ঢাকা ০২:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৭ বার

একসময় আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জে এবার ভোটের মাঠের চিত্র একেবারেই আলাদা। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দলটির আগের সেই আধিপত্য আর নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এবার জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। নেতা-কর্মীদের নিয়ে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরাও। ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদও তৎপর রয়েছে।

১৯৯১ সালে জেলার সাতটি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বড় ব্যবধানে জয় পায় বিএনপি। বাকি দুটি যায় আওয়ামী লীগের ঘরে। তবে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে জেলায় দুটি করে আসন পায় বিএনপি। ২০০৮ সালের পর পরিবর্তিত বাস্তবতায় সব কটি আসনই ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। তবে ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বদলে গেছে আগের সব সমীকরণ। আগে জেলায় সাতটি আসন থাকলে পরে একটি কমিয়ে ছয়টিতে নামিয়ে আনা হয়। এর মধ্যে এবার চারটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে সব কটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জামায়াত।

কিশোরগঞ্জ-১

সদর-হোসেনপুর নিয়ে গঠিত আসনটিতে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা শাখার সাবেক নায়েবে আমির মোসাদ্দেক ভূঁইয়া। দীর্ঘদিন থেকে নেতা-কর্মীদের নিয়ে এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিএনপি এখনো এখানে প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত না করায় প্রচারে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন তিনি। আসনটিতে সাবেক এমপি মো. মাসুদ হিলালীসহ বিএনপির অন্তত আটজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি রুহুল হোসাইন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। জেলা বিএনপির সহসভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু, ব্যারিস্টার এম আতিকুর রহমান এবং হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম মবিনও আলোচনায় রয়েছেন।

গণঅধিকার পরিষদের সম্ভাব্য প্রার্থী দলের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে পারেন জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাবেক নেতা হাফেজ আজিজুর রহমান। খেলাফত মজলিসের সম্ভাব্য প্রার্থী শায়খুল হাদিস হিফজুর রহমান খান। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে মুহাম্মদুল্লাহ জামী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে হেদায়েতুল্লাহ হাদী প্রার্থী হতে পারেন।

কিশোরগঞ্জ-২

আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলের পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন। কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া নিয়ে গঠিত আসনটিতে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মোড়ল। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হতে পারেন ছাঈদ আহমদ। গণঅধিকার পরিষদ থেকে আলোচনায় আছেন শফিকুল ইসলাম শফিক। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সম্ভাব্য প্রার্থী রশীদ আহমদ জাহাঙ্গীর হোছাইনী। এনসিপি থেকে আলোচনায় আছেন আলাউদ্দিন আহমেদ ও মো. দিদার শাহ।

কিশোরগঞ্জ-৩

করিমগঞ্জ ও তাড়াইল নিয়ে গঠিত আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন কর্নেল (অব.) অধ্যাপক ডা. জিহাদ খান। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হৃদ্‌রোগ বিভাগের সাবেক এই প্রধান সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের শ্যালক। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে পারেন আলমগীর হোসাইন তালুকদার। খেলাফত মজলিস থেকে আতাউর রহমান শাহান এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে শায়খুল হাদিস আবু বকর সিদ্দিক মনোনয়ন পেতে পারেন। এনসিপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী দুজন। তাঁরা হলেন খায়রুল কবির ও ইকরাম হোসেন।

কিশোরগঞ্জ-৪

ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম নিয়ে গঠিত আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। সম্প্রতি নানা ঘটনায় তিনি সমালোচিত হলেও দল প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নিয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচিত মুখ তিনি। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ মো. রোকন রেজা। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হতে পারেন অলিউর রহমান। ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী বিল্লাল আহমেদ মজুমদার। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনয়ন পেতে পারেন আনোয়ারুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ-৫

নিকলী ও বাজিতপুর নিয়ে গঠিত আসনটিতে এখনো প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদার জন্য আসনটি খালি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁকে সহযোগিতা করতে কেন্দ্র থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁকে সহায়তা করছেন নেতা-কর্মীদের একাংশ। অন্যদিকে দলীয় মনোনয়ন চাইছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। তাঁকে প্রার্থী করার দাবিতে প্রায় প্রতিদিনই নানা কর্মসূচি পালন করছেন তাঁর অনুসারীরা। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা আমির মোহাম্মদ রমজান আলী। খেলাফত মজলিসের সম্ভাব্য প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আহাদ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হতে পারেন দিলাওয়ার হোসাইন নূরী। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুমও এই আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

কিশোরগঞ্জ-৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান পাঁচবার এখান থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ভৈরব ও কুলিয়ারচর নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা সভাপতি মো. শরীফুল আলম। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ভৈরব উপজেলা আমির মোহাম্মদ কবীর হোসাইন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হতে পারেন লাইস উদ্দিন। খেলাফত মজলিস থেকে সাইফুল ইসলাম সাহেল এবং ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ মুছা খান মনোনয়ন পেতে পারেন। এনসিপি থেকে আলোচনায় রয়েছেন মোজাক্কির আজাদ সাব্বির।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ১০:২১:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ নভেম্বর ২০২৫

একসময় আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত কিশোরগঞ্জে এবার ভোটের মাঠের চিত্র একেবারেই আলাদা। জুলাই অভ্যুত্থানের পর দলটির আগের সেই আধিপত্য আর নেই। জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে এবার জেলায় ঘুরে দাঁড়াতে চায় বিএনপি। নেতা-কর্মীদের নিয়ে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরাও। ইসলামী আন্দোলন ও গণঅধিকার পরিষদও তৎপর রয়েছে।

