ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে ডাক পেলেন পুতিন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২৫ বার

গাজা যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বিশেষ ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে যোগ দিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সোমবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত রাখার মধ্যেই পুতিনের নাম শান্তি প্রক্রিয়ায় আসায় আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

পুতিন এই আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন কিনা, তা নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলেনি রাশিয়া। দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাবের প্রতিটি দিক আমরা খতিয়ে দেখছি। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষণ প্রয়োজন।’ চলতি সপ্তাহে ডাভোস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। গত সপ্তাহে গাজা যুদ্ধ বন্ধে একটি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পর্ষদে গাজায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও প্রশাসনিক পুনর্গঠন তদারকি করবে। গত নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেও এই পরিকল্পনার একটি অস্পষ্ট রূপরেখা অনুমোদিত হয়েছিল।

ইতোমধ্যেই এই পর্ষদে সদস্য হিসেবে ট্রাম্প নিজে, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া আর্জেন্টিনা, তুরস্ক ও মিশরের নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধে কোনো লক্ষণ না থাকলেও পুতিনকে শান্তি পর্ষদে রাখা ট্রাম্পের ‘রাশিয়া-ঘেঁষা’ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইউক্রেনে বেসামরিক নাগরিক হত্যায় অভিযুক্ত পুতিনকে শান্তি পর্ষদে জায়গা দেওয়া হাস্যকর।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ইউরোপের সঙ্গে ট্রাম্পের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ক্রেমলিন এক চমৎকার মন্তব্য করেছে। পেসকভ বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড যদি ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত দখল করতে পারেন, তবে সেটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি হোক বা না হোক, ‘ইতিহাসে ট্রাম্পের নাম নিশ্চিতভাবেই খোদাই করা থাকবে।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

ট্রাম্পের শান্তি পর্ষদে ডাক পেলেন পুতিন

আপডেট টাইম : ১০:২৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

গাজা যুদ্ধ বন্ধে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত বিশেষ ‘বোর্ড অব পিস’ বা শান্তি পর্ষদে যোগ দিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সোমবার ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ইউক্রেন যুদ্ধ অব্যাহত রাখার মধ্যেই পুতিনের নাম শান্তি প্রক্রিয়ায় আসায় আন্তর্জাতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। খবর দ্য গার্ডিয়ানের।

পুতিন এই আমন্ত্রণে সাড়া দেবেন কিনা, তা নিয়ে এখনই চূড়ান্ত কিছু বলেনি রাশিয়া। দিমিত্রি পেসকভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওয়াশিংটনের এই প্রস্তাবের প্রতিটি দিক আমরা খতিয়ে দেখছি। সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে সবকিছুর চুলচেরা বিশ্লেষণ প্রয়োজন।’ চলতি সপ্তাহে ডাভোস ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামে পুতিনের বিশেষ দূত কিরিল দিমিত্রিভ মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা করতে পারেন। গত সপ্তাহে গাজা যুদ্ধ বন্ধে একটি মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই পর্ষদে গাজায় দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও প্রশাসনিক পুনর্গঠন তদারকি করবে। গত নভেম্বরে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেও এই পরিকল্পনার একটি অস্পষ্ট রূপরেখা অনুমোদিত হয়েছিল।

ইতোমধ্যেই এই পর্ষদে সদস্য হিসেবে ট্রাম্প নিজে, ব্রিটেনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

এ ছাড়া আর্জেন্টিনা, তুরস্ক ও মিশরের নেতাদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধে কোনো লক্ষণ না থাকলেও পুতিনকে শান্তি পর্ষদে রাখা ট্রাম্পের ‘রাশিয়া-ঘেঁষা’ নীতির প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। সমালোচকদের মতে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে ইউক্রেনে বেসামরিক নাগরিক হত্যায় অভিযুক্ত পুতিনকে শান্তি পর্ষদে জায়গা দেওয়া হাস্যকর।

এদিকে গ্রিনল্যান্ড দখল নিয়ে ইউরোপের সঙ্গে ট্রাম্পের চলমান উত্তেজনার মধ্যে ক্রেমলিন এক চমৎকার মন্তব্য করেছে। পেসকভ বলেছেন, গ্রিনল্যান্ড যদি ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত দখল করতে পারেন, তবে সেটি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থি হোক বা না হোক, ‘ইতিহাসে ট্রাম্পের নাম নিশ্চিতভাবেই খোদাই করা থাকবে।’