এ ছাড়াও পুরানা পল্টনের ২১.৬২ কাঠা জমিতে ১৮-তলা ভবন; আর কে মিশন রোডের ২৫-তলা ভবনের ৩ নম্বর বাড়ি; ১৮৯, তেজকুনীপাড়ার প্রায় ৩০ কাঠা জমিতে আট তলা ভবনে ২৮টি ফ্ল্যাট; ৭, ময়মনসিংহ রোডের ২২ কাঠা জমিতে ছয় তলা দুটি ভবনের ৪৫টি ফ্ল্যাট; ৩৩, দিলু রোডের আট কাঠায় আট তলা ভবনের ২১টি ফ্ল্যাট এবং মোহাম্মদপুর বি-ব্লকের হুমায়ুন রোডের সাড়ে সাত কাঠা জমিতে ৫/১৮ নম্বর বাড়িতে থাকছেন সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের কর্মচারীরা। ধানমন্ডির ৯/এ নম্বর রোডের ১৩৩ নম্বরে ২০ কাঠা জমিতে দোতলা বাড়ির নিচ তলায় ‘ইন্ডিয়ান স্পাইসি চিকেন’ এবং ‘অহনা ডিনার’ নামে দুটি রেস্টুরেন্ট। পাশেই একটি বড় মোটর গ্যারেজ ও দুটি দোকান। আর দোতলাজুড়ে বিশাল খাবারের দোকান ‘ওজ ক্যাফে রেস্টুরেন্ট’। ধানমন্ডির ২ নম্বর রোডের ১৪ ও ১৪/এ দুটি বাড়ি। ১ বিঘারও বেশি জমিজুড়ে বাড়ি দুটির একটির সম্মুখ অংশ একতলা আর পেছনে তিন তলা। বাড়িটি আদালতে রিট করে ‘মেসার্স অ্যাকম ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন লিমিটেড’র নামে দখলে রেখেছেন মাজেদুল ইসলাম। তিনি নির্বিঘ্নে দোকান বানিয়ে ভাড়া দিচ্ছেন। ১৬, নিউ ইস্কাটনের ১ বিঘা জমিতে দোতলা বাড়ির নিচ তলা সার্টিফিকেট মামলা করে দখলে রেখেছেন শহীদ পরিবারের সদস্য ও সাবেক এমপি শমী কায়সার। একইভাবে দোতলা দখলে রেখেছেন আরেক শহীদ পরিবারের সন্তান ডা. মারগুব আরেফ জাহাঙ্গীর।
জানতে চাইলে পরিত্যক্ত সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা বোর্ডের (এপিএমবি) সভাপতি ও ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদের সরকার সব সময় আন্তরিক। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এ নিয়ে কাজ করছে। অনেকগুলো সম্পত্তি নিয়ে মামলা থাকায় দ্রুত সময়ের মধ্যে উচ্ছেদ করা সম্ভব হয় না। তবে বর্তমান সরকার এ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, রাজধানীতে গেজেটভুক্ত পরিত্যক্ত সরকারি বাড়ির সংখ্যা ৬ হাজার ৫৩৮টি। পরিত্যক্ত বাড়িগুলোর মধ্য থেকে সরকার অবমুক্ত করেছে ১ হাজার ১৮টি। বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে ভাড়া ও লিজ দেওয়া হয়েছে অন্তত দেড় হাজার বাড়ি। পরিত্যক্ত সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টে ৪ হাজার ৩৫৮টি মামলা রয়েছে। কোর্ট অব সেটেলমেন্টে ২৫০টি এবং ভাড়া আদায়সংক্রান্ত ৪১২টি মামলা চলমান আছে।
সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন
Reporter Name 



