১৯৯১ সালে জেলার সাতটি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বড় ব্যবধানে জয় পায় বিএনপি। বাকি দুটি যায় আওয়ামী লীগের ঘরে। তবে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে জেলায় দুটি করে আসন পায় বিএনপি। ২০০৮ সালের পর পরিবর্তিত বাস্তবতায় সব কটি আসনই ছিল আওয়ামী লীগের দখলে। তবে ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর বদলে গেছে আগের সব সমীকরণ। আগে জেলায় সাতটি আসন থাকলে পরে একটি কমিয়ে ছয়টিতে নামিয়ে আনা হয়। এর মধ্যে এবার চারটিতে সম্ভাব্য প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে সব কটিতে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে জামায়াত।

কিশোরগঞ্জ-১

সদর-হোসেনপুর নিয়ে গঠিত আসনটিতে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা শাখার সাবেক নায়েবে আমির মোসাদ্দেক ভূঁইয়া। দীর্ঘদিন থেকে নেতা-কর্মীদের নিয়ে এলাকায় গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। বিএনপি এখনো এখানে প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত না করায় প্রচারে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন তিনি। আসনটিতে সাবেক এমপি মো. মাসুদ হিলালীসহ বিএনপির অন্তত আটজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর নাম শোনা যাচ্ছে। অন্যদের মধ্যে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওয়ালীউল্লাহ রাব্বানী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সহসভাপতি রুহুল হোসাইন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল। জেলা বিএনপির সহসভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু, ব্যারিস্টার এম আতিকুর রহমান এবং হোসেনপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম মবিনও আলোচনায় রয়েছেন।

গণঅধিকার পরিষদের সম্ভাব্য প্রার্থী দলের উচ্চতর পরিষদ সদস্য আবু হানিফ। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে পারেন জাতীয় উলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সাবেক নেতা হাফেজ আজিজুর রহমান। খেলাফত মজলিসের সম্ভাব্য প্রার্থী শায়খুল হাদিস হিফজুর রহমান খান। জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে মুহাম্মদুল্লাহ জামী এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে হেদায়েতুল্লাহ হাদী প্রার্থী হতে পারেন।

কিশোরগঞ্জ-২

আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলের পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার আহ্বায়ক জালাল উদ্দীন। কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া নিয়ে গঠিত আসনটিতে জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী কটিয়াদী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মোড়ল। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হতে পারেন ছাঈদ আহমদ। গণঅধিকার পরিষদ থেকে আলোচনায় আছেন শফিকুল ইসলাম শফিক। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সম্ভাব্য প্রার্থী রশীদ আহমদ জাহাঙ্গীর হোছাইনী। এনসিপি থেকে আলোচনায় আছেন আলাউদ্দিন আহমেদ ও মো. দিদার শাহ।

কিশোরগঞ্জ-৩

করিমগঞ্জ ও তাড়াইল নিয়ে গঠিত আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ড. এম ওসমান ফারুক। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থিতা পেয়েছেন কর্নেল (অব.) অধ্যাপক ডা. জিহাদ খান। ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) হৃদ্‌রোগ বিভাগের সাবেক এই প্রধান সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের শ্যালক। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হতে পারেন আলমগীর হোসাইন তালুকদার। খেলাফত মজলিস থেকে আতাউর রহমান শাহান এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম থেকে শায়খুল হাদিস আবু বকর সিদ্দিক মনোনয়ন পেতে পারেন। এনসিপি থেকে মনোনয়নপ্রত্যাশী দুজন। তাঁরা হলেন খায়রুল কবির ও ইকরাম হোসেন।

কিশোরগঞ্জ-৪

ইটনা, মিঠামইন ও অষ্টগ্রাম নিয়ে গঠিত আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান। সম্প্রতি নানা ঘটনায় তিনি সমালোচিত হলেও দল প্রার্থী হিসেবে তাঁকেই বেছে নিয়েছে। এ ছাড়া জাতীয় রাজনীতিতেও আলোচিত মুখ তিনি। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী শেখ মো. রোকন রেজা। খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হতে পারেন অলিউর রহমান। ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী বিল্লাল আহমেদ মজুমদার। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মনোনয়ন পেতে পারেন আনোয়ারুল ইসলাম।

কিশোরগঞ্জ-৫

নিকলী ও বাজিতপুর নিয়ে গঠিত আসনটিতে এখনো প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত করেনি বিএনপি। ১২ দলীয় জোটের সমন্বয়ক জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদার জন্য আসনটি খালি রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। তাঁকে সহযোগিতা করতে কেন্দ্র থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁকে সহায়তা করছেন নেতা-কর্মীদের একাংশ। অন্যদিকে দলীয় মনোনয়ন চাইছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ইকবাল। তাঁকে প্রার্থী করার দাবিতে প্রায় প্রতিদিনই নানা কর্মসূচি পালন করছেন তাঁর অনুসারীরা। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা আমির মোহাম্মদ রমজান আলী। খেলাফত মজলিসের সম্ভাব্য প্রার্থী মাওলানা আব্দুল আহাদ। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হতে পারেন দিলাওয়ার হোসাইন নূরী। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুমও এই আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

কিশোরগঞ্জ-৬

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান পাঁচবার এখান থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। ভৈরব ও কুলিয়ারচর নিয়ে গঠিত আসনটিতে এবার বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী দলের জেলা সভাপতি মো. শরীফুল আলম। জামায়াতের সম্ভাব্য প্রার্থী ভৈরব উপজেলা আমির মোহাম্মদ কবীর হোসাইন। জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী হতে পারেন লাইস উদ্দিন। খেলাফত মজলিস থেকে সাইফুল ইসলাম সাহেল এবং ইসলামী আন্দোলনের মোহাম্মদ মুছা খান মনোনয়ন পেতে পারেন। এনসিপি থেকে আলোচনায় রয়েছেন মোজাক্কির আজাদ সাব্বির।