সিকিউরিটি আছে, এই সবকিছুই কম বেশি আপনার ঢাকা কেন্দ্রে গড়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, আমি কিছুদিন আগে এক ভদ্রলোকের সাথে আলাপ করেছিলাম, উনি প্রফেশনাল একজন আর্কিটেক্ট। উনি ছাড়া আরেকজনের স্পেশালিস্ট উনি ট্রাফিক নিয়ে কাজ করেন, তার সাথে আলাপ করেছিলাম। প্রথমে আমি আর্কিটেক্ট এর সাথে কি আলোচনা হয়েছিলো সেটা বলি। একটা চিন্তা আমার ছিল এবং কিছু দেশে আমরা দেখেছি, যেমন কোরিয়া-চীন। সেটা হচ্ছে- আপনি যদি ঢাকার রেলগাড়ির স্পিড যদি এভারেজে ৬০/৭০ মাইল নট কিলোমিটার হয় আপনি এক ঘন্টায় কোথায় পৌঁছবেন, সহজে এক ঘন্টায় ময়মনসিংহে পৌছাতে পারবেন, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল পৌছাতে পারবেন। এই জেলাগুলোতেও ছোট ছোট শহর আছে, জেলা শহর আছে বা সদর শহর আছে এগুলো পরিকল্পনার মধ্যে আছে কিভাবে করব ডিটেল ওয়ার্কিং। আমাদের চিন্তা আছে যে, এখানে আমরা ছোট ছোট স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তুলব। এখন বলতে পারেন আপনারা এত জায়গা পাবেন কোথায়? আমরা যেটা করতে চাইছি, সেটা হচ্ছে যে নতুন জায়গা নিব না। যেই জায়গায় অলরেডি শহরটা আছে। এই জায়গাতেই আমরা জিনিসটা তৈরি করব। ওখানে বেসিক সাপোর্ট গুলা থাকবে। বেসিক সাপোর্টের মধ্যে স্কুল থাকবে ভালো, এডুকেশন, চিকিৎসা সুবিধা, গ্রোসারি মার্কেট, সিকিউরিটি এনসিউর করার চেষ্টা করা হবে। আমরা যদি এই সিটিগুলাকে ঘিরে স্যাটেলাইট টাউন বানাতে পারি তাহলে হবে কি? ওখানে ঘর খরচ যেহেতু কম হবে। ওখানে যেহেতু স্কুল ফ্যাসিলিটি, চিকিৎসার হেলথ ফ্যাসিলিটি এগুলো বিল্ড আপ করবো আমরা সিকিউর থাকবো, খরচ কম হলে তখন আমরা ধরে নিতে পারি যেটা আমরা দেখেছি অন্যান্য দেশে যারা করেছে তারা ওই জায়গায় চলে যাবে। তখন আপনি একটা বড় অংশকে এইভাবে বাইরে নিয়ে গেলেন তখন ঢাকার সমস্যাটা ট্রাফিক টাইম এটা কমে আসার পসিবিলিটি আছে।

এবিষয়ে আরো বলেন, ফ্লাইওভার দেখছি বা মেট্রো রেল দেখছি। মেট্রো রেলটা তুলনামূলক কস্টলি, ওনাদের বক্তব্য হচ্ছে এবং অনেক জায়গায় আছে মালয়েশিয়া, চীন, জাপানে আছে সেটা হচ্ছে মনোরেল। মনোরেলটার যেটা সুবিধা উনারা আমাকে যেটা বলেছে মনোরেলটার যেটা সুবিধা মনোরেলটাকে যেকোনো জায়গায় বসিয়ে দিতে পারবেন, আবার উঠিয়েও দিতে পারবেন। মনোরেলটার সুবিধা মনোরেটটা ছোট ছোট বক্সের মতো দুইটা তিনটা বগি আপনি মোহাম্মদপুরের ভিতর থেকে ঘুরিয়ে ঘুরে নিয়ে এসে আপনি মেট্রোতে উঠেন তারা সেখানে কানেক্ট করতে পারবেন ওইভাবে যদি আমরা ঢাকা শহরটা কানেক্ট পারি, মনোরেলে খরচ কমে যাবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা ভালো হবে। যত সহজে বললাম ব্যাপারটা তত সহজ না। সময় লাগবে কঠিন কাজটা। বাট নট ইমপসিবল। আমরা চেষ্টা করলে অবশ্যই হবে।

