ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬
  • ১৫ বার

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, উনি যে বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করছেন। শেষ পর্যন্ত কী হবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।  তবে শুরুটা তিনি চমৎকারভাবে করেছেন।

বুধবার (৬ মে) রাতে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার বিষয়ে তিনি জানান, বন্যার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণাও দেন। ফজলুর রহমান বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ অতীতে খুব কমই দেখা গেছে। এটি অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত। কারণ হাওড়াঞ্চলের ক্ষতি শুধু ইটনা বা মিঠামইনে সীমাবদ্ধ নয়, প্রায় ৩৫টি জেলার মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

হাওড় এলাকার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরদিনই আমি এলাকায় যাই এবং বিভিন্ন হাওড় ঘুরে দেখি। আমার স্মরণকালের মধ্যে ধানের হাওড়ে এত বড় ক্ষতি আর দেখিনি। এবার শুধু ভাটির জমি নয়, উজান-ভাটির পার্থক্য ছাড়াই সব এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। বাঁধের ভেতরে যা ছিল, সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে যথাযথ সরকারি ও আন্তর্জাতিক সহায়তা না পেলে।

Tag :
About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

আপডেট টাইম : ০১:০৫:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান বলেছেন, তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর যে প্রতিশ্রুতিগুলো দিয়েছিলেন, সেগুলো বাস্তবায়নের চেষ্টা করছেন। তিনি বলেন, উনি যে বলেছিলেন ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’, সেটা অক্ষরে অক্ষরে পালন করার চেষ্টা করছেন। শেষ পর্যন্ত কী হবে, সেটা সময়ই বলে দেবে।  তবে শুরুটা তিনি চমৎকারভাবে করেছেন।

বুধবার (৬ মে) রাতে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সহায়তার বিষয়ে তিনি জানান, বন্যার পর প্রধানমন্ত্রী তাকে ডেকে এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের খাদ্য সহায়তা দেওয়ার ঘোষণাও দেন। ফজলুর রহমান বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ অতীতে খুব কমই দেখা গেছে। এটি অত্যন্ত সাহসী সিদ্ধান্ত। কারণ হাওড়াঞ্চলের ক্ষতি শুধু ইটনা বা মিঠামইনে সীমাবদ্ধ নয়, প্রায় ৩৫টি জেলার মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

হাওড় এলাকার ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরদিনই আমি এলাকায় যাই এবং বিভিন্ন হাওড় ঘুরে দেখি। আমার স্মরণকালের মধ্যে ধানের হাওড়ে এত বড় ক্ষতি আর দেখিনি। এবার শুধু ভাটির জমি নয়, উজান-ভাটির পার্থক্য ছাড়াই সব এলাকা পানিতে ডুবে গেছে। বাঁধের ভেতরে যা ছিল, সবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কৃষকদের এই ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে যথাযথ সরকারি ও আন্তর্জাতিক সহায়তা না পেলে।