১০ বিজয়ীরা হলেন, তৌফিকুর রহমান, রাফায়েতুল আহমেদ রাবিত, শেথখ রিফাত মাহমুদ, ফাতিমা আয়াত, মো. ইসরাফিল, শাজেদুর রহমান, শেখ মো.ইকরাতুল ইসলাম, যারিন নাজনীন, মো. রিফাত হাসান ও রমেসা আনজুম রোশমী। তারা বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন এবং তাদের জিজ্ঞাসা-চিন্তাভাবনাগুলো বলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

আইনশৃঙ্খলা-দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণকে অগ্রাধিকার দিচ্ছেন তারেক রহমান

আপডেট টাইম : ১০:০৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং দুর্নীতি হ্রাস এই দ্ইুটা বিষয়কেই অগ্রাধিকার হিসেবে দেখছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, সবার আগে আমাদের নিশ্চিত করতে হবে ল অ্যান্ড অর্ডার (আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি)। অর্থাৎ মানুষ যেটা বলেছেন যে, যাতে সবাই রাস্তায় নিরাপদে থাকতে পারি, এটা নিশ্চিত করতে হবে। আর দুর্নীতি। এটি যেভাবেই হোক আমাদের এড্রেস করতে হবে। বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন রকম দুর্নীতি আছে, আমাদের চেষ্টা করতে হবে এই দুটো জিনিসকে যদি আমরা একটু ভালো করে এড্রেস করতে পারি অন্য সমস্যাগুলো সমাধান অনেকাংশে হয়ে আসবে। এটা হচ্ছে আমার প্ল্যান।

গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানে শাহাবুদ্দিন আহমেদ পার্কের উন্মুক্ত স্থানে ‘আমার ভাবনায় বাংলাদেশ’ শীর্ষক জাতীয় রিল-মেকিং প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় বিএনপি চেয়ারম্যান তার পরিকল্পনা এভাবে ব্যক্ত করেন। এসময় জাতীয় রিল-মেকিংয়ের ১০ জন বিজয়ীদের সাথে কথা বলেন তারেক রহমান। সঙ্গে ছিলেন তার মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিজয়ীরা তাদের নানা জিজ্ঞাসা তারেক রহমানকে করেন এবং খোলামেলা জবাবও দেন তিনি।

ফ্যামিলি কার্ড কারা পাবে, স্বামী হারা নারীরা ফ্যামিলি কার্ড পাবেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, সিঙ্গল মাদার যারা বিভিন্ন রকম সমস্যার মধ্যে আছেন, স্বামী ছেড়ে গেছেন দেখুন, আমার ধারণা আছে সরকারের সোশ্যাল সেফটির আওতায় ১৩৮টি প্রজেক্ট চালু হয়েছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-বিভাগে আছে। এগুলো ঠিক নেই। রিসোর্স নষ্ট হচ্ছে। একজন তিনটা সাপোর্ট করছে আরেকজন একটা পাচ্ছে না। আমরা এই জিনিসটাকে একটু অর্গানাইজ করতে চাইছি থ্রু ফ্যামিলি কার্ড। আমরা এটাকে সার্বজনীন রেখেছি। যেমন- একজন কৃষকের স্ত্রীও পাবেন, একজন ভ্যান চালকের স্ত্রী উনিও পাবেন, আরেকজন অফিশিয়াল তার ওয়াইফও পাবেন।

অনলাইনে নানা নিপীড়নের বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের এডুকেশন নিয়ে যে রিলটা বানিয়েছেন আপনার ওখানে কিন্তু দুইটা দিক আছে। ওখানে আপনারা বলেছেন যে, প্রাইমারি লেভেল থেকে আমরা কতগুলো কাজ করছি। আমি একটা ঘটনা বলি। আমাদের পরিচিত একটা ফ্যামিলি। ওদের একটা ছেলে আছে ১২/১৩ বছর বয়স। এটা আমি আরো পাঁচ ছয় বছর আগের কথা বলছি। একদিন ওর বাবার সাথে গাড়িতে উঠেছে কিন্তু বাবা সিট বেল্ট লাগায়নি। ছেলে বলছে বাবা তুমি সিট বেল লাগাও। বলে যে, না অল রাইট। ছেলেটা বললো, তুমি সিট বেল্ট না লাগালে টিচার বলেছেন, আমি নেমে যাব। অর্থাৎ দেখেন এটাকে আমি বোঝাতে চাচ্ছি যে, এই যে সামাজিক মূল্যবোধ। এই জিনিসগুলো আমাদের স্কুলের শেখাতে হবে এবং সেই জন্যই কিন্তু আমরা প্রাইমারি এডুকেশন জোর দিতে চাচ্ছি বেশি। জোরটা নট মেকিং স্কুল বিল্ডিং, নতুন নতুন তিন তলা-চার -পাঁচ তলা স্কুল বিল্ডিং এটা আমাদের লক্ষ্য না। বরং ওই বাজেটটা দিয়ে আমরা আমাদের প্রাইমারি টিচারদেরকে মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যেই ট্রেনিংটার মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সাথে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধগুলো আছে এই জিনিসগুলো বাচ্চাদেরকে শেখাব।

বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, এই যে সাইবার বুলিং, এসিডের ঘটনা- আমরা যদি বাচ্চাদেরকে ছোটবেলা থেকে শেখাই দিস ইজ রং, দিস ইজ রাইট, দিস ইজ ব্ল্যাক, দিস ইজ হোয়াইট। এভাবে যদি বাচ্চাদেরকে আমরা শিখাতে পারি আমার ধারণা একটা বাচ্চার যখন একটা স্টেজে পৌছাবে তখন কিন্তু মাথার মধ্যে এই জিনিসটা ঢুকে যাবে যে কোনটা ন্যায়, কোনটা অন্যায়, কোনটা ঠিক কোনটা বেঠিক। তখন ধীরে ধীরে এই বাচ্চাগুলো যখন প্রাইমারি থেকে দ্বাদশ শ্রেনী পার হবে তখন কিন্তু তারা সমাজের প্রিমিয়াম পার্ট হবে, সমাজের বিভিন্ন জায়গায় তারা আস্তে আস্তে ঢুকবে, সেটা ব্যবসা-বাণিজ্য হোক, চাকরি-বাকরি হোক। বিভিন্ন জবে যাবে তখন ওই যে সমাজিক মূল্যবোধ ওরা কিন্তু আস্তে আস্তে এপ্লাই করা শুরু করবে।

সহধর্মিনী ডা. জুবাইদা রহমানের সাথে নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলতে গিয়ে তারেক রহমান বলেন, একদিন আমি আমি ড্রাইভ করছিলাম উনি (জুবাইদা রহমান) পাশে বসে ছিলেন। সাধারণত গাড়িতে উঠলে আমরা গান শুনি, ঐদিন আমরা বিবিসির একটা প্রোগ্রাম শুনেছিলাম, ওখানে বিবিসি একটা সাবজেক্ট নিয়ে আলোচনা করেছিলো সেটা হচ্ছে- তারা একটা রিসার্চ করেছিল এ ধরনের সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে। তারা দুইটা গ্রুপ একটা গিয়ে কিছু বাচ্চাদেরকে শিখিয়েছে এবং আরেকটা গ্রুপ গিয়ে কিছু গার্ডিয়ানদেরকে শিখিয়েছে। যখন রিসার্চটা শেষ হলো রেজাল্ট যেটা পাওয়া গেলো যেখানে বাচ্চাদেরকে শিখিয়েছে ওখানে দেখা ওই ফ্যামিলিতে ইমপ্লিমেন্টেশনটা ভালো হবে। আর যেখানে গার্ডিয়ানদেরকে শিখেছে সেখানে গার্ডিয়ানরা একটু গা ছাড়া ভাব। তার মানে ব্যাপারটা হচ্ছে যে, বাচ্চাদেরকে যখন শিখিয়ে দেওয়া হচ্ছে যে এটা ভালো, এটা মন্দ বা এটা এইভাবে করতে হবে, ওটা ওইভাবে করতে হবে, সকালে উঠে দাঁত ব্রাশ করতে হবে। এরকম জিনিসগুলো যখন শিখিয়ে দিচ্ছে। বাবা-মা যখন করছে না বাচ্চারা কম্পেইন করছে। না এটা এভাবে করতে হবে। আমি শিখে এসেছি। তো আমাদেরও এই বিষয়গুলো এরকমভাবে করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশে-সমাজে যেভাবে আমরা বলি প্রথম পথ দেখায় কে? একটা ছোট বাচ্চা? প্রথম পথ দেখায় প্রাইমারি শিক্ষক। উনি একটা বাচ্চাকে দুনিয়া শেখায়, দুনিয়া চেনায়-জানায়। কাজেই উনি যখন তাকে জিনিসটা শেখাবে মূল্যবোধটা বলে শেখাবে। ওটা বাচ্চাটা মনে রাখে। এভাবে আস্তে আস্তে আমাদেরকে পরিবর্তন আনতে হবে।

বাচ্চারা মোবাইলের ওপর আসক্ত হয়ে নেগেটিভ জিনিসগুলো দেখে, সেক্ষেত্রে কী করা যায় একজন প্রশ্ন করলে তারেক রহমান বলেন, দেখুন, আব্বার (জিয়াউর রহমান) সময় নতুন কুঁড়ি নামে একটা অনুষ্ঠান ছিল। এটা অবশ্য বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার আবার চালু করেছে। আমাদের পরিকল্পনায় স্পোর্টস নিয়ে একটা পরিকল্পনা আছে। আমরা নতুন কুঁড়ির সাথে স্পোর্টসটা যুক্ত করতে চাইছি। আপনি নিজেই বলেছেন আপনার রিলে ‘থার্ড ল্যাঙ্গুয়েজ’ এ। দেখুন, একটা বাচ্চা যখন ছয় বছর, সাত বছর, আট বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর, ১৮ বছর আমরা সবাই এই স্টেজটা পার হয়ে এসছি। এই স্টেজে কিন্তু মানুষের শারীরিক এবং মানসিক অনেক এনার্জি থাকে। তো আপনাকে তো এনার্জিটাকে বার্ন করতে হবে। আপনাকে যদি সঠিক জায়গা দেওয়া হয় তাহলে আপনি সঠিক জায়গায় বার্ন করবেন, আর আপনাকে যদি সঠিক জায়গা না পান তাহলে বেঠিক জায়গায় আপনি বার্ন করবেন এবং সেই জন্যই আমরা নতুন করে নতুনকুড়ি, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস এই দুটো আমরা চালু করতে চাইছি। আমরা আমাদের এডুকেশন সিস্টেম টাকে যেটা যেভাবে সাজাতে চাইছি।

স্কুল পর্যায় সিলেবাসে ক্রীড়া, তৃতীয় ল্যাংগুয়েজ, আবৃত্তি, কলা, গান, শিল্প-সংস্কৃতি বিষয় যুক্ত করার বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, আপনি যখন একটা বাচ্চাকে এই জায়গায় ব্যস্ত করেন তখন কিন্তু ওই যে ইন্টারনেট ঢুকে ব্রাউজ করে এটা কিছুটা হলে তাকে এদিকে সময় দিতে হবে তো। কারণ পাশ ফেলের ব্যাপার আছে। আমরা ইনশাআল্লাহ সরকার গঠন করলে শিক্ষা, সংস্কৃতি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, ক্রীড়া এই চারটা মন্ত্রলালয়কে একটি টিম করে কাজ করব। আগে যখন আমরা ছোট ছিলাম পত্রিকা খুললেই দেখতাম, বিভিন্ন স্কুলের মধ্যে স্পোর্টস কম্পিটিশন হচ্ছে, কালচারাল কম্পিটিশন হচ্ছে, বিভিন্ন রকম কম্পিটিশন হচ্ছে, কেরাত প্রতিযোগিতা হচ্ছে। এখন সেটা চোখে পড়ে না। আমরা চাচ্ছি বছরে মোটামুটি ১২ মাসের মধ্যে ১০ মাস বাচ্চাদের ব্যস্ত রাখতে।

তিনি বলেন, পড়ালেখাটাকে আমরা সহজ করে আনতে চাচ্ছি। আমি খুব সিরিয়াস স্টুডেন্ট কখনোই ছিলাম না। পড়ালেখাটাকে সহজ করতে চাই যাতে বাচ্চারা আগ্রহী হয়। আপনি যখন আগ্রহ তৈরি করতে পারবেন তখন স্বাভাবিকভাবে অন্য জায়গাতে কিন্তু মাইন্ড আউট হবে। তখন এগুলোতে ইন্টারেস্ট পাবে। এভাবে আমরা জিনিসটাকে সাজাতে চাই।

অনলাইনে হেরাজমেন্ট বিষয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান নিজের ভাবনা তুলে ধরে বলেন, অনলাইনে মেয়ে-ছেলে সবাই হেরাসমেন্টের শিকার হয়। আমাদের বুঝা উচিত সিস্টেম হ্যাকিং রিপোর্টিং কিভাবে হয়? রিপোর্টিং সিস্টেম হয়তবা করতে লাগবে, কমিউনিটি ডেস্ক যদি করা যায়, হয়তবা যদি এলাকায় কিছু ঘটে তাহলে ওখানে এলাকার মানুষরাই জিনিসটাকে ম্যানেজ করতে পারবে। ওভাবে যদি লোকালি জিনিসটা ঠিক ঠাক করা যায়, ছোটবেলা থেকে বাচ্চাদেরকে শেখানো যায় যে কোনটা সঠিক তাহলে ওই জিনিসটা অনেক কমে আসবে। সবকিছু একসাথে করতে হবে।

পশু পালনের বিষয়ে তারেক রহমান বলেন, প্রাথমিক লেভেল থেকেই একটা গরু বা ছাগল বা হাঁস, মুরগি, বিড়াল, কুকুর, পাখি পালবে এবং তারা ওটার উপরে তাদের কি অভিজ্ঞতা হলো কিভাবে পালন করলো এটা একটা এক্সাম হবে। এই জিনিসটা ইন্ট্রোডিস করা যায় কিনা? ফেইসবুক এর অফিসে বাংলাদেশ আনা যায় কিনা সেটাও বিএনপির চিন্তায় আছে বলেও জানেন তিনি।

ঢাকার যানজট নিরসন সম্পর্কিত এক প্রশ্নের বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, ঢাকায় আপনার ধারণা আছে এখন কত মানুষ থাকে? আমি লাস্ট যেটা শুনেছিলাম তিন কোটি প্লাস মানুষ। এই ট্রাফিক জ্যাম হবার বেশ কয়েকটি কারণ আছে- প্রথমত রোড ডিজাইনিং, দ্বিতীয়ত পাবলিক ট্রান্সপোর্ট ম্যানেজমেন্ট পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম, থার্ড হচ্ছে বেশ কতগুলো ফ্যাসিলিটি। ফ্যাসিলিটির মধ্যে এডুকেশন আছে, হেলথ, সিকিউরিটি, জব সিকিউরিটি আছে, এই সবকিছুই কম বেশি আপনার ঢাকা কেন্দ্রে গড়ে উঠেছে।

তিনি বলেন, আমি কিছুদিন আগে এক ভদ্রলোকের সাথে আলাপ করেছিলাম, উনি প্রফেশনাল একজন আর্কিটেক্ট। উনি ছাড়া আরেকজনের স্পেশালিস্ট উনি ট্রাফিক নিয়ে কাজ করেন, তার সাথে আলাপ করেছিলাম। প্রথমে আমি আর্কিটেক্ট এর সাথে কি আলোচনা হয়েছিলো সেটা বলি। একটা চিন্তা আমার ছিল এবং কিছু দেশে আমরা দেখেছি, যেমন কোরিয়া-চীন। সেটা হচ্ছে- আপনি যদি ঢাকার রেলগাড়ির স্পিড যদি এভারেজে ৬০/৭০ মাইল নট কিলোমিটার হয় আপনি এক ঘন্টায় কোথায় পৌঁছবেন, সহজে এক ঘন্টায় ময়মনসিংহে পৌছাতে পারবেন, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল পৌছাতে পারবেন। এই জেলাগুলোতেও ছোট ছোট শহর আছে, জেলা শহর আছে বা সদর শহর আছে এগুলো পরিকল্পনার মধ্যে আছে কিভাবে করব ডিটেল ওয়ার্কিং। আমাদের চিন্তা আছে যে, এখানে আমরা ছোট ছোট স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তুলব। এখন বলতে পারেন আপনারা এত জায়গা পাবেন কোথায়? আমরা যেটা করতে চাইছি, সেটা হচ্ছে যে নতুন জায়গা নিব না। যেই জায়গায় অলরেডি শহরটা আছে। এই জায়গাতেই আমরা জিনিসটা তৈরি করব। ওখানে বেসিক সাপোর্ট গুলা থাকবে। বেসিক সাপোর্টের মধ্যে স্কুল থাকবে ভালো, এডুকেশন, চিকিৎসা সুবিধা, গ্রোসারি মার্কেট, সিকিউরিটি এনসিউর করার চেষ্টা করা হবে। আমরা যদি এই সিটিগুলাকে ঘিরে স্যাটেলাইট টাউন বানাতে পারি তাহলে হবে কি? ওখানে ঘর খরচ যেহেতু কম হবে। ওখানে যেহেতু স্কুল ফ্যাসিলিটি, চিকিৎসার হেলথ ফ্যাসিলিটি এগুলো বিল্ড আপ করবো আমরা সিকিউর থাকবো, খরচ কম হলে তখন আমরা ধরে নিতে পারি যেটা আমরা দেখেছি অন্যান্য দেশে যারা করেছে তারা ওই জায়গায় চলে যাবে। তখন আপনি একটা বড় অংশকে এইভাবে বাইরে নিয়ে গেলেন তখন ঢাকার সমস্যাটা ট্রাফিক টাইম এটা কমে আসার পসিবিলিটি আছে।

এবিষয়ে আরো বলেন, ফ্লাইওভার দেখছি বা মেট্রো রেল দেখছি। মেট্রো রেলটা তুলনামূলক কস্টলি, ওনাদের বক্তব্য হচ্ছে এবং অনেক জায়গায় আছে মালয়েশিয়া, চীন, জাপানে আছে সেটা হচ্ছে মনোরেল। মনোরেলটার যেটা সুবিধা উনারা আমাকে যেটা বলেছে মনোরেলটার যেটা সুবিধা মনোরেলটাকে যেকোনো জায়গায় বসিয়ে দিতে পারবেন, আবার উঠিয়েও দিতে পারবেন। মনোরেলটার সুবিধা মনোরেটটা ছোট ছোট বক্সের মতো দুইটা তিনটা বগি আপনি মোহাম্মদপুরের ভিতর থেকে ঘুরিয়ে ঘুরে নিয়ে এসে আপনি মেট্রোতে উঠেন তারা সেখানে কানেক্ট করতে পারবেন ওইভাবে যদি আমরা ঢাকা শহরটা কানেক্ট পারি, মনোরেলে খরচ কমে যাবে এবং ট্রাফিক ব্যবস্থা ভালো হবে। যত সহজে বললাম ব্যাপারটা তত সহজ না। সময় লাগবে কঠিন কাজটা। বাট নট ইমপসিবল। আমরা চেষ্টা করলে অবশ্যই হবে।

১০ বিজয়ীরা হলেন, তৌফিকুর রহমান, রাফায়েতুল আহমেদ রাবিত, শেথখ রিফাত মাহমুদ, ফাতিমা আয়াত, মো. ইসরাফিল, শাজেদুর রহমান, শেখ মো.ইকরাতুল ইসলাম, যারিন নাজনীন, মো. রিফাত হাসান ও রমেসা আনজুম রোশমী। তারা বিএনপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলেন এবং তাদের জিজ্ঞাসা-চিন্তাভাবনাগুলো বলেন